আরবি ভাষাকে এ দেশের মানুষ তাদের হৃদয়ে স্থান দিয়েছেন

ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়াও সর্বত্র ব্যাপক আরবি চর্চা হয়ে থাকে। এ দেশের মুসলমানরা আরবি ভাষাকে তাদের ধর্ম ও কর্মের ভাষা হিসেবে হৃদয়ে স্থান দিয়েছেন।

তারা ইসলামকে বাস্তব জীবনে অনুসরণ করে শান্তিপ্রিয় মানুষ হিসেবে জীবনযাপন করে থাকেন। শহর-নগর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের সহজ-সরল মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে ইসলামী মূল্যবোধ ধারণ করে থাকেন।

বিশ্ব আরবি ভাষা দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের আরবি ভাষা শিক্ষাকেন্দ্রের উদ্যোগে শিক্ষাকেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউছুফের সভাপতিত্বে ‘বিশ্বভাষা হিসেবে আরবির গুরুত্ব ও এর চর্চায় বাংলাদেশের অবদান’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক ভার্চুয়াল কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ঈসা ইবন ইউসূফ আদ্‌-দুহাইলান, ঢাবির কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক আবু মো. দেলোয়ার হোসেন, জর্ডানের অধ্যাপক বাস্‌মাহ তোলায়লান আস্‌-সালাম, মরক্কোর অধ্যাপক হুদা আমারাহ, তিউনিসিয়ার অধ্যাপক ওয়াফা আয্‌-যুহাইলী, সুইডেন প্রবাসী আফ্রিকান বংশোদ্ভূত জুদ্দা আব্দুল্লাহ ও কিরগিজস্তানের ড. সাইয়ে্যদ ইজ্জত আবুল ওয়াফা। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাবি আরবি বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল-মারুফ।

উক্ত কনফারেন্সে সৌদি রাষ্ট্রদূত বলেন, আরবি কোরআন-সুন্নাহর ভাষা। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী ছিল খুবই অর্থব্যঞ্জক অথচ সংক্ষিপ্ত। এ ভাষায় ওহি নাজিল হওয়ার স্থান সৌদি আরব হওয়ায় আমরা গর্ব অনুভব করি।

বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক বিদ্যমান। জাতিসংঘের অন্যতম দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে আরবি স্বীকৃতি পেয়েছে। তবে এ ভাষা আগে থেকেই জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিক্ষা ও সংস্কৃতির বাহন ছিল।