আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, লড়াই এখনো শেষ হয়নি : মিজানুর রহমান আজহারী

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্টেটাস দিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামিক বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী। পাঠকদের উদ্দেশ্যে পোষ্টটি হুবহু তুলে ধরা হলোঃ

স্বাধীনতা অর্জন ও স্বাধীনতা রক্ষা— দুটোই বড় চ্যালেন্জ। প্রথম চ্যালেন্জ ওভারকাম করতে পারলেও, দ্বিতীয় চ্যালেন্জ ওভারকাম করতে গিয়ে এ জাতি হোঁচট খাচ্ছে বারবার।

“সাম্য, মানবিক মযার্দা, সামাজিক সুবিচার, নাগরিক অধিকার ও গণতন্ত্র”— মোটাদাগে এগুলোই ছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা। কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা এসবের কতটুকু নিশ্চিত করতে পেরেছি? সেটাই আজ বড় প্রশ্ন। সেটাই বড় চ্যালেন্জ।

স্বাধীনতা অর্জন করেও, স্বার্থপরতা ও চিন্তার দাসত্ব থেকে আমরা মুক্তি পাইনি আজও। দিনে দিনে বৈষম্য বেড়েছে। হীনমন্যতা, অসহনশীলতা, অনিয়ম আর দূর্নীতি যেন আজও আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী।

তাই, স্বাধীনতা অর্জিত হলেও, লড়াই থামেনি আমাদের এখনো। সম্প্রীতির বাংলাদেশ, মানবিক বাংলাদেশ আর সমৃদ্ধির বাংলাদেশ গড়তে— লড়ে যেতে হবে এ জাতিকে শেষ পর্যন্ত। সেই সাথে বেরিয়ে আসতে হবে সকল উস্কানিমূলক ও আক্রমণাত্মক আভ্যন্তরীণ কোন্দল আর হিংসাত্মক মনোভাব থেকে।

জাতীয় ঐক্য ছাড়া স্বপ্নের বাংলাদেশ তৈরী করা কি আদৌ সম্ভব? অথচ আমরা বিভাজনে ব্যস্ত। ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ, রাষ্ট্র ও সভ্যতা বিনির্মাণ করতে গেলে— জাতি হিসেবে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। একে অন্যের প্রতি সাম্প্রদায়িক তকমা লাগানো এবং কাদা ছোড়াছুড়ি থামাতে হবে। এধরণের সহিংস মনোভাবে সঙ্কট আরো প্রকট হচ্ছে। দরকার সমন্বিত প্রয়াস। হৃদয়ে বাংলাদেশকে ধারণ করে, রাজনৈতিক বৈচিত্রের মাঝেও দেশ গড়ার এক ও অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যেতে হবে সবাইকে। মাইলস টু গো..

স্বাধীন ভূখণ্ড মহান আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে এক বিরাট নেয়ামত। এটা আমরা অনেকেই টের পাইনা। এ ব্যাপারটি উপলব্ধি করতে হলে খুব বেশীদূর যেতে হবে না। বাংলাদেশে অবস্থিত প্রায় এক মিলয়ন রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দিকে তাকালেই সেটা বুঝা যায়। আহা! নিজ জন্মভূমি থেকে বিতাড়িত হয়ে ভিনদেশের আশ্রয় শিবিরে দিনাতিপাত করাটা যে কতোটা নির্মম ও বেদনাদায়ক তা কেবল ভুক্তভোগীরাই জানে। পাশাপাশি, স্বাধীন সার্বভৌম একটি ভূখণ্ডের জন্য ফিলিস্তিন ও কাশ্মীরের ভাইবোনদের দীর্ঘ সংগ্রাম আর করুণ আর্তনাদও আমাদের সে কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

তাই, আজকের এ মহান বিজয় দিবসে বিনয়াবনত চিত্তে শুকরিয়া জানাই আল্লাহর দরবারে এবং বিজয়ের কারিগর সকল শহীদের প্রতি জানাই হৃদয় নিংড়ানো দোয়া, ভালোবাসা ও বিনম্র শ্রদ্ধা।

“শহীদের রক্তে অর্জিত এ বিজয় যেন লুন্ঠিত না হয় কভু,
প্রিয় জন্মভূমি প্রিয় বাংলাদেশকে তুমি শান্তিময় করো প্রভু।”

হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) সর্বকালের সেরা মানব: রানী মুখার্জি

ভারতীয় চলচিত্রে এক সময় বলিউড কাঁপানো অভিনেত্রী রানী মুখার্জি সভাবসূলভ ভাল আচরণের কারণে তিনি ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। সাতটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার সহ তিনি বিভিন্ন পুরস্কার লাভ করেছেন।

তিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বী হলেও হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে দুনিয়ার সর্বকালের সেরা মানব বলে টুইট করলেন যা নিয়ে অনলাইন মাধ্যমে শেয়ারিং এর ধুম পড়েছে! টুইটটির জন্য ইসলাম ধর্ম অনুসারীরা অবশ্য রানীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন।

মুখার্জি- সম্রাট পরিবারে মার্চ ২১, ১৯৭৮ সালে জন্মগ্রহণ করলেও সেখানে তিনি জীবন-জীবিকার জন্য চলচ্চিত্রকে বেছে নেয়ার বিষয়ে উচ্চাভিলাষী ছিলেন না।

