আমাদেরকে জেলের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই : মুফতি ফয়জুল করিম

আমাদেরকে জেলের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। যদি অন্যায় করে থাকি তাহলে জেলে দেন কোন আপত্তি নাই কিন্তু যদি আমরা অন্যায় না করি, আর জেলে ডুকানোর দু:সাহস দেখান তাহলে বাংলার জনগণ ইনশাল্লাহ সেই দুঃসাহসে আঘাত করবে। যেদিন এই হাতের মাঝে হ্যান্ডকাপ লাগবে সেদিন এই বাংলার জনগণ সেই হ্যান্ডকাপকে ছিড়ে ফেলবে ইনশাআল্লাহ।

আজ ১৬ ডিসেম্বর (বুধবার) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগর আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আপনারা ভেবেছেন, জেলের তকমা দেখালেই আমরা ইঁদুরের মত পালিয়ে যাব। ইদুরের বাচ্চা পালাতে পারে। শিয়ালের বাচ্চা পালাতে পারে। ভোঁদড় এর বাচ্চা পালাতে পারে। বিড়ালের বাচ্চা পালাতে পারে। কিন্তু শায়খ ফজলুল করিমের ছেলে ফয়জুল করিম পালাতে পারে না। আবু বকরের সন্তানেরা পালাতে পারে না। ওমরের সন্তানেরা পালাতে পারে না।

তিনি বলেন, মারা যাবো শির উঁচু করে মারা যাব। রক্ত দিব ইসলামের জন্য রক্ত দিব। জীবন দিব ইসলামের জন্য জীবন দেব। এই দেশ রক্ষা করার জন্য জীবন দিব। সাম্য, মানবিক মর্যাদা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য প্রয়োজনে রক্ত দিব। তবু দেশকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ।

তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, আর যারা শেখ সাহেব (শেখ মুজিবুর রহমান) কে মহব্বত করতেছেন, ভালোবাসতেছেন, তাদেরকে প্রশ্ন করতে চাই, তিনি যখন ১৫ আগস্ট এর পরে ৩৬ ঘন্টা লাশ হয়ে পড়েছিলেন তখন তারা কোথায় ছিল? তখন এতো ভালোবাসা কোথায় ছিল?

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একটি উক্তিকে উদ্ধৃতি দিয়ে মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একথা হাজার বার বলেন, এ কথার জবাব এখনো পাইনি, সেদিন আপনার বাবার লাশ পড়েছিল, অথচ এত বড় দল, এত বড় সংগঠন, কিন্তু তাকে দেখার মত কেউ ছিলনা।

শেখ সাহেবের লাশ সেদিন পড়েছিল আর আপনারা তখন ক্ষমতার ভাগাভাগি নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। শেখ সাহেব মারা যাওয়ার পর বাংলার ফেরাউন মারা গেছে, কারা বলেছিল একথা কি কেউ জানেনা? এদেশের মানুষ কি জানে না এই ঘোষণা কে দিয়েছিলো? সেদিন এ ঘোষণা কোন আলেম দেয়নি, কোন মৌলবী দেয়নি, তোদের মত দালালরাই দিয়েছিল। তোদের মত নাস্তিকরাই দিয়েছিল।

শুধু তাই নয় আমি আপনাদের প্রশ্ন করতে চাই। শেখ সাহেবের জানাজা কে পড়িয়েছিলেন? কে তার জানাজায় উপস্থিত হয়েছিলেন? তার জানাজা কে দিয়েছিল? এই গোষ্ঠীর একটাও ছিলনা। তারা ঐ দিকে ব্যস্ত ছিল। তারা গদির ভাগাভাগিতে ব্যস্ত ছিল।

তিনি বলেন, আমার কথা একেবারেই স্পষ্ট ও পরিষ্কার। সাংবাদিক বন্ধুরা আজকে কোন সিগনাল দেই নাই। আজকের এই সম্মেলনের জন্য কোন প্রচার-প্রসার করিনি। মানুষগুলো কেস হয়েছে। তাই আবেগে মানুষগুলো এখানে চলে এসেছে। তবে শুনে রাখ, যেদিন এরেস্ট করবে সেদিন দেখবে বাংলার মানুষ তোমাদের কি অবস্থা করে!

হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) সর্বকালের সেরা মানব: রানী মুখার্জি

ভারতীয় চলচিত্রে এক সময় বলিউড কাঁপানো অভিনেত্রী রানী মুখার্জি সভাবসূলভ ভাল আচরণের কারণে তিনি ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। সাতটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার সহ তিনি বিভিন্ন পুরস্কার লাভ করেছেন।

তিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বী হলেও হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে দুনিয়ার সর্বকালের সেরা মানব বলে টুইট করলেন যা নিয়ে অনলাইন মাধ্যমে শেয়ারিং এর ধুম পড়েছে! টুইটটির জন্য ইসলাম ধর্ম অনুসারীরা অবশ্য রানীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন।

মুখার্জি- সম্রাট পরিবারে মার্চ ২১, ১৯৭৮ সালে জন্মগ্রহণ করলেও সেখানে তিনি জীবন-জীবিকার জন্য চলচ্চিত্রকে বেছে নেয়ার বিষয়ে উচ্চাভিলাষী ছিলেন না।

