শিগগিরই নারী জর্জ নিয়োগ দিতে যাচ্ছে সৌদি আরব

শিগগিরই নারী জজ নিয়োগ দিবে সৌদি আরব। নারী ক্ষমতায়নের অংশ হিসেবে দেশটির মানব সম্পদ মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দেয়।

আজ শনিবার কাতার ভিত্তিক সংবাদ সংস্থা আল-আরাবিয়া জানায়, সৌদি আরবের মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নারীদের ক্ষমতায়ন বিভাগের সেক্রেটারি জেনারেল হিন্দ আল জাহিদ খুব তাড়াতাড়ি নারী জর্জ নিয়োগ দেয়ার কথা জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, সৌদি সরকার দেশের বিভিন্ন স্ত’রে নারীদের অংশগ্রহণের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখছেন। সরকার বিশ্বাস করে, নারী নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশের উন্নতি অগ্রতি ধারা গতিময় হবে। তাই প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করছে সরকার।

ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মেদ বিন সালমানের সংস্কার কর্মসূচি ‘ভিশন ২০৩০’ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সৌদি নারীরা বিভিন্ন সুবিধা পাচ্ছেন৷ কিন্তু এখনও তাদের ক্ষমতায়নের পথে অনেক বাধা আছে বলে মনে করে দেশটি।

এরই মধ্যে গাড়ি চালানোর অনুমতি পেয়েছেন সৌদি নারীরা৷ এছাড়া এখন থেকে পুরুষ সঙ্গীর অনুমতি ছাড়াই ব্যবসা শুরু করতে পারবেন তারা৷ কর্মক্ষেত্রে সৌদি নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোরও পরিকল্পনা করা হয়েছে৷ ২০৩০ সালের মধ্যে মোট জনশক্তির এক তৃতীয়াংশ নারী করতে চায় দেশটি৷

এ সব ছাড়াও সম্প্রতি প্রথম নারী রেস্তোরাঁ মালিক, প্রথম নারী পশু চিকিৎসক, প্রথম নারী ট্যুর গাইড পেয়েছে সৌদি আরব৷

কিন্তু তারপরও সন্তুষ্ট হতে পারছেন না সৌদি নারীরা৷ কারণ অ্যাক্টিভিস্টরা বলছেন, ‘গার্ডিয়ানশিপ’ ব্যবস্থা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত সৌদি নারীদের জীবনে পরিপূর্ণ পরিবর্তন আসবে না৷ এই ব্যবস্থার কারণে পড়ালেখা, ভ্রমণসহ সরকারি সেবা পেতে নারীদের একজন পুরুষ আত্মীয়ের অনুমতি নেয়ার প্রয়োজন হয়৷সাধারণত এক্ষেত্রে নারীদের তাঁদের বাবা, স্বামী কিংবা ছেলের অনুমতি নিতে হয়৷

ইসলামিক স্কলাররা ভাবছেন, নারীদের এমন সুযোগ সুবিধা বিপদগামী করতে পারে নারীদের।