ভারতে স্কুলে কোরআন শিক্ষা দেয়া হোক : মানেকা গান্ধী

0

ধর্মীয় কারণে ভারতে উত্তেজনা বাড়ছে। একে অন্যের ধর্ম সম্পর্কে না জানাই এর প্রধান কারণ। এ জন্য স্কুলে শিক্ষার্থীদের অন্য ধর্ম সম্পর্কে শিক্ষার ব্যবস্থা করার পক্ষে মানেকা গান্ধী। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

তিনি বলেন, ধর্মীয় কারণেই এখন উত্তেজনা দেখা যাচ্ছে। এর অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে শিশুরা অন্য ধর্ম সম্পর্কে কিছু জানে না। ফলে অন্য ধর্মের প্রতি তারা ঘৃণা পোষণ করে। হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ ও ইসলাম ধর্মের মূল্যবান গ্রন্থ থেকে শিক্ষালাভ করলে শিশুরা ছোট বয়সেই অন্য ধর্মের প্রতি সম্মান করতে শিখবে।

ভারতের সেন্ট্রাল অ্যাডভাইজরি বোর্ড অব এডুকেশনে তিনি নতুন এই পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছেন। ছয় ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ থেকে সপ্তাহে অন্তত দুবার ক্লাস নেয়ার ব্যাপারে মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের কাছে আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, আমাদের মধ্যে কতজন নিজ নিজ ধর্মীয় গ্রন্থ পড়েছেন? আমি কোরআন পড়েছি। আপনারা কতজন জানেন যে মুহাম্মদ (সা.) যুদ্ধবিরোধী? আমাদের নৈতিকতার শিক্ষা দেয়া হতো, কিন্তু এখন আর এটি নেই।

সারা দেশে প্লে-স্কুলে এ ধরনের গাইডলাইন তৈরির ব্যাপারেও প্রস্তাব দিয়েছেন মানেকা। প্লে-স্কুলের গাইডলাইন মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয় তৈরি করে। তাই আমি মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়কে এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানিয়েছি। যাতে দুই মন্ত্রণালয় একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

মহানবী (সা.) বিশ্বমানবতার মুক্তির দূত

হুজুর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন বিশ্বমানবতার মহান মুক্তির দূত। প্রত্যেক মুসলমান বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পরিবার-পরিজন, স্ত্রী-সন্তান, মা-বাবা এবং ধন-সম্পদের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন। রাসূলুল্লাহ (সা.)কে নিজের জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসা মুমিনের একান্ত কর্তব্য।

আল কোরআন ও হাদিসের একাধিক বর্ণনায় মুমিনদের রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি গভীর ভালোবাসা স্থাপনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আল্লাহ তায়ালার এরশাদ, ‘নবী মুমিনদের কাছে তাদের নিজেদের চেয়েও অধিক ঘনিষ্ঠ।’ (সূরা আহজাব, আয়াত ৬)

তিনি আরো বলেন, ‘তোমাদের কাছে যদি তোমাদের পিতা তোমাদের সন্তান, তোমাদের ভাই, তোমাদের পত্নী, তোমাদের গোত্র তোমাদের অর্জিত ধনসম্পদ, তোমাদের ব্যবসা যা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয় কর এবং তোমাদের বাসস্থান- যাকে তোমরা পছন্দ কর- আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও তাঁর রাহে জিহাদ করা থেকে অধিক প্রিয় হয়, তাহলে অপেক্ষা কর আল্লাহর (আজাবের) নির্দেশ আসা পর্যন্ত। আল্লাহ পাপাচারী সম্প্রদায়কে হেদায়েত দেন না।’ (সূরা তওবা, আয়াত ২৪)

প্রত্যেক মুসলমানের অন্তরে নবীর প্রতি গভীর ভালোবাসা থাকা ইমানের দাবি। যার মাঝে নবীপ্রেম নেই তার মধ্যে ইমান নেই। রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘তোমাদের কেউ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার কাছে তার পিতা-মাতা, সন্তান ও সব মানুষের চেয়ে বেশি প্রিয় হই।’ (বুখারি)

