আমাকে নিয়ে অতিউৎসাহী হওয়ার প্রয়োজন নেই: ‘গণবন্ধু’ ইস্যুতে নুর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদ্য সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে ‘গণবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেছেন টাঙ্গাইল জেলা যুব অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা।

শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) বিকালে টাঙ্গাইলের সোনার বাংলা কমিউনিটি সেন্টারে জেলা যুব অধিকার পরিষদ আয়োজিত প্রতিনিধি সভায় এ সংক্রান্ত একটি ক্রেস্টও প্রদান করা হয়েছে।

প্রায় এক সপ্তাহ পর বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) বিষয়টি জানাজানি হলে তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।

সমালোচনাকারীদের মতে, ভিপি নুরকে ‘গণবন্ধু’ উপাধি দিয়ে লুকিয়ে রেখেছিল যুব অধিকার পরিষদ! তবে তা আর শেষ রক্ষা হলো না।

আর নুর বলছেন, বিষয়টি নিয়ে এতো অতিউৎসাহী হওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। প্রশংসায় না ভাসিয়ে বরং দেশের রাজনীতিতে ইতিবাচক ও গণতান্ত্রিক ধারায় পরিবর্তন ঘটাতে যে চেষ্টা করছি তাতে তাদের (শুভাকাঙ্ক্ষী) রাজনৈতিক সহযোগী হতে অনুরোধ করেছেন তিনি। শনিবার (১৬ জানুয়ারি) দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি।

নুরুল হক নুর বলেন, আমার কিছু সহযোদ্ধা ও শুভাকাঙ্ক্ষী আমাকে এ উপাধি দিয়েছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক বর্তমান যে পরিস্থিতি— চারদিকে হত্যা, মামলা, নির্যাতন, ভীতি বিরাজ করছে। অনেক বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদও রাজনীতি থেকে সরে যেতে বাধ্য হচ্ছে।

সেখানে আমি এবং আমার দল এত অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেও জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য নিজেদের জীবনকে হুমকির মুখে রেখে লড়ে যাচ্ছি। হয়তো এখানেই তাদের আবেগ কাজ করেছে।

‘গণবন্ধু’ উপাধির সমালোচনার ব্যাপারে তিনি বলেন, যেকোনো বিষয়ে ইতিবাচক-নেতিবাচক সমালোচনা থাকবেই। সেটা নিয়ে আমার কোনো মাথা ব্যাথা নেই। তবে আমি মনে করি এখনই আমাকে নিয়ে এত অতিউৎসাহী হওয়ার প্রয়োজন নেই।

তিনি বলেন, জাতীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার আমার কেবল শুরু। আর যেকোনো জিনিসের একটা পরিণত পর্যায় আছে। তাই আমাকে সে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

তাছাড়া যারা আমার শুভাকাঙ্ক্ষী তাদেরকে বলবো— আমাকে প্রশংসায় না ভাসিয়ে দেশে যে ক্ষমাতাকেন্দ্রীক অসহিষ্ণু রাজনীতির যে চর্চা হচ্ছে আর আমরা যার ইতিবাচক ও গণতান্ত্রিক ধারায় পরিবর্তন ঘটাতে চাই তার সহযোগী হতে।