সৌদি বাদশা নয় বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মুসলিম নেতা হলেন এরদোয়ান!

0

মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতার স্বীকৃতি পেয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। সৌদি রাজা সালমানকে পেছনে ফেলে এবার মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতার স্বীকৃতি পেলেন তিনি।

এছাড়া পুরো বিশ্বের নেতাদের মধ্যে জনপ্রিয়তার বিচারে পঞ্চম স্থানে রয়েছেন তিনি। শুক্রবার গ্যালাপ ইন্টারন্যাশনালের জরিপের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে এই খবর প্রকাশ করেছে বার্তাসংস্থা আনাদুলু এজেন্সি।

ওই আন্তর্জাতিক জরিপের প্রকাশিত তথ্য মতে, বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা জার্মানির চ্যান্সেলর এঞ্জেলা মার্কেল। ৪৬ শতাংশ ভোট পেয়ে তিনি প্রথম অবস্থানে রয়েছেন। ৪০ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন ফ্রান্সের এমানুয়েল ম্যাক্রোন এবং ৩৬ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে

রয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আর চতুর্থ স্থানে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পেয়েছেন ৩১ শতাংশ ভোট। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের পাশাপাশি অবস্থানে রয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

অপেক্ষাকৃত পেছনের দিকে থাকা সৌদি রাজা সালমান পেয়েছেন ২৫ শতাংশ ভোট এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট রুহানি পেয়েছেন ২১ শতাংশ ভোট। ১৯৭৭ সালে ড. জর্জ হোরেস গ্যালাপ প্রথম জনপ্রিয়তার এই সূচক নির্ণয়ের জরিপ শুরু করেন। এরপর প্রতিবছরই শেষের দিকে গ্যালাপ ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড অব ইয়ার সার্ভে প্রকাশ করা হচ্ছে।

বিশ্বের ৫০ দেশে এই জরিপ করা হয় যাতে পঞ্চাশ হাজার ২৬১ জন অংশ নিয়েছেন। প্রতিটি দেশ থেকে এক হাজার নারী-পুরুষ এই জরিপে প্রতিনিধিত্ব করেন। গত নভেম্বর ও ডিসেম্বরে করা জরিপে মুখোমুখি, টেলিফোন ও অনলাইনে তারা ভোট দিয়েছেন।

মহানবী আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ নেতা: এরদোগান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়িব এরদোগান বলেছেন, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুসলিম উম্মাহর জন্য আদর্শ ও অনুসরণের ক্ষেত্রে সর্বশ্রেষ্ঠ নেতা। বুধবার রাজধানী আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত একটি সভায় কীর্তিমান ঐতিহাসিক নেতাদের সম্পর্কে এক যুবকের করা প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই মন্তব্য করেন।

এরদোগান বলেন, আমাদের পূর্ব পুরুষদের মধ্যে এমন অনেক মহান নেতা আছেন, যারা তার সময়ের কীর্তিমান পুরুষ হিসেবে গোটা বিশ্বেই প্রভাব সৃষ্টি করেছেন এবং আজও তারা ইতিহাসের উদাহরণ। তুর্কি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা ও আধুনিক তুরস্কের রূপকার মুস্তফা কামাল আতাতুর্কও এমনি একজন মহান নেতা।

কাতারের আমির শায়েখ তামিম বিন হামদ আস সানিকেও বর্তমান সময়ের অন্যতম গ্রহণযোগ্য নেতার স্বীকৃতি দিয়েছেন এরদোগান। এরদোগান বলেন, শায়েখ তামিম প্রগতিশীল একজন যুবক নেতা, তার সবচে’ বড় গুণ হল, তিনি সবসময় দরিদ্র দেশসমূহের পাশে দাঁড়ান।

তবে ইউরোপের বিস্তৃত ভূখণ্ডে আদর্শিক কোন নেতাই নেই বলে মন্তব্য করেন এরদোগান। ‘আমি ইউরোপ জুড়ে বর্তমানে বাস্তবিক কোন নেতা দেখিনা।’ যোগ করেন এরদোগান।
প্রাক্তন জার্মান চ্যান্সেলর জেরহার্ড শ্রয়েডারকে একজন সফল নেতা আখ্যা দিয়ে এরদোগান বলেন, নেতৃত্বের গুণ খুব ভালভাবেই রপ্ত করতে পেরেছিলেন তিনি, আর সত্যবাদিতায় সে ওপরের সারির মহান এক নেতা ছিলেন।