রাসূলুল্লাহ (সা.) সাহাবিদের কাছে ছিলেন তাঁদের জীবনের চেয়েও প্রিয়। হজরত ওমর (রা.) রসুল (সা.)-কে বললেন, ‘হে রাসূল! আমি আপনাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি তবে আমার নিজের চেয়ে বেশি নয়। রাসূল (সা.) বললেন, আল্লাহর শপথ! তোমার নিজের চেয়েও আমাকে বেশি ভালোবাসতে হবে। তখন ওমর (রা.) বললেন, এখন আমি আপনাকে নিজের চেয়েও বেশি ভালোবাসি। অতঃপর রাসূল (সা.) বললেন, হে ওমর! তাহলে এখন ঠিক আছে।’ (বুখারি)

ইসলাম গ্ৰহণ করে জীবনের মর্ম বুঝেছি : জাপানি তরুণী

জীবনে মর্ম কি জিনিস ইসলাম গ্ৰহণ করার পর তা আজ বুঝতে পারছি। একসময় হতাশায় ছিলাম। ভাবতাম জীবন মানে পড়াশুনা, কাজ, বিয়ে এবং সংসার। কিন্তু মুসলিম হওয়ার পর জীবনের মর্ম বুঝেছি। আল্লাহর এবাদতের জন্য এখন আমার এ জীবন। এই কথা গুলো বলেছেন জাপানি এক তরুণী যিনি বৌদ্ধ ধর্মানুসারী ছিলেন পরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

জাপানি ওই তরুণীর নাম নুর আরিসা মরিয়ম। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন। তবে শিশুকাল থেকে বেড়ে উঠেছেন টোকিওতে।

ইসলাম গ্রহণের কারণ হিসেবে তিনি বলেন, টোকিওতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার মেজর বিষয় ছিল মালেশিয়ান স্টাডিজ। এবং এতে একটি লেকচারে একজন হিজাবি মুসলিম নারীর বিষয় পড়ানো হয়।

এসময় আমি ইসলাম সম্পর্কে জানতে পারি এরপর অনেক মুসলিমদের সঙ্গে আমি দেখা করি এবং একপর্যায়ে আবিষ্কার করি শান্তির জন্য ধর্ম হল ইসলাম।

আরিসার ইসলাম ধর্ম গ্রহণের বিসয়টি ভালোভাবে মেনে নিতে পারেননি তার মা। তবে একপর্যায়ে তিনি তা মেনে নেন। আরিসা বলেন, আমি জানি আমার জীবনে এখনও অনেক সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ আছে। কিন্তু এসব সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ আল্লাহর দেয়া পরীক্ষা।

ইসলাম গ্ৰহণ করে জীবনের মর্ম বুঝেছি : জাপানি তরুণী

জীবনে মর্ম কি জিনিস ইসলাম গ্ৰহণ করার পর তা আজ বুঝতে পারছি। একসময় হতাশায় ছিলাম। ভাবতাম জীবন মানে পড়াশুনা, কাজ, বিয়ে এবং সংসার। কিন্তু মুসলিম হওয়ার পর জীবনের মর্ম বুঝেছি। আল্লাহর এবাদতের জন্য এখন আমার এ জীবন। এই কথা গুলো বলেছেন জাপানি এক তরুণী যিনি বৌদ্ধ ধর্মানুসারী ছিলেন পরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

জাপানি ওই তরুণীর নাম নুর আরিসা মরিয়ম। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন। তবে শিশুকাল থেকে বেড়ে উঠেছেন টোকিওতে।

ইসলাম গ্রহণের কারণ হিসেবে তিনি বলেন, টোকিওতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার মেজর বিষয় ছিল মালেশিয়ান স্টাডিজ। এবং এতে একটি লেকচারে একজন হিজাবি মুসলিম নারীর বিষয় পড়ানো হয়।

এসময় আমি ইসলাম সম্পর্কে জানতে পারি এরপর অনেক মুসলিমদের সঙ্গে আমি দেখা করি এবং একপর্যায়ে আবিষ্কার করি শান্তির জন্য ধর্ম হল ইসলাম।

আরিসার ইসলাম ধর্ম গ্রহণের বিসয়টি ভালোভাবে মেনে নিতে পারেননি তার মা। তবে একপর্যায়ে তিনি তা মেনে নেন। আরিসা বলেন, আমি জানি আমার জীবনে এখনও অনেক সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ আছে। কিন্তু এসব সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ আল্লাহর দেয়া পরীক্ষা।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.