করোনা ভাইরাস মোকাবেলা নয়, আল্লাহর কাছে আত্মসমর্থন করা উচিত : আল্লামা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীর আল্লামা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী বলেছেন, অশ্লীলতা-বেহায়াপনাসহ অপরাধ প্রবনতা বৃদ্ধি ও জালেম শাসক কর্তৃক বিভিন্ন দেশে মুসলমানদের উপর জুলুম-নির্যাতনের কারনে বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস মহামারি আকারে বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। যা আল্লাহ তাআলার গজব। আল্লাহর গজবের মোকাবেলা করার শক্তি কারোর নেই।

আল্লাহর গজবের ক্ষেত্রে মোকাবেলা শব্দ প্রয়োগ আল্লাহর সাথে মোকাবেলা করার নামান্তর, যা চরম দৃষ্টতা। করোনা মহামারী থেকে উত্তরণে বিশ্ববাসিকে স্বীয় গুনাহের কাজ থেকে বিরত থেকে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্থন ও ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত। কারণ অতীতে পাপ কাজে জড়িত থাকায় বিভিন্ন জাতির উপরে আল্লাহর গজব নেমে এসেছে। এসব গজবে কেউ ধ্বংস হয়েছে আবার কেউ তওবা করায় মুক্তি পেয়েছে।

বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে জামিয়া নুরিয়া ইসলামিয়ায় অনুষ্ঠিত ওলামাদের এক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আল্লামা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী বলেন, দুআ মোমিনের অন্যতম হাতিয়ার। দুআর মাধ্যমেই চলমান ও আসন্ন বিপদ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। তাই প্রত্যেকেই ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগতভাবে খালেস দিলে তাওবা-এস্তেগফার ও দুআ অব্যাহত রাখুন।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামিয়া নুরিয়া ইসলামিয়ার শায়খুল হাদিস মাওলানা সুলাইমান নোমানী, মাওলানা ফারুক আহমাদ, মুফতী মজিবুর রহমান, খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী, দলের নায়েবে আমীর মাওলানা মুজীবুর রহমান হামিদী, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী সুলতান মহিউদ্দীন, মাওলানা সানাউল্লাহ, মাওলানা সাজেদুর রহমান ফয়েজী, মাওলানা সাইফুল ইসলাম সুনামগঞ্জী, মাওলানা আ ফ ম আকরাম হুসাইন প্রমুখ।

হে আল্লাহ আমাদের করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা করুন

বিশ্বজুড়ে ‘করোনা’ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশেও আক্রান্তের খবর নিশ্চিত হয়েছি আমরা। করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে সাস্থ্য সম্পর্কিত সব নির্দেশনা মানার পাশাপাশি আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে, জীবন-মৃত্যুর মালিক আল্লাহতায়ালা। আল্লাহ হেফাজত না করলে কোনো কিছুই আমাদের বাঁচাতে পারবে না।

আর আল্লাহর রহমতের চাঁদরের নিচে থাকলে কোনো কিছুই আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না। রোগ-শোক, বিপদ-আপদ, মহামারি থেকে বাঁচতে রাসূল (সা.) সাহাবিদের অনেক দোয়া শিখিয়েছেন। রাসূল (সা.)-এর প্রিয় নাতি আলী (রা.)-এর ছেলে হজরত হাসান (রা.) থেকে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দোয়া হাদিসের কিতাবে এসেছে। হাসান (রা.) বলেনে,

নানাজান আমাকে এ দোয়াটি শিখিয়েছেন এবং বলেছেন আমি যেন বিতরের নামাজে এ দোয়টি পড়ি। আশা করা যায়, আল্লাহতায়ালা সব ধরনের রোগ-শোক, বালা-মুসিবত থেকে আমাদের হেফাজত করবেন। দোয়াটি হল- হে আল্লাহ! আমাকে হেদায়াত করুন, যাদের আপনি হেদায়াত করেছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপদ রাখুন, যাদের আপনি নিরাপদ রেখেছেন তাদের সঙ্গে।

হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন, যাদের আপনি সুস্থ রেখেছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমার অভিভাবক হয়ে যান, যাদের আপনি অভিভাবক হয়েছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমাকে আপনি যেসব নেয়ামত দিয়েছেন, সেগুলো কল্যাণে ভরপুর করে দিন। হে আল্লাহ! আমার ভাগ্যে কোনো অকল্যাণ থাকলে তা দূর করে দিন।

আপনিই তাকদিরের মালিক। তাকদির পরিবর্তন করা আপনার জন্য খুবই সহজ ব্যাপার। হে আল্লাহ! আপনি যার অভিভাবক হয়েছেন, কোনো মুসিবত তাকে স্পর্শ করবে না। আপনার রহমতের চাদর যার থেকে তুলে নিয়েছেন, মুসিবত কখনও তার পিছু ছাড়বে না। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের রব। মহিয়ান-গরিয়ান আপনি। সবার ওপরে আপনার জায়গা।

তিরমিজি, নাসায়ি এবং ইবনে মাজাহ শরিফে হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে। যদিও রাসূল (সা.) বিতর নামাজে দোয়ায়ে কুনুত হিসেবে দোয়াটি পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়াও যে কোনো সময় আল্লাহর কাছে তন্ময়তার সঙ্গে নিরাপত্তা ও সুস্থতার উদ্দেশ্যে এ দোয়া পড়া যেতে পারে।