কুরআনের ভুল খুঁজতে গিয়ে নিজেই মুসলমান হয়েছেন কানাডার অধ্যাপক

কানাডার সাবেক খ্রিস্টধর্ম প্রচারক ছিলেন অধ্যাপক ড. গ্যারি মিলার। তিনি পবিত্র কুরআনের মধ্যে ভুল খোঁজার চেষ্টা করেছিলেন। কুরআনের ভুল বের করে যাতে ইসলাম ও কুরআন বিরোধী প্রচারণা চালানো সহজ হয় সেজন্য তিনি এ চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু কুরআন পড়ার পর তার ভিতরে অদ্ভুত পরিবর্তন আসে। ফলে নিজেই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মুসলমান হন। ইসলাম গ্রহণের পর তার দেয়া হয়েছে আবদুল আহাদ উমার।

অধ্যাপক ড. গ্যারি মিলার বলেন, আমি একদিন কুরআন সংগ্রহ করে তা পড়া শুরু করলাম। প্রথমে ভেবেছিলাম কুরআন নাযিল হয়েছিল আরবের মরুচারীদের মধ্যে। তাই এতে নিশ্চয় মরুভূমি সম্পর্কে কথা থাকবে। কুরআন নাযিল হয়েছিল ১৪০০ বছর আগে। তাই খুব সহজেই এতে অনেক ভুল খুঁজে পাব ও সেসব ভুল মুসলিমদের সামনে তুলে ধরব।

কিন্তু কুরআন পড়ার পরে বুঝলাম আমার এসব ধারণা ঠিক নয়, বরং আমি অনেক আকর্ষণীয় তথ্য পেলাম। বিশেষ করে সূরা নিসার ৮২ নম্বর আয়াতটি আমাকে গভীর ভাবনায় নিমজ্জিত করে। সেখানে আল্লাহ বলেন, এরা কী লক্ষ্য করে না কুরআনের প্রতি? এটা যদি আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো পক্ষ থেকে নাযিল হতো, তবে এতে অবশ্যই বহু বৈপরিত্য দেখা যেত’।

এরপর আরো গভীরভাবে কুরআন অধ্যয়ন করলেন গ্যারি মিলার। আর তার এই অধ্যয়নই তাকে নিয়ে গেল ইসলামের পথে। ইসলামের দোষ খুঁজতে গিয়ে তিনি হয়ে গেলেন একজন মুসলিম তথা মহাসত্যের কাছে সমর্পিত একজন।

তিনি বলেছেন, আমি খুব বিস্মিত হয়েছি যে কুরআনে ঈসার (আ.) মাতা মারিয়ামের নামে একটি বড় পরিপূর্ণ সূরা রয়েছে। আর এ সূরায় তার এত ব্যাপক প্রশংসা ও সম্মান করা হয়েছে যে এত প্রশংসা বাইবেলেও দেখা যায় না। পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন স্থানে বিশ্বনবী মুহাম্মাদ (সা.)-এর নাম মাত্র ৫ বার এসেছে।

ব্রিটেনে শত শত তরুণীর ইসলাম ধর্ম গ্রহণ, বিয়ে করছেন মুসলিম তরুণদের

ব্রিটেনে বাড়ছে তরুণীদের ইসলাম ধর্ম গ্রহণের সংখ্যা ব্রিটেনে তরুণীদের ইসলাম ধর্ম গ্রহণের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, গত ১০ বছরে ব্রিটেনে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ ধর্মান্তরিত হয়েছে এবং এদের অধিকাংশই মূলত ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে। তাদের মধ্যে নারীদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

দেশটিতে শ্বেতাঙ্গরা, বিশেষ করে মেয়েরা খ্রিস্টান ধর্ম ছেড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছে। ফলে রক্ষণশীল ব্রিটিশরা বেশ চিন্তিত হয়ে পড়েছে। ব্রিটিশ সংস্থা ‘ফেথ ম্যাটার্স’র সম্প্রতি এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। ইসলাম ধর্ম নিয়ে কাজ করা এই সংস্থার জরিপে উঠে এসেছে, যারা ধর্মান্তরিত হয়েছে তাদের কারো বয়সই ২৭-এর বেশি নয়।

