পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে দোয়ার আহ্বান মিরাজের

করোনাভাইরাসের কারণে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) খেলা আপাতত স্থগিত রয়েছে। ইতোমধ্যে করোনার কারণে বাংলাদেশে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ জাতীয় দলের স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ বেশ আতঙ্কিত এই করোনা ভাইরাস নিয়ে। তিনি দেশবাসীকে নিয়মিত নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে এর থেকে মুক্তির জন্য দোয়া করতে আহ্বান জানিয়েছেন।

বুধবার (মার্চ ১৮) মিরপুরে সাংবাদিকদের তিনি একথা জানান। তিনি জানান আল্লাহ ছাড়া এই বিপদ থেকে আর কেউ রক্ষা করতে পারবে না। তাই বেশি বেশি আল্লাহর ইবাদত করার পরামর্শ দেন।

মিরাজ বলেন, ‘কোনো মানুষ, কোনো ডাক্তার বাঁচাতে পারে না। কারণ সবকিছু আল্লাহতালা দিয়েছে, তিনিই রক্ষা করবে। এজন্য আমি বলতে চাই সবাই বেশি বেশি আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন যেন এরকম দুর্যোগ থেকে আমরা রক্ষা পাই। কারণ আমি আমার লাইফে এরকম কখনো দেখিনি যে, পৃথিবী বন্ধ হয়ে গেছে, পৃথিবীর যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। পৃথিবীর সব মানুষ আতঙ্কের ভেতরে আছে, এটা একটা অস্বস্তিকর। আমি বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষকে এই পরামর্শ দিতে চাই বেশি বেশি করে আল্লাহর কাছে দোয়া করুন। নিজের জন্য দোয়া করুন, পরিবারের জন্য দোয়া করুন এবং বাংলাদেশের মানুষের জন্য দোয়া করুন। আর বিশ্বের মানুষের জন্য দোয়া করুন।’

খেলা বন্ধের বিষয়ে মিরাজ বলেন, ‘আসলে একটা জিনিস দেখেন সবার আগে কিন্তু জীবন। জীবণের চেয়ে তো আর বড় কোনো কিছুই হতে পারে না। তারপরও আমি যেটা বলতে চাই আগে সেফটি ফার্স্ট, তারপর সবকিছু। আমরা আগে যদি বাঁচতে পারি তাহলে অবশ্যই আমরা ক্রিকেট খেলতে পারব। তারপরও ক্রিকেট বোর্ড আছে, বাংলাদেশের সরকার আছে, তারা যে সিদ্ধান্ত দেবেন অবশ্যই মানুষের ভালোর জন্যই দেবেন। সবাই সেফটি থাকে সেই ডিসিশনটেই তারা দেবেন।’

জাতীয় দলের এই স্পিনার বারবারই নামাজ পড়ার তাগিদ দেন। তিনি বলেন, ‘আমি সবচেয়ে বেশি যে মেসেজটা দিতে চাই তা হলো, সবসময় পাক-পবিত্র থাকাটা খুব জরুরি। সবসময় হাত ধোয়ার ভেতরে থাকাটা ভালো। যেমন ঘন্টায় ঘন্টায় বা বাসায় থাকলে বা বাইরে থেকে আসলে হাত ধোয়াটা। হাত ধোয়ার বিভিন্ন নিয়ম আছে এই নিয়মগুলো মানাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সবচেয়ে ভালো থিওরি হল যে আপনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন তাহলে আপনার আর কিছু লাগবে না আমার মনে হয়।

হে আল্লাহ আমাদের করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা করুন

বিশ্বজুড়ে ‘করোনা’ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশেও আক্রান্তের খবর নিশ্চিত হয়েছি আমরা। করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে সাস্থ্য সম্পর্কিত সব নির্দেশনা মানার পাশাপাশি আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে, জীবন-মৃত্যুর মালিক আল্লাহতায়ালা। আল্লাহ হেফাজত না করলে কোনো কিছুই আমাদের বাঁচাতে পারবে না।

