করোনার কারণে অনিশ্চিত আগামী বিশ্ব ইজতেমা

করোনার কারণে অনিশ্চিত আগামী বিশ্ব ইজতেমা –
করোনা মহামারির কারণে আগামী বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠানের অনিশ্চিয়তা নিয়ে ময়দান ত্যাগ করেছেন তাবলীগ সাথীরা। দ্বীন প্রচারের মিশনে সব ধরণের প্রতিবন্ধকতা অপসারণ ও তাবলীগ জামাতের ঐক্য কামনায় অনুষ্ঠিত আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শনিবার শেষ হয়েছে এবারের সংক্ষিপ্ত জোড় ইজতেমা।

বাংলাদেশ তাবলীগ জামাতের একজন শীর্ষ মুরব্বি মাওলানা ফারুক আহমেদ শনিবার সাড়ে ১২টায় বিদায়ী মোনাজাত শেষ করেন। এর পরই প্রশাসনের পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ময়দান ত্যাগ করেন তাবলীগ জামাতের চিল্লাধারী এসব সাথী।

সাধারণত, প্রতি বছর বিশ্ব ইজতেমার আগে ইজতেমার প্রাক-প্রস্তুতি ও পরামর্শের জন্য পাঁচ দিনব্যাপী জোড় ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। কিন্তু তাবলীগ জামাত দ্বিধাবিভক্ত হয়ে যাওয়ার পর তাদের জোড় ইজতেমা ও বিশ্ব ইজতেমাসহ অন্য নিয়মিত আয়োজনে ছন্দপতন ঘটে। সেইসাথে এবার যোগ হয়েছে বৈশ্বিক মহামারি করোনাভারাইরাস।

তাবলীগ জামাতের মাওলানা সা’দ কান্দলভি বিরোধীগ্রুপ নিজেদেরকে আলমী শূরা (তাবলীগের বিশ্ব পরামর্শসভা) দাবি করে থাকেন। আলমী শূরার গত বছরের ইজতেমায় নেয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের তত্ত্বাবধানে আগামী ৮, ৯ ও ১০ জানুয়ারি প্রথম পর্ব এবং ১৫, ১৬ ও ১৭ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্ব ইজতেমা হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে আসন্ন বিশ্ব ইজতেমা আদৌ হবে কিনা বা হলেও বড় আয়োজনে হবে নাকি সীমিত পরিসরে হবে তা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না।

এ ব্যাপারে আলমী শূরার তত্ত্বাবধানে আয়োজিত ইজতেমা আয়োজক কমিটির মুরুব্বি ডা. কাজী সাহাবুদ্দিন বলেন, বিশ্ব ইজতেমা আয়োজনের ব্যাপারে কিছু দিনের মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের ইজতেমা সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে আলাপ আলোচনার পর বলা যাবে আগামী ইজতেমা স্বল্প পরিসরে হবে, নাকি বৃহৎ আকারে হবে।

এ ব্যাপারে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ দক্ষিণ) মোহাম্মদ ইলতুৎমিশ বলেন, জিএমপি পুলিশের সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণভাবেই তিন চিল্লার সাথীদের ২৪ ঘণ্টার জোড় ইজতেমা শেষ হয়েছে। পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী মোনাজাতের পরপরই সমবেত মুসল্লিরা ময়দান ত্যাগ করতে শুরু করেন।