এদের মধ্যে মেয়েদের সংখ্যা প্রায় ৬২ শতাংশ। ফেথ ম্যাটার্স-এর জরিপ অনুযায়ী ব্রিটেনে গত বছর প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে। ইসলাম ধর্ম নিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব সবসময়ই সমালোচনায় মুখরিত। সমালোচকরা চিন্তিত এই ভেবে যে, বর্তমানে যেখানে ইসলাম ধর্মকে ঘিরে এত বিতর্ক চলছে, তার মধ্যে কীভাবে এই ধর্মের প্রতি এত আগ্রহী হওয়া যায়? ইসলাম ধর্ম বিশেষজ্ঞরা জানান, যে সব সংখ্যা তাদের কাছে হাজির করা হচ্ছে তাতে তারা বিস্মিত।

তাদের তথ্যের মূল উত্স হলো লন্ডনের মসজিদগুলো। মসজিদগুলো সবচেয়ে ভালো খবর রাখে এসব বিষয়ে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনে একটি প্রকল্পে কাজ করছেন আয়ারল্যান্ডের মেয়ে বাতুল আল তোমা। তিনি বলেন, ‘আমরা লেস্টারে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে গবেষণা করছি।

আমরা জানতে পেরেছি যে, মসজিদগুলো সব মুসলমানের সংখ্যা নির্ভুলভাবে লিপিবদ্ধ করে না। যারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে অথচ মসজিদে যায়নি তাদের কথা কোন মসজিদই জানে না। এসব মুসলমানকে ‘শাহদাহ’ সার্টিফিকেটও প্রদান করা হয়নি।

তাই আমাদের কাজের সঙ্গে মসজিদের দেয়া তথ্যের পার্থক্য অনেক বেশি। অনেক কিছুই বাদ গেছে মসজিদের তালিকা থেকে।’ তবে বাতুল আল তোমা জানান, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছে অনেক বেশি মানুষ এবং তাদের বেশিরভাগই মহিলা। আগে দেখা যেত, বিবাহিত মহিলারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছে। কারণ স্বামী মুসলমান।

এখন অবিবাহিত মেয়েরাই এগিয়ে আসছে। নির্ভরতার কারণে নয়, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই, সচেতনভাবে তারা গ্রহণ করছে ইসলাম ধর্মকে। তবে যে সব মেয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে, তারা তাদের পরিবার বা বন্ধু-বান্ধবের কাছ থেকে সরে গেছে অনেক অনেক দূরে।

ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছেন জনপ্রিয় ইউটিউবার জে কিম

জনপ্রিয় ইউটিউবার ও সাবেক পপ তারকা জে কিম ইসলাম গ্রহণ করেছেন। নিজের অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেল এবং ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্টে তিনি এ কথা নিশ্চিত করেন। তার অ্যাকাউন্টে প্রচারিত এক ভিডিওতে তাকে সিওলের একটি মসজিদের মিম্বারের সামনে কালিমা শাহাদাত পাঠ করতে দেখা যায়।

কিম মুসলমান হয়েছেন কি না সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অনেকেই জানতে চান আমি মুসলিম হয়েছি কি না। তাদের উদ্দেশে বলতে চাই যে, আমি আল্লাহতে বিশ্বাস করি এবং হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আল্লাহর প্রেরিত রাসুল হিসেবে মানি। আজ আমি বলতে চাই, আমি কেন আল্লহতে বিশ্বাস করি।

আমি মূলত ক্যাথলিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করি। সে সুবাদে আমার নাম ছিল ডেভিড। অবশ্য ইসলামের একজন নবীর নামও রয়েছে দাউদ। কিন্তু আমি ক্যাথলিক জীবন একদমই পছন্দ করতাম না। আমার কাছে মনে হতো ধর্ম আসলে আমার জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু না।

তবে আমি যখন উচ্চমাধ্যমিকে পড়ি সম্ভবত ক্লাস সেভেনে, তখন আমি আর্থ সায়েন্স পড়ছিলাম। পৃথিবী কীভাবে তৈরি হলো, বায়ু কীভাবে তৈরি হলো, আকাশ কীভাবে তৈরি হলো, সাগর কীভাবে তৈরি হলো ইত্যাদি সম্পর্কে পড়ছিলাম। তখন আমি হতাম যে, কেন এসব তৈরি করা হয়েছে?

