জনগনের জন্য ঘরে বসে ভোট দেওয়ার প্রযুক্তি আবিস্কার করুন : আইনমন্ত্রী

0

ভোটাররা যাতে ঘরে বসে ভোট দিতে পারেন, এমন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের তাগিদ দিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মতো আধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে আরও গবেষণা করার পরামর্শ দিয়েছেন। আনিসুল হক বলেছেন, এমন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে হবে, যাতে মানুষ ঘরে বসে অনলাইনে ভোট দিতে পারেন এবং কোথায় তাঁর ভোট পড়েছে, তা নিশ্চিত হতে পারেন।

আজ সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় ভোটার দিবসের আলোচনায় আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন। ‘ভোটার হয়ে ভোট দেব, দেশ গড়ায় অংশ নেব’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে এবারের জাতীয় ভোটার দিবস (২ মার্চ) পালন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ওই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আনিসুল হক বলেন, ‘কোন কেন্দ্রে কত ভোট পড়েছে, কারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে, তাদের ছবি, আইডি নম্বরসহ অনলাইনে প্রকাশ করা যায় কি না, সে ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করতে হবে। এতে ভোটারের সংখ্যা ও উপস্থিতি নিয়ে কারও মনে কোনো সংশয় থাকবে না। যিনি ভোট দেবেন, তাঁকে একটি কনফারমেশন স্লিপ দেওয়া যায় কি না, সেই বিষয়েও চিন্তাভাবনা করা যেতে পারে।’

আইনমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ব্রাজিল, ফ্রান্স, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশে ইভিএমে ভোট হচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশে কেউ কেউ না জেনে ইভিএম নিয়ে নেতিবাচক কথা বলেন।

নতুন প্রযুক্তির কোনো বিকল্প নেই। তবে তিনি ইভিএম নিয়ে আরও গবেষণা করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ইভিএম পদ্ধতিতে আরও আধুনিক ও স্বচ্ছ করার জন্য ধারাবাহিক গবেষণা করতে হবে। এই পদ্ধতিতে আরও আধুনিক ও সার্বিক ত্রুটিমুক্ত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে সিইসি কে এম নূরুল হুদা ভোটার তালিকার হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, এখন দেশে মোট ভোটার ১০ কোটি ৯৮ লাখ ১৯ হাজার ১১২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫ কোটি ৫৪ লাখ ৮২ হাজার ৫৩০ জন, নারী ভোটার ৫ কোটি ৪৩ লাখ ৩৬ হাজার ২২২ জন আর হিজড়া ভোটার ৩৬০ জন।

আলোচনা সভায় নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেন, ভোটাররা অবারিতভাবে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ইচ্ছা অনুযায়ী ভোট দিতে পারলেই কেবল জাতীয় ভোটার দিবস পালনের উদ্দেশ্য সফল হবে। তিনি আরও বলেন, ভোট জনগণের পবিত্র আমানত। এই আমানত যাতে লুণ্ঠিত না হয়, সে জন্য নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য হওয়া প্রয়োজন।

এ জন্য নির্বাচনপ্রক্রিয়া সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। ভোট দুই অক্ষরের ছোট শব্দ হলেও এর ব্যাপ্তি অত্যন্ত বিস্তৃত, বিশাল ও ব্যাপক। মাহবুব তালুকদার বলেন, ভোট জনগণের সার্বভৌমত্বের প্রতীক ও জনগণের রক্ষাকবচ।

সম্প্রতি ভোটারদের ভোটবিমুখতা লক্ষ করা যাচ্ছে। এটি গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত। এর কারণগুলো বিশ্লেষণ করে তা প্রতিকারের প্রচেষ্টা চালানো প্রয়োজন। যেকোনো মূল্যে আইনানুগভাবে ভোটের প্রতি ভোটারদের আস্থার সংকট মোচন করতে হবে।

অন্যদের মধ্যে নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসি সচিব মো. আলমগীর।

এর আগে সকালে মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে শোভাযাত্রা বের করে নির্বাচন কমিশন। শোভাযাত্রা শেষে নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম বলেন, ‘নিজের অধিকারকে নিজেকেই প্রতিষ্ঠিত করতে হয়। অন্য কেউ এসে আপনার অধিকারটা প্রতিষ্ঠিত করে দেবে না।

শুধু এটুকু বললেই হবে না যে, আমি ভোট দিতে গিয়েছি, ভোট দিতে পারি নাই, এটা আপনার ব্যর্থতা। আপনি ভোট কেন্দ্রে যাবেন, নিজের অধিকারটা স্বাধীনভাবে প্রতিষ্ঠিত করার সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন।’

ইউরোপে প্রতিদিন গড়ে ইসলাম গ্রহণ করছে ৮ জন

উত্তর ইউরোপের দেশ নরওয়েতে প্রতিদিন গড়ে ৮ জন ভিন্নধর্মী লোক ইসলাম গ্রহণ করছে। ইউরোপের এ দেশটিতে ইসলাম গ্রহণের হার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশটির জনপ্রিয় দৈনিক ভারডেনস গ্যাঙ্গে-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