বিশ্বজুড়ে ‘করোনা’ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশেও আক্রান্তের খবর নিশ্চিত হয়েছি আমরা। করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে সাস্থ্য সম্পর্কিত সব নির্দেশনা মানার পাশাপাশি আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে, জীবন-মৃত্যুর মালিক আল্লাহতায়ালা। আল্লাহ হেফাজত না করলে কোনো কিছুই আমাদের বাঁচাতে পারবে না।

আর আল্লাহর রহমতের চাঁদরের নিচে থাকলে কোনো কিছুই আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না। রোগ-শোক, বিপদ-আপদ, মহামারি থেকে বাঁচতে রাসূল (সা.) সাহাবিদের অনেক দোয়া শিখিয়েছেন। রাসূল (সা.)-এর প্রিয় নাতি আলী (রা.)-এর ছেলে হজরত হাসান (রা.) থেকে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দোয়া হাদিসের কিতাবে এসেছে। হাসান (রা.) বলেনে,

নানাজান আমাকে এ দোয়াটি শিখিয়েছেন এবং বলেছেন আমি যেন বিতরের নামাজে এ দোয়টি পড়ি। আশা করা যায়, আল্লাহতায়ালা সব ধরনের রোগ-শোক, বালা-মুসিবত থেকে আমাদের হেফাজত করবেন। দোয়াটি হল- হে আল্লাহ! আমাকে হেদায়াত করুন, যাদের আপনি হেদায়াত করেছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপদ রাখুন, যাদের আপনি নিরাপদ রেখেছেন তাদের সঙ্গে।

হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন, যাদের আপনি সুস্থ রেখেছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমার অভিভাবক হয়ে যান, যাদের আপনি অভিভাবক হয়েছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমাকে আপনি যেসব নেয়ামত দিয়েছেন, সেগুলো কল্যাণে ভরপুর করে দিন। হে আল্লাহ! আমার ভাগ্যে কোনো অকল্যাণ থাকলে তা দূর করে দিন।

আপনিই তাকদিরের মালিক। তাকদির পরিবর্তন করা আপনার জন্য খুবই সহজ ব্যাপার। হে আল্লাহ! আপনি যার অভিভাবক হয়েছেন, কোনো মুসিবত তাকে স্পর্শ করবে না। আপনার রহমতের চাদর যার থেকে তুলে নিয়েছেন, মুসিবত কখনও তার পিছু ছাড়বে না। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের রব। মহিয়ান-গরিয়ান আপনি। সবার ওপরে আপনার জায়গা।

তিরমিজি, নাসায়ি এবং ইবনে মাজাহ শরিফে হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে। যদিও রাসূল (সা.) বিতর নামাজে দোয়ায়ে কুনুত হিসেবে দোয়াটি পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়াও যে কোনো সময় আল্লাহর কাছে তন্ময়তার সঙ্গে নিরাপত্তা ও সুস্থতার উদ্দেশ্যে এ দোয়া পড়া যেতে পারে।

বিশ্বজুড়ে ‘করোনা’ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশেও আক্রান্তের খবর নিশ্চিত হয়েছি আমরা। করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে সাস্থ্য সম্পর্কিত সব নির্দেশনা মানার পাশাপাশি আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে, জীবন-মৃত্যুর মালিক আল্লাহতায়ালা। আল্লাহ হেফাজত না করলে কোনো কিছুই আমাদের বাঁচাতে পারবে না।

আর আল্লাহর রহমতের চাঁদরের নিচে থাকলে কোনো কিছুই আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না। রোগ-শোক, বিপদ-আপদ, মহামারি থেকে বাঁচতে রাসূল (সা.) সাহাবিদের অনেক দোয়া শিখিয়েছেন। রাসূল (সা.)-এর প্রিয় নাতি আলী (রা.)-এর ছেলে হজরত হাসান (রা.) থেকে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দোয়া হাদিসের কিতাবে এসেছে। হাসান (রা.) বলেনে,

নানাজান আমাকে এ দোয়াটি শিখিয়েছেন এবং বলেছেন আমি যেন বিতরের নামাজে এ দোয়টি পড়ি। আশা করা যায়, আল্লাহতায়ালা সব ধরনের রোগ-শোক, বালা-মুসিবত থেকে আমাদের হেফাজত করবেন। দোয়াটি হল- হে আল্লাহ! আমাকে হেদায়াত করুন, যাদের আপনি হেদায়াত করেছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপদ রাখুন, যাদের আপনি নিরাপদ রেখেছেন তাদের সঙ্গে।

হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন, যাদের আপনি সুস্থ রেখেছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমার অভিভাবক হয়ে যান, যাদের আপনি অভিভাবক হয়েছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমাকে আপনি যেসব নেয়ামত দিয়েছেন, সেগুলো কল্যাণে ভরপুর করে দিন। হে আল্লাহ! আমার ভাগ্যে কোনো অকল্যাণ থাকলে তা দূর করে দিন।

আপনিই তাকদিরের মালিক। তাকদির পরিবর্তন করা আপনার জন্য খুবই সহজ ব্যাপার। হে আল্লাহ! আপনি যার অভিভাবক হয়েছেন, কোনো মুসিবত তাকে স্পর্শ করবে না। আপনার রহমতের চাদর যার থেকে তুলে নিয়েছেন, মুসিবত কখনও তার পিছু ছাড়বে না। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের রব। মহিয়ান-গরিয়ান আপনি। সবার ওপরে আপনার জায়গা।

তিরমিজি, নাসায়ি এবং ইবনে মাজাহ শরিফে হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে। যদিও রাসূল (সা.) বