আগামী বিশ্বকাপে খেলতে পারবে সাকিব : আইসিসি

করোনাভাইরাসের কারণে থমকে আছে বিশ্ব ক্রিকেট। একে একে সবগুলো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বাতিল হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মত স্থগিত হচ্ছে ঘরোয়া আসরগুলোও। এমন বিরল পরিস্থিতিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়েও জেগেছে শঙ্কা।

এই বছরই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মাঠে গড়াবে। অক্টোবর-নভেম্বরের এই বিশ্বকাপের স্বাগতিক দেশ অস্ট্রেলিয়া। করোনাভাইরাসের কারণে দেশটির ক্রিকেটও স্তব্ধ হয়ে আছে।

তবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রত্যাশা, করোনাভাইরাসের সংকটময় মুহূর্ত কাটিয়ে আগামী কয়েক মাস কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সব ধরনের ক্রীড়া ইভেন্ট মাঠে ফিরবে। একইসাথে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও পেছানো লাগবে বলে ভাবছে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ড।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী কেভিন রবার্টস জানান, করোনাভাইরাসের বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতি দ্রুতই কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে দেশগুলো- এমন প্রত্যাশা ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার। তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি, আগামী কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাসের মধ্যেই সব ধরনের খেলাধুলা পুরোদমে মাঠে গড়াবে।’

‘এমন একটি পরিস্থিতি সম্পর্কে আমরা কেউই বিশেষজ্ঞ নই। তাই আমরা প্রত্যাশাই করতে পারি যে- অক্টোবর বা নভেম্বর আসতে আসতে সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঠিক সময়েই মাঠে গড়াবে।যদি পরিস্থিতি খারাপ থাকে তাহলে কিছুটা পিছাতে পারে টি২০ বিশ্বকাপ।’– বলেন রবার্টস।

আর যদি তাই হয় তাহলে বাংলাদেশের জনয় থাকবে সুখবর কারণ সাকিবের নিষধাজ্ঞা শেষ হবে টি২০ বিশ্বকাপের মাঝেই যদি তা পিছিয়ে যায় শুরু থেকেই খেলতে পারবেন সাকিব।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে ১৫ নভেম্বর, মেলবোর্নে। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে দর্শকদের উপস্থিতির কথা কল্পনাও করা যাচ্ছে না। তবে করোনার প্রভাব কেটে যাওয়ার বিশ্বাস নিয়েই অজি ক্রিকেটের এই শীর্ষ কর্তার প্রত্যাশা, ফাইনাল উপভোগ করবেন গ্যালারি ঠাসা দর্শক।

‘এই মুহূর্তে আমরা পরিকল্পনা করছি নভেম্বরের ১৫ তারিখ নিয়ে, যেদিন মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড দর্শকে ঠাসা থাকবে, যেমন কদিন আগে ছিল প্রমীলা বিশ্বকাপের ফাইনালে।’

হে আল্লাহ আমাদের করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা করুন

বিশ্বজুড়ে ‘করোনা’ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশেও আক্রান্তের খবর নিশ্চিত হয়েছি আমরা। করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে সাস্থ্য সম্পর্কিত সব নির্দেশনা মানার পাশাপাশি আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে, জীবন-মৃত্যুর মালিক আল্লাহতায়ালা। আল্লাহ হেফাজত না করলে কোনো কিছুই আমাদের বাঁচাতে পারবে না।

আর আল্লাহর রহমতের চাঁদরের নিচে থাকলে কোনো কিছুই আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না। রোগ-শোক, বিপদ-আপদ, মহামারি থেকে বাঁচতে রাসূল (সা.) সাহাবিদের অনেক দোয়া শিখিয়েছেন। রাসূল (সা.)-এর প্রিয় নাতি আলী (রা.)-এর ছেলে হজরত হাসান (রা.) থেকে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দোয়া হাদিসের কিতাবে এসেছে। হাসান (রা.) বলেনে,