নরওয়ের সুপ্রাচীন ও সবচেয়ে বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অসলো বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের কালচারাল স্টাডিজ অ্যান্ড অরিয়েন্টাল ল্যাঙ্গুয়েজ বিভাগের একজন গবেষকের বরাতে ভারডেনস গ্যাঙ্গে-এর প্রতিবেদন বলা হয়, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রায় তিন হাজার নরওয়েজিয় নাগরিক ইসলাম গ্রহণ করছে। যা ১৯৯০ সালের সময় থেকে ৬ গুণেরও বেশি।

প্রতিবেদনের হিসাবে গড়ে প্রতিদিন ইসলাম গ্রহণকারী মুসলিমের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৮ জনেরও বেশি। ইসলাম গ্রহণকারীর সংখ্যা বাড়ার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আগে নরওয়ের নারীরা মুসলিম পুরুষদের বিয়ে করতে বেশি আগ্রহী ছিল।

১৯৫০ সালের দিকে নরওয়েতে মুসলমানের অবস্থান স্পষ্ট ছিল না। ১৯৬০ সালের দিকে দৃশ্যমান হতে থাকে মুসলিমদের অবস্থান। নরওয়ের রাজধানী অসলোতে ১৯৭৪ সালে প্রথম মসজিদ গড়ে ওঠে।

১৯৬০ সালের পরবর্তী সময়ে নরওয়েতে মুসলমানদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। ফলে বর্তমানে নরওয়েতে মুসলমানরা দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় জনগোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছে। গত ২০১১ সালের তথ্য মতে নরওয়েতে মোট জনসংখ্যার ২.৩ শতাংশ মুসলিম।

উল্লেখ্য যে, চলতি বছরের জুন মাসে ‘স্টপ ইসলামাইজেশন’ গ্রুপের এক সভায় ইসলাম, কুরআন ও হিজাবের ব্যাপারে বক্তব্য দিতে গিয়ে পুলিশি প্রহরায় এক জনসমাবেশে প্রকাশ্যে পবিত্র কুরআনুল কারিম ছুঁড়ে ফেলেন অ্যানা ব্রাটেন নামে এক নারী নেত্রী।

সেখানে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা কুরআনের কপিটি সংরক্ষণে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এক পর্যায়ে অ্যানা ব্রাটেন পবিত্র কুরআনের কপিটি প্রতিবাদকারী মুসলিমের দিকে ছুড়ে ফেল দেন।

এ ঘটনার ৪ মাসের ব্যবধানে অসলো বিশ্ববিদ্যালয়ের কালচারাল স্টাডিজ অ্যান্ড অরিয়েন্টাল ল্যাঙ্গুয়েজ বিভাগের গবেষণার ফলাফল ও ভারডেনস গ্যাঙ্গে-এর প্রতিবেদনটি ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য অনেক বড় সুসংবাদ।

আমিরাতের পুলিশের আচরণে মুগ্ধ হয়ে ইসলাম গ্রহণ করেছেন ডাচ নারী পর্যটক

সংযুক্ত আরব আমিরাতের পর্যটন পুলিশ সদস্যদের সহনশীলতা ও সভ্য আচার-আচরণে মুগ্ধ হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন ইউরোপীয় এক পর্যটক। ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারী ওই নারী পর্যটক নেদারল্যান্ডসের নাগরিক।

আমিরাতের পর্যটন বিভাগের মহাপরিচালকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ডাচ নারী ক্রিশ্চিনা ডাফানো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। শনিবার আবু ধাবি পুলিশের এক বিবৃতিতে তার ইসলাম ধর্ম গ্রহণের তথ্য জানানো হয়েছে।

কালেমা শাহাদত পাঠের পর ডাফানো তার নাম পরিবর্তন করে রাখেন নুরা। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসলাম গ্রহণের পর শেখ জায়েদ গ্র্যান্ড মসজিদ পরিদর্শনে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন ওই নারী। পরে তাকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। ইসলাম ধর্মের রীতি অনুযায়ী, তাকে সহনশীল এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দীক্ষা দেয় আমিরাতের পর্যটন পুলিশ।

আমিরাতের পুলিশের আচরণে মুগ্ধ হয়ে ইসলাম গ্রহণ করেছেন ডাচ নারী পর্যটক

সংযুক্ত আরব আমিরাতের পর্যটন পুলিশ সদস্যদের সহনশীলতা ও সভ্য আচার-আচরণে মুগ্ধ হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন ইউরোপীয় এক পর্যটক। ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারী ওই নারী পর্যটক নেদারল্যান্ডসের নাগরিক।

আমিরাতের পর্যটন বিভাগের মহাপরিচালকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ডাচ নারী ক্রিশ্চিনা ডাফানো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। শনিবার আবু ধাবি পুলিশের এক বিবৃতিতে তার ইসলাম ধর্ম গ্রহণের তথ্য জানানো হয়েছে।

কালেমা শাহাদত পাঠের পর ডাফানো তার নাম পরিবর্তন করে রাখেন নুরা। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসলাম গ্রহণের পর শেখ জায়েদ গ্র্যান্ড মসজিদ পরিদর্শনে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন ওই নারী। পরে তাকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। ইসলাম ধর্মের রীতি অনুযায়ী, তাকে সহনশীল এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দীক্ষা দেয় আমিরাতের পর্যটন পুলিশ।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.