আর আল্লাহর রহমতের চাঁদরের নিচে থাকলে কোনো কিছুই আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না। রোগ-শোক, বিপদ-আপদ, মহামারি থেকে বাঁচতে রাসূল (সা.) সাহাবিদের অনেক দোয়া শিখিয়েছেন। রাসূল (সা.)-এর প্রিয় নাতি আলী (রা.)-এর ছেলে হজরত হাসান (রা.) থেকে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দোয়া হাদিসের কিতাবে এসেছে। হাসান (রা.) বলেনে,

নানাজান আমাকে এ দোয়াটি শিখিয়েছেন এবং বলেছেন আমি যেন বিতরের নামাজে এ দোয়টি পড়ি। আশা করা যায়, আল্লাহতায়ালা সব ধরনের রোগ-শোক, বালা-মুসিবত থেকে আমাদের হেফাজত করবেন। দোয়াটি হল- হে আল্লাহ! আমাকে হেদায়াত করুন, যাদের আপনি হেদায়াত করেছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপদ রাখুন, যাদের আপনি নিরাপদ রেখেছেন তাদের সঙ্গে।

হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন, যাদের আপনি সুস্থ রেখেছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমার অভিভাবক হয়ে যান, যাদের আপনি অভিভাবক হয়েছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমাকে আপনি যেসব নেয়ামত দিয়েছেন, সেগুলো কল্যাণে ভরপুর করে দিন। হে আল্লাহ! আমার ভাগ্যে কোনো অকল্যাণ থাকলে তা দূর করে দিন।

আপনিই তাকদিরের মালিক। তাকদির পরিবর্তন করা আপনার জন্য খুবই সহজ ব্যাপার। হে আল্লাহ! আপনি যার অভিভাবক হয়েছেন, কোনো মুসিবত তাকে স্পর্শ করবে না। আপনার রহমতের চাদর যার থেকে তুলে নিয়েছেন, মুসিবত কখনও তার পিছু ছাড়বে না। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের রব। মহিয়ান-গরিয়ান আপনি। সবার ওপরে আপনার জায়গা।

তিরমিজি, নাসায়ি এবং ইবনে মাজাহ শরিফে হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে। যদিও রাসূল (সা.) বিতর নামাজে দোয়ায়ে কুনুত হিসেবে দোয়াটি পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়াও যে কোনো সময় আল্লাহর কাছে তন্ময়তার সঙ্গে নিরাপত্তা ও সুস্থতার উদ্দেশ্যে এ দোয়া পড়া যেতে পারে।

বিশ্বজুড়ে ‘করোনা’ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশেও আক্রান্তের খবর নিশ্চিত হয়েছি আমরা। করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে সাস্থ্য সম্পর্কিত সব নির্দেশনা মানার পাশাপাশি আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে, জীবন-মৃত্যুর মালিক আল্লাহতায়ালা। আল্লাহ হেফাজত না করলে কোনো কিছুই আমাদের বাঁচাতে পারবে না।

আর আল্লাহর রহমতের চাঁদরের নিচে থাকলে কোনো কিছুই আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না। রোগ-শোক, বিপদ-আপদ, মহামারি থেকে বাঁচতে রাসূল (সা.) সাহাবিদের অনেক দোয়া শিখিয়েছেন। রাসূল (সা.)-এর প্রিয় নাতি আলী (রা.)-এর ছেলে হজরত হাসান (রা.) থেকে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দোয়া হাদিসের কিতাবে এসেছে। হাসান (রা.) বলেনে,

নানাজান আমাকে এ দোয়াটি শিখিয়েছেন এবং বলেছেন আমি যেন বিতরের নামাজে এ দোয়টি পড়ি। আশা করা যায়, আল্লাহতায়ালা সব ধরনের রোগ-শোক, বালা-মুসিবত থেকে আমাদের হেফাজত করবেন। দোয়াটি হল- হে আল্লাহ! আমাকে হেদায়াত করুন, যাদের আপনি হেদায়াত করেছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপদ রাখুন, যাদের আপনি নিরাপদ রেখেছেন তাদের সঙ্গে।

হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন, যাদের আপনি সুস্থ রেখেছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমার অভিভাবক হয়ে যান, যাদের আপনি অভিভাবক হয়েছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমাকে আপনি যেসব নেয়ামত দিয়েছেন, সেগুলো কল্যাণে ভরপুর করে দিন। হে আল্লাহ! আমার ভাগ্যে কোনো অকল্যাণ থাকলে তা দূর করে দিন।