নানাজান আমাকে এ দোয়াটি শিখিয়েছেন এবং বলেছেন আমি যেন বিতরের নামাজে এ দোয়টি পড়ি। আশা করা যায়, আল্লাহতায়ালা সব ধরনের রোগ-শোক, বালা-মুসিবত থেকে আমাদের হেফাজত করবেন। দোয়াটি হল- হে আল্লাহ! আমাকে হেদায়াত করুন, যাদের আপনি হেদায়াত করেছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপদ রাখুন, যাদের আপনি নিরাপদ রেখেছেন তাদের সঙ্গে।

হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন, যাদের আপনি সুস্থ রেখেছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমার অভিভাবক হয়ে যান, যাদের আপনি অভিভাবক হয়েছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমাকে আপনি যেসব নেয়ামত দিয়েছেন, সেগুলো কল্যাণে ভরপুর করে দিন। হে আল্লাহ! আমার ভাগ্যে কোনো অকল্যাণ থাকলে তা দূর করে দিন।

আপনিই তাকদিরের মালিক। তাকদির পরিবর্তন করা আপনার জন্য খুবই সহজ ব্যাপার। হে আল্লাহ! আপনি যার অভিভাবক হয়েছেন, কোনো মুসিবত তাকে স্পর্শ করবে না। আপনার রহমতের চাদর যার থেকে তুলে নিয়েছেন, মুসিবত কখনও তার পিছু ছাড়বে না। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের রব। মহিয়ান-গরিয়ান আপনি। সবার ওপরে আপনার জায়গা।

তিরমিজি, নাসায়ি এবং ইবনে মাজাহ শরিফে হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে। যদিও রাসূল (সা.) বিতর নামাজে দোয়ায়ে কুনুত হিসেবে দোয়াটি পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়াও যে কোনো সময় আল্লাহর কাছে তন্ময়তার সঙ্গে নিরাপত্তা ও সুস্থতার উদ্দেশ্যে এ দোয়া পড়া যেতে পারে।

বিশ্বজুড়ে ‘করোনা’ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশেও আক্রান্তের খবর নিশ্চিত হয়েছি আমরা। করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে সাস্থ্য সম্পর্কিত সব নির্দেশনা মানার পাশাপাশি আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে, জীবন-মৃত্যুর মালিক আল্লাহতায়ালা। আল্লাহ হেফাজত না করলে কোনো কিছুই আমাদের বাঁচাতে পারবে না।

আর আল্লাহর রহমতের চাঁদরের নিচে থাকলে কোনো কিছুই আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না। রোগ-শোক, বিপদ-আপদ, মহামারি থেকে বাঁচতে রাসূল (সা.) সাহাবিদের অনেক দোয়া শিখিয়েছেন। রাসূল (সা.)-এর প্রিয় নাতি আলী (রা.)-এর ছেলে হজরত হাসান (রা.) থেকে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দোয়া হাদিসের কিতাবে এসেছে। হাসান (রা.) বলেনে,

নানাজান আমাকে এ দোয়াটি শিখিয়েছেন এবং বলেছেন আমি যেন বিতরের নামাজে এ দোয়টি পড়ি। আশা করা যায়, আল্লাহতায়ালা সব ধরনের রোগ-শোক, বালা-মুসিবত থেকে আমাদের হেফাজত করবেন। দোয়াটি হল- হে আল্লাহ! আমাকে হেদায়াত করুন, যাদের আপনি হেদায়াত করেছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপদ রাখুন, যাদের আপনি নিরাপদ রেখেছেন তাদের সঙ্গে।

হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন, যাদের আপনি সুস্থ রেখেছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমার অভিভাবক হয়ে যান, যাদের আপনি অভিভাবক হয়েছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমাকে আপনি যেসব নেয়ামত দিয়েছেন, সেগুলো কল্যাণে ভরপুর করে দিন। হে আল্লাহ! আমার ভাগ্যে কোনো অকল্যাণ থাকলে তা দূর করে দিন।