যদিও, ছেলেবেলায়ই তিনি বাবার পরিচালিত বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র বিয়ের ফুল (১৯৯৬) চলচ্চিত্রে সহ-চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে এবং পরবর্তীতে তার মায়ের সনির্বন্ধ অনুরোধে রাজা কি আয়েগি বারাত (১৯৯৭) সামাজিক নাট্য চলচ্চিত্রে মূখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেন।

এরপর নিয়মিত হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন কুছ কুছ হোতা হ্যায় (১৯৯৮) চলচ্চিত্রে শাহরুখ খানের বিপরীতে একটি সহযোগী চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। তার কর্মজীবনের এই প্রাথমিক সাফল্যের পর, পরবর্তী তিন বছরের জন্য তার চলচ্চিত্র বক্স অফিসে দুর্বল অবস্থানে ছিল।

যশ রাজ ফিল্মসের সাথিয়া (২০০২) নাট্য চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পর তার কর্মজীবনের সাফল্য আসে। পিতা রাম মুখোপাধ্যায় একজন অবসরপ্রাপ্ত পরিচালক। তার মা কৃষ্ণা চলচ্চিত্রে গান গাইতেন। তার ভাই রাজা মুখোপাধ্যায় একজন চিত্র প্রযোজক।

তার মাসি হলেন প্রখ্যাত চিত্রনায়িকা দেবশ্রী রায়। বলিউড তারকা অভিনেত্রী কাজল তার সম্পর্কিত বোন। তিনি বিখ্যাত পরিচালক প্রযোজক যশ চোপড়া এর বড় ছেলে পরিচালক ও প্রযোজক আদিত্য চোপড়াকে বিয়ে করেন।

দাড়ি পুরুষকে স্কিন ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে : গবেষণা

দাড়ি পুরুষকে স্কিন ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে

লম্বা দাড়িতে পুরুষকে শুধু সুদর্শনই দেখায় না, দাড়ি পুরুষদের স্বাস্থ্যবান রাখতেও সাহায্য করে। এক গবেষণায় এমনই জানা গেছে। খবর ইন্ডিপেনডেন্টের। ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ড-এর প্রফেসরের করা গবেষণায় বলা হয়েছে, মুখের দাড়ি সূর্যের ক্ষ’তিকর অতিবেগুনী রশ্মি থেকে র’ক্ষা করে। ওই গবেষণার প্রধান লেখক পারিসি ব্যাখ্যা করে বলেন, দাড়ি সানস্ক্রিনের মত মুখের ত্বককে সুরক্ষা দেয় না কিন্ত অতিবেগুনী রশ্মির হাত থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে।

এতে করে যারা দাড়ি রাখে তাদের মুখমণ্ডল সুরক্ষায় থাকে। দাড়ি তাদের ত্বক সজীব রাখে এবং ত্বকের ভাঁজ হওয়া থেকেও বাঁচিয়ে দেয়। এছাড়া দাড়িওয়ালা ব্যক্তিদের স্কিন ক্যা’ন্সারের মত রোগ হওয়া থেকেও অনেকটা রক্ষা করে বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ড. অ্যাডাম ফ্রেডম্যান ব্যাখ্যা করেছেন, সূর্যের অতিবেগুনি ত্বকে বয়স্কের ছাপ ও ক্ষতির প্রাথমিক কারণ। সুতরাং আপনার মুখমণ্ডল ভারি দাড়ি দিয়ে ঢাকা থাকলে তা সেসবের হাত থেকে রক্ষা পায়। গবেষণাটি ২০১৭ সালে করা হয় বলে খবরে বলা হয়েছে।

দাড়ি পুরুষকে স্কিন ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে : গবেষণা

দাড়ি পুরুষকে স্কিন ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে

লম্বা দাড়িতে পুরুষকে শুধু সুদর্শনই দেখায় না, দাড়ি পুরুষদের স্বাস্থ্যবান রাখতেও সাহায্য করে। এক গবেষণায় এমনই জানা গেছে। খবর ইন্ডিপেনডেন্টের। ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ড-এর প্রফেসরের করা গবেষণায় বলা হয়েছে, মুখের দাড়ি সূর্যের ক্ষ’তিকর অতিবেগুনী রশ্মি থেকে র’ক্ষা করে। ওই গবেষণার প্রধান লেখক পারিসি ব্যাখ্যা করে বলেন, দাড়ি সানস্ক্রিনের মত মুখের ত্বককে সুরক্ষা দেয় না কিন্ত অতিবেগুনী রশ্মির হাত থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে।

এতে করে যারা দাড়ি রাখে তাদের মুখমণ্ডল সুরক্ষায় থাকে। দাড়ি তাদের ত্বক সজীব রাখে এবং ত্বকের ভাঁজ হওয়া থেকেও বাঁচিয়ে দেয়। এছাড়া দাড়িওয়ালা ব্যক্তিদের স্কিন ক্যা’ন্সারের মত রোগ হওয়া থেকেও অনেকটা রক্ষা করে বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ড. অ্যাডাম ফ্রেডম্যান ব্যাখ্যা করেছেন, সূর্যের অতিবেগুনি ত্বকে বয়স্কের ছাপ ও ক্ষতির প্রাথমিক কারণ। সুতরাং আপনার মুখমণ্ডল ভারি দাড়ি দিয়ে ঢাকা থাকলে তা সেসবের হাত থেকে রক্ষা পায়। গবেষণাটি ২০১৭ সালে করা হয় বলে খবরে বলা হয়েছে।