সূরা ফাতিহা তেলাওয়াত শুনে খ্রিস্টান মহিলার ইসলাম গ্রহণ

সূরা ফাতিহা এর মুজিযা ও সাহিত্যের অলংকার নিয়ে কথা বলছিলেন আমাদের উম্মুল কুরার মিশরীয় এক প্রফেসর । ফাতিহার একটি আয়াতের একটি শব্দের গভীরতা এক খ্রিস্টান দম্পতীকে ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করেছিল । তিনি তার সাথে সাক্ষাত হওয়া এমন একজন টেক্সি ড্রাইভারের গল্প শুনালেন ।

মিশরে অবস্থানকালে তিনি একদিন টেক্সিতে চড়ে দূরে কোথাও যাচ্ছিলেন । কথার ফাঁকে ড্রাইভার জানালেন তিনি আগে খ্রিস্টান ছিলেন, এখন আলহামদুলিল্লাহ মুসলিম । এ কথা শুনে প্রফেসর সাহেবের কৌতূহল হল ড্রাইভারের মুসলিম হওয়ার পেছনের গল্পটা শুনার ।

তিনি জানতে চাইলেন, কিভাবে তিনি ইসলামে দীক্ষিত হলেন? ড্রাইভার জানালেন তিনি তার স্ত্রীর মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে ইসলামের ছায়াতলে এসেছেন। প্রফেসর ভাবলেন, হয়তো কোন মুসলিম মেয়েকে বিয়ে করার শর্তে তিনি নিজেও মুসলিম হয়েছেন। প্রফেসর বললেন, তোমার স্ত্রী কি মুসলিমা ছিলেন ?

ড্রাইভার জবাব দিলেন, না । তারপর বলতে শুরু করলেন, ‘আমারা দুজনই নাসারা ছিলাম । আমার স্ত্রী আরবি সাহিত্যের একজন শিক্ষিকা । তার কাজের সুবিধার্থে আমরা কায়রো শহরে এক জায়গায় একটি ভাড়া বাসায় উঠি। সেই বাসার একেবারে পাশেই ছিল মুসলিমদের ইবাদাতের জন্য নির্মিত একটি মসজিদ। পাঁচ ওয়াক্ত আযান ও সালাতে তিলাওয়াতের আওয়ায খুব স্পষ্টই আমরা শুনতে পেতাম ।’

দীর্ঘ দুই বছর সেখানে অবস্থানের পর আমাকে একদিন আমার স্ত্রী বললেন, একটি বিষয় খেয়াল করেছো কি? আমি বললাম কী? সে বলল, মুসলিমদের প্রার্থনায় তারা একটি বিশেষ অংশ প্রতিদিনই আবৃত্তি করে। সন্ধ্যা ও রাতের ইবাদাতকালীন সময়ে একবারের জন্যও তারা এই বিশেষ অংশটি বলতে ভুল করে না ।

তাদের সেই প্রার্থনার প্রতিটি বাক্য আমার শুনে শুনে মুখস্থ হয়ে গেছে। তবে সেই বাক্যগুলোর একটি কথা আমাকে খুবই অবাক করেছে ! আমি আমার স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করললাম, অবাক হওয়ার মত কী এমন পেলে সেই প্রার্থনায় ?

সে আমাকে বলল, ‘ইহদিনা বা আমাদের সঠিক পথের দিশা দাও – এই প্রার্থনাটা যখন আমি তাদের প্রতিনিয়ত বলতে শুনলাম তখন আমি আমাদের প্রতিবেশী এক মুসলিম মহিলাকে জিজ্ঞেস করলাম এই ব্যাপারে। সে আমাকে জানালো, তারা প্রতিদিন কমপক্ষে সতেরো বার এই একই দাবী তাদের প্রভুর কাছে করে।

আর অতিরিক্ত প্রার্থনায় দন্ডায়মান হলেও সেই বিশেষ অংশের আবৃত্তি ছাড়া তাদের ইবাদাত শুদ্ধ হয় না বলেও শুনলাম।’ আমি তাকে বললাম, ‘তো তাতে অবাক হওয়ার কী আছে ?’ সে বলল, ‘কেউ যদি প্রতিনিয়ত এত শতবার তার রবের কাছে সঠিক পথের দিশা পেতে ব্যাকুল থাকে, তিনি কি তাকে সঠিক পথ না দেখিয়ে খালি হাতে ফিরিয়ে দিতে পারেন?