আপনিই তাকদিরের মালিক। তাকদির পরিবর্তন করা আপনার জন্য খুবই সহজ ব্যাপার। হে আল্লাহ! আপনি যার অভিভাবক হয়েছেন, কোনো মুসিবত তাকে স্পর্শ করবে না। আপনার রহমতের চাদর যার থেকে তুলে নিয়েছেন, মুসিবত কখনও তার পিছু ছাড়বে না। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের রব। মহিয়ান-গরিয়ান আপনি। সবার ওপরে আপনার জায়গা।

তিরমিজি, নাসায়ি এবং ইবনে মাজাহ শরিফে হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে। যদিও রাসূল (সা.) বিতর নামাজে দোয়ায়ে কুনুত হিসেবে দোয়াটি পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়াও যে কোনো সময় আল্লাহর কাছে তন্ময়তার সঙ্গে নিরাপত্তা ও সুস্থতার উদ্দেশ্যে এ দোয়া পড়া যেতে পারে।

বিশ্বজুড়ে ‘করোনা’ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশেও আক্রান্তের খবর নিশ্চিত হয়েছি আমরা। করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে সাস্থ্য সম্পর্কিত সব নির্দেশনা মানার পাশাপাশি আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে, জীবন-মৃত্যুর মালিক আল্লাহতায়ালা। আল্লাহ হেফাজত না করলে কোনো কিছুই আমাদের বাঁচাতে পারবে না।

আর আল্লাহর রহমতের চাঁদরের নিচে থাকলে কোনো কিছুই আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না। রোগ-শোক, বিপদ-আপদ, মহামারি থেকে বাঁচতে রাসূল (সা.) সাহাবিদের অনেক দোয়া শিখিয়েছেন। রাসূল (সা.)-এর প্রিয় নাতি আলী (রা.)-এর ছেলে হজরত হাসান (রা.) থেকে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দোয়া হাদিসের কিতাবে এসেছে। হাসান (রা.) বলেনে,

নানাজান আমাকে এ দোয়াটি শিখিয়েছেন এবং বলেছেন আমি যেন বিতরের নামাজে এ দোয়টি পড়ি। আশা করা যায়, আল্লাহতায়ালা সব ধরনের রোগ-শোক, বালা-মুসিবত থেকে আমাদের হেফাজত করবেন। দোয়াটি হল- হে আল্লাহ! আমাকে হেদায়াত করুন, যাদের আপনি হেদায়াত করেছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপদ রাখুন, যাদের আপনি নিরাপদ রেখেছেন তাদের সঙ্গে।

হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন, যাদের আপনি সুস্থ রেখেছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমার অভিভাবক হয়ে যান, যাদের আপনি অভিভাবক হয়েছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমাকে আপনি যেসব নেয়ামত দিয়েছেন, সেগুলো কল্যাণে ভরপুর করে দিন। হে আল্লাহ! আমার ভাগ্যে কোনো অকল্যাণ থাকলে তা দূর করে দিন।

আপনিই তাকদিরের মালিক। তাকদির পরিবর্তন করা আপনার জন্য খুবই সহজ ব্যাপার। হে আল্লাহ! আপনি যার অভিভাবক হয়েছেন, কোনো মুসিবত তাকে স্পর্শ করবে না। আপনার রহমতের চাদর যার থেকে তুলে নিয়েছেন, মুসিবত কখনও তার পিছু ছাড়বে না। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের রব। মহিয়ান-গরিয়ান আপনি। সবার ওপরে আপনার জায়গা।

তিরমিজি, নাসায়ি এবং ইবনে মাজাহ শরিফে হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে। যদিও রাসূল (সা.) বিতর নামাজে দোয়ায়ে কুনুত হিসেবে দোয়াটি পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়াও যে কোনো সময় আল্লাহর কাছে তন্ময়তার সঙ্গে নিরাপত্তা ও সুস্থতার উদ্দেশ্যে এ দোয়া পড়া যেতে পারে।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.