কে এসব তৈরি করেছে? এসবের উৎস কী আসলে? কিন্তু আমাকে স্কুলে এসবের উত্তর শেখানো হতো না। আমি মনে করতাম যে, নিশ্চিয়ই কোনো কারণে কেউ এসব সৃষ্টি করেছে যাকে কেউ সৃষ্টি করেনি। আমি ধরেই নিয়েছিলাম যে, কোনো মহাশক্তি আছে যে এসব নিয়ন্ত্রণ করে।

আপনারা জানেন, বিজ্ঞান সবকিছুর ব্যাখ্যা দিতে পারে না। তাই কিছু না কিছুতে বিশ্বাস করতে হয়। ফলে আমিও বিশ্বাস করতাম, কিন্তু ক্যাথলিকদের মতো করে নয়। কারণ, আমি এটা মানতে পারতাম না যে, একজন মানুষ কখনো ঈশ্বর হতে পারে। সেই সঙ্গে এটাও আমার কাছে অস্বাভাবিক লাগত যে, আদমের কারণে জন্ম থেকেই একজন মানুষ কেন পাপী হতে পারে।

এর কিছুকাল পরে কিছু মুসলিমের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। ফলে আমার অনেক ধারণা বদলে যায়। মিডিয়ার জন্য ইসলামের প্রতি আমার খুব বাজে ধারণা ছিল। কিন্তু তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার ফলে তাদের জীবনব্যবস্থা, ব্যবহার-আচার সমস্ত কিছু আমাকে ভীষণভাবে মুগ্ধ করে।

আমরা সবাই এসব জানি, কিন্তু মানি না। তবে মুসলমানরা মানে। পরে আমি জানতে পারলাম যে, তারা আল্লাহতে বিশ্বাস করে। এ জন্য আমি আল্লাহ নিয়ে পড়াশোনা শুরু করি। কোথা থেকে এলাম আমি? কেন এলাম? এসব প্রশ্নের উত্তরই আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন।

তিনি শিখিয়েছেন এ সংক্ষিপ্ত জীবনে আমাদের কী করা উচিত। ক্যাথলিসিজমের অনেক কিছু আমার জন্য বোঝা কঠিন ছিল। কিন্তু কুরআনে সবকিছু ছিল পরিষ্কার। আল্লাহ একমাত্র স্রষ্টা। যদি আমি কোনো ভুল করি তার জন্য আমি একাই দায়ী। এ রকম সুন্দর সুন্দর ধারণা।’

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পর নিজের পুরোনো নাম বদলে নাম রাখেন দাউদ কিম। অবশ্য জন্মসূত্রে ক্যাথলিক খ্রিষ্টান হওয়ার ফলে তার নাম ছিল ডেভিড। তাই জে কিম জানান, ‘আমি মনে করি, দাউদ নামকরণ করার ফলে আমার নামটি আরও অর্থবহ হলো, যেহেতু ক্যাথলিক হওয়ার কারণে একসময় আমার নাম ডেভিড ছিল।’ অন্যদিকে ইসলাম ধর্মের একজন বিখ্যাত নবীর নামও রয়েছে দাউদ।

ইসলামী সংস্কৃতি সম্পর্কে ইতিবাচক তথ্য প্রচারের ফলে কিমের অসংখ্য নেটিজান ভক্ত রয়েছে। ইতিমধ্যে তার ইউটিউব সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যাও পাঁচ লক্ষাধিক। ইসলাম গ্রহণের পূর্বেই ইসলাম নিয়ে বেশকিছু ভিডিও করতে দেখা গেছে তাকে। ‘ঈদ ইন কোরিয়া’, ‘ইজ মিউজিক হারাম’ ইত্যাদি শিরোনামে তার চ্যানেলে কিছু ভিডিও রয়েছে যেগুলো তিনি ইসলাম গ্রহণ করার পূর্বেই তৈরি করেছিলেন।

জে কিমের এ সিদ্ধান্তে ভক্তকুল প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তার ইসলাম গ্রহণের ভিডিওটি ইতিমধ্যে দুই মিলিয়নের বেশি বার দেখা হয়েছে। অসংখ্য মানুষ তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছে এ উপলক্ষ্যে। কিমের ইসলাম গ্রহণ করার ফলে শুধু কোরিয়াতেই নয়; বরং বিশ্বব্যাপী মুসলিমরা অনুপ্রাণিত।