আমরা তো আমাদের সাপ্তাহিক ইবাদাতে এমনভাবে কখনোই আমাদের ইশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি না। আর জানিও না আমরা কি আদৌ সঠিক পথে আছি কিনা ।’ তার এই কথা আমাকেও চিন্তায় ফেলে দিল । আমরা ইসলাম সম্পর্কে আরো জানতে আগ্রহী হলাম। এভাবেই আমি ও আমার স্ত্রী ইসলাম নিয়ে আরো গবেষণা করে এক পর্যায়ে আমরা ইসলামে দীক্ষিত হই।

প্রিয় প্রফেসর বললেন, তন্ময় হয়ে আমি তার কথা শুনছিলাম আর আল্লাহর কুরআনের মুজিযার কথা ভেবে অশ্রু সংবরণ করতে পারছিলাম না। সূরা ফাতিহার শুধু ‘ইহদিনা’ শব্দের গভীরতা উপলব্ধি করে একজন মহিলা ইসলামকে খুঁজে পেয়েছে । আমাদের মুসলিমদের হাতে গোনা কিছু মুমিন ছাড়া ক’জন আছেন যারা আল্লাহর দেয়া এই অমীয় বাণীর মর্মার্থ ও যথার্থতা অন্তরে লালন করতে পেরেছে?

দাড়ি পুরুষকে স্কিন ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে : গবেষণা

দাড়ি পুরুষকে স্কিন ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে

লম্বা দাড়িতে পুরুষকে শুধু সুদর্শনই দেখায় না, দাড়ি পুরুষদের স্বাস্থ্যবান রাখতেও সাহায্য করে। এক গবেষণায় এমনই জানা গেছে। খবর ইন্ডিপেনডেন্টের। ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ড-এর প্রফেসরের করা গবেষণায় বলা হয়েছে, মুখের দাড়ি সূর্যের ক্ষ’তিকর অতিবেগুনী রশ্মি থেকে র’ক্ষা করে। ওই গবেষণার প্রধান লেখক পারিসি ব্যাখ্যা করে বলেন, দাড়ি সানস্ক্রিনের মত মুখের ত্বককে সুরক্ষা দেয় না কিন্ত অতিবেগুনী রশ্মির হাত থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে।

এতে করে যারা দাড়ি রাখে তাদের মুখমণ্ডল সুরক্ষায় থাকে। দাড়ি তাদের ত্বক সজীব রাখে এবং ত্বকের ভাঁজ হওয়া থেকেও বাঁচিয়ে দেয়। এছাড়া দাড়িওয়ালা ব্যক্তিদের স্কিন ক্যা’ন্সারের মত রোগ হওয়া থেকেও অনেকটা রক্ষা করে বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ড. অ্যাডাম ফ্রেডম্যান ব্যাখ্যা করেছেন, সূর্যের অতিবেগুনি ত্বকে বয়স্কের ছাপ ও ক্ষতির প্রাথমিক কারণ। সুতরাং আপনার মুখমণ্ডল ভারি দাড়ি দিয়ে ঢাকা থাকলে তা সেসবের হাত থেকে রক্ষা পায়। গবেষণাটি ২০১৭ সালে করা হয় বলে খবরে বলা হয়েছে।

দাড়ি পুরুষকে স্কিন ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে : গবেষণা

দাড়ি পুরুষকে স্কিন ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে

লম্বা দাড়িতে পুরুষকে শুধু সুদর্শনই দেখায় না, দাড়ি পুরুষদের স্বাস্থ্যবান রাখতেও সাহায্য করে। এক গবেষণায় এমনই জানা গেছে। খবর ইন্ডিপেনডেন্টের। ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ড-এর প্রফেসরের করা গবেষণায় বলা হয়েছে, মুখের দাড়ি সূর্যের ক্ষ’তিকর অতিবেগুনী রশ্মি থেকে র’ক্ষা করে। ওই গবেষণার প্রধান লেখক পারিসি ব্যাখ্যা করে বলেন, দাড়ি সানস্ক্রিনের মত মুখের ত্বককে সুরক্ষা দেয় না কিন্ত অতিবেগুনী রশ্মির হাত থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে।

এতে করে যারা দাড়ি রাখে তাদের মুখমণ্ডল সুরক্ষায় থাকে। দাড়ি তাদের ত্বক সজীব রাখে এবং ত্বকের ভাঁজ হওয়া থেকেও বাঁচিয়ে দেয়। এছাড়া দাড়িওয়ালা ব্যক্তিদের স্কিন ক্যা’ন্সারের মত রোগ হওয়া থেকেও অনেকটা রক্ষা করে বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ড. অ্যাডাম ফ্রেডম্যান ব্যাখ্যা করেছেন, সূর্যের অতিবেগুনি ত্বকে বয়স্কের ছাপ ও ক্ষতির প্রাথমিক কারণ। সুতরাং আপনার মুখমণ্ডল ভারি দাড়ি দিয়ে ঢাকা থাকলে তা সেসবের হাত থেকে রক্ষা পায়। গবেষণাটি ২০১৭ সালে করা হয় বলে খবরে বলা হয়েছে।