যদিও, ছেলেবেলায়ই তিনি বাবার পরিচালিত বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র বিয়ের ফুল (১৯৯৬) চলচ্চিত্রে সহ-চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে এবং পরবর্তীতে তার মায়ের সনির্বন্ধ অনুরোধে রাজা কি আয়েগি বারাত (১৯৯৭) সামাজিক নাট্য চলচ্চিত্রে মূখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেন।

এরপর নিয়মিত হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন কুছ কুছ হোতা হ্যায় (১৯৯৮) চলচ্চিত্রে শাহরুখ খানের বিপরীতে একটি সহযোগী চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। তার কর্মজীবনের এই প্রাথমিক সাফল্যের পর, পরবর্তী তিন বছরের জন্য তার চলচ্চিত্র বক্স অফিসে দুর্বল অবস্থানে ছিল।

যশ রাজ ফিল্মসের সাথিয়া (২০০২) নাট্য চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পর তার কর্মজীবনের সাফল্য আসে। পিতা রাম মুখোপাধ্যায় একজন অবসরপ্রাপ্ত পরিচালক। তার মা কৃষ্ণা চলচ্চিত্রে গান গাইতেন। তার ভাই রাজা মুখোপাধ্যায় একজন চিত্র প্রযোজক।

তার মাসি হলেন প্রখ্যাত চিত্রনায়িকা দেবশ্রী রায়। বলিউড তারকা অভিনেত্রী কাজল তার সম্পর্কিত বোন। তিনি বিখ্যাত পরিচালক প্রযোজক যশ চোপড়া এর বড় ছেলে পরিচালক ও প্রযোজক আদিত্য চোপড়াকে বিয়ে করেন।

দাড়ি পুরুষকে স্কিন ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে : গবেষণা

দাড়ি পুরুষকে স্কিন ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে

লম্বা দাড়িতে পুরুষকে শুধু সুদর্শনই দেখায় না, দাড়ি পুরুষদের স্বাস্থ্যবান রাখতেও সাহায্য করে। এক গবেষণায় এমনই জানা গেছে। খবর ইন্ডিপেনডেন্টের। ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ড-এর প্রফেসরের করা গবেষণায় বলা হয়েছে, মুখের দাড়ি সূর্যের ক্ষ’তিকর অতিবেগুনী রশ্মি থেকে র’ক্ষা করে। ওই গবেষণার প্রধান লেখক পারিসি ব্যাখ্যা করে বলেন, দাড়ি সানস্ক্রিনের মত মুখের ত্বককে সুরক্ষা দেয় না কিন্ত অতিবেগুনী রশ্মির হাত থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে।

এতে করে যারা দাড়ি রাখে তাদের মুখমণ্ডল সুরক্ষায় থাকে। দাড়ি তাদের ত্বক সজীব রাখে এবং ত্বকের ভাঁজ হওয়া থেকেও বাঁচিয়ে দেয়। এছাড়া দাড়িওয়ালা ব্যক্তিদের স্কিন ক্যা’ন্সারের মত রোগ হওয়া থেকেও অনেকটা রক্ষা করে বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ড. অ্যাডাম ফ্রেডম্যান ব্যাখ্যা করেছেন, সূর্যের অতিবেগুনি ত্বকে বয়স্কের ছাপ ও ক্ষতির প্রাথমিক কারণ। সুতরাং আপনার মুখমণ্ডল ভারি দাড়ি দিয়ে ঢাকা থাকলে তা সেসবের হাত থেকে রক্ষা পায়। গবেষণাটি ২০১৭ সালে করা হয় বলে খবরে বলা হয়েছে।

দাড়ি পুরুষকে স্কিন ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে : গবেষণা

দাড়ি পুরুষকে স্কিন ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে

লম্বা দাড়িতে পুরুষকে শুধু সুদর্শনই দেখায় না, দাড়ি পুরুষদের স্বাস্থ্যবান রাখতেও সাহায্য করে। এক গবেষণায় এমনই জানা গেছে। খবর ইন্ডিপেনডেন্টের। ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ড-এর প্রফেসরের করা গবেষণায় বলা হয়েছে, মুখের দাড়ি সূর্যের ক্ষ’তিকর অতিবেগুনী রশ্মি থেকে র’ক্ষা করে। ওই গবেষণার প্রধান লেখক পারিসি ব্যাখ্যা করে বলেন, দাড়ি সানস্ক্রিনের মত মুখের ত্বককে সুরক্ষা দেয় না কিন্ত অতিবেগুনী রশ্মির হাত থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে।

এতে করে যারা দাড়ি রাখে তাদের মুখমণ্ডল সুরক্ষায় থাকে। দাড়ি তাদের ত্বক সজীব রাখে এবং ত্বকের ভাঁজ হওয়া থেকেও বাঁচিয়ে দেয়। এছাড়া দাড়িওয়ালা ব্যক্তিদের স্কিন ক্যা’ন্সারের মত রোগ হওয়া থেকেও অনেকটা রক্ষা করে বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ড. অ্যাডাম ফ্রেডম্যান ব্যাখ্যা করেছেন, সূর্যের অতিবেগুনি ত্বকে বয়স্কের ছাপ ও ক্ষতির প্রাথমিক কারণ। সুতরাং আপনার মুখমণ্ডল ভারি দাড়ি দিয়ে ঢাকা থাকলে তা সেসবের হাত থেকে রক্ষা পায়। গবেষণাটি ২০১৭ সালে করা হয় বলে খবরে বলা হয়েছে।