আপনিই তাকদিরের মালিক। তাকদির পরিবর্তন করা আপনার জন্য খুবই সহজ ব্যাপার। হে আল্লাহ! আপনি যার অভিভাবক হয়েছেন, কোনো মুসিবত তাকে স্পর্শ করবে না। আপনার রহমতের চাদর যার থেকে তুলে নিয়েছেন, মুসিবত কখনও তার পিছু ছাড়বে না। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের রব। মহিয়ান-গরিয়ান আপনি। সবার ওপরে আপনার জায়গা।

তিরমিজি, নাসায়ি এবং ইবনে মাজাহ শরিফে হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে। যদিও রাসূল (সা.) বিতর নামাজে দোয়ায়ে কুনুত হিসেবে দোয়াটি পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়াও যে কোনো সময় আল্লাহর কাছে তন্ময়তার সঙ্গে নিরাপত্তা ও সুস্থতার উদ্দেশ্যে এ দোয়া পড়া যেতে পারে।

বিশ্বজুড়ে ‘করোনা’ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশেও আক্রান্তের খবর নিশ্চিত হয়েছি আমরা। করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে সাস্থ্য সম্পর্কিত সব নির্দেশনা মানার পাশাপাশি আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে, জীবন-মৃত্যুর মালিক আল্লাহতায়ালা। আল্লাহ হেফাজত না করলে কোনো কিছুই আমাদের বাঁচাতে পারবে না।

আর আল্লাহর রহমতের চাঁদরের নিচে থাকলে কোনো কিছুই আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না। রোগ-শোক, বিপদ-আপদ, মহামারি থেকে বাঁচতে রাসূল (সা.) সাহাবিদের অনেক দোয়া শিখিয়েছেন। রাসূল (সা.)-এর প্রিয় নাতি আলী (রা.)-এর ছেলে হজরত হাসান (রা.) থেকে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দোয়া হাদিসের কিতাবে এসেছে। হাসান (রা.) বলেনে,

নানাজান আমাকে এ দোয়াটি শিখিয়েছেন এবং বলেছেন আমি যেন বিতরের নামাজে এ দোয়টি পড়ি। আশা করা যায়, আল্লাহতায়ালা সব ধরনের রোগ-শোক, বালা-মুসিবত থেকে আমাদের হেফাজত করবেন। দোয়াটি হল- হে আল্লাহ! আমাকে হেদায়াত করুন, যাদের আপনি হেদায়াত করেছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপদ রাখুন, যাদের আপনি নিরাপদ রেখেছেন তাদের সঙ্গে।

হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন, যাদের আপনি সুস্থ রেখেছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমার অভিভাবক হয়ে যান, যাদের আপনি অভিভাবক হয়েছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমাকে আপনি যেসব নেয়ামত দিয়েছেন, সেগুলো কল্যাণে ভরপুর করে দিন। হে আল্লাহ! আমার ভাগ্যে কোনো অকল্যাণ থাকলে তা দূর করে দিন।

আপনিই তাকদিরের মালিক। তাকদির পরিবর্তন করা আপনার জন্য খুবই সহজ ব্যাপার। হে আল্লাহ! আপনি যার অভিভাবক হয়েছেন, কোনো মুসিবত তাকে স্পর্শ করবে না। আপনার রহমতের চাদর যার থেকে তুলে নিয়েছেন, মুসিবত কখনও তার পিছু ছাড়বে না। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের রব। মহিয়ান-গরিয়ান আপনি। সবার ওপরে আপনার জায়গা।

তিরমিজি, নাসায়ি এবং ইবনে মাজাহ শরিফে হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে। যদিও রাসূল (সা.) বিতর নামাজে দোয়ায়ে কুনুত হিসেবে দোয়াটি পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়াও যে কোনো সময় আল্লাহর কাছে তন্ময়তার সঙ্গে নিরাপত্তা ও সুস্থতার উদ্দেশ্যে এ দোয়া পড়া যেতে পারে।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.