দেশের জনগণ নরেন্দ্র মোদীর আগমন চায় না : আল্লামা নুরুল ইসলাম জেহাদী

হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব ও আন্তর্জাতিক তাহাফ্ফু‌জে খতমে নবুওয়তের সভাপতি আল্লামা নুরুল ইসলাম জেহাদী বলেছেন, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আগমনের খবরে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম সমাজ ক্ষু’ব্দ হয়েছে।

দেশের জনগণ চায় না এমন একজন বিতর্কিত প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করুক।

আল্লামা জেহাদী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর উদযাপন করা হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই বিদেশী রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা এতে অংশগ্রহণ করতে পারেন। এবং তা দেশের জন্য সম্মানজনক।

কিন্তু মোদীর মত একজন মুসলমানদের শ’ত্রুকে অতিথি করা কোনভাবেই উচিৎ হচ্ছেনা। মোদী ভারতের মুসলমানদের ওপর নি’র্যাত’ন চালিয়ে যাচ্ছে। বাবরী মসজিদের জায়গায় রাম মন্দির নির্মাণ করছে মোদী সরকার।

গুজরাটে মুসলিমদের ওপর গ’ণহ’ত্যা চালিয়েছে এই মোদী। গরু রক্ষার নামে মুসলিমদের পি’টিয়ে মা’রছে মোদীর দলের লোকেরা। সীমান্তে বাংলাদেশীদের নি’র্বিচা’রে হ’ত্যা করছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীরা।

এতো কিছুর পরেও মুসলিম প্রধান দেশ বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানে মোদীকে আমন্ত্রন জানানো দুঃখজনক। আমরা চাই সরকার অবিলম্বে মোদীর আমন্ত্রণ বাতিল করুক।

তিনি আরো বলেন, আমরা চাই সরকার স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণ ভাবে শেষ করুক। তাই সরকারের উচিৎ হবে মোদীর আমন্ত্রণ বাতিল করা। এতে করে দেশের শা’ন্তিশৃঙ্খ’লাও বহাল থাকবে, অনুষ্ঠানও শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন হবে।

মোদী আসলে দেশের মানুষ ক্ষি’প্ত হবে। জনগণ ক্ষোভ প্রকাশ করতে মাঠে নেমে আসতে পারে। এটি সরকারের জন্যও সুখকর হবে না।

হেফাজত মহাসচিব বলেন, হেফাজতে ইসলাম এই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ঈমানী চেতনার সংগঠন। হেফাজত অতীতে যেভাবে প্রতিটি ইসলাম ও দেশ বি’রোধী ক’র্মকা’ণ্ডের বি’রুদ্ধে মাঠে সোচ্চার থেকেছে, আগামীতেও যে কোনো ইস্যুতে জনগণকে সাথে নিয়ে মাঠে থাকবে ইনশা আল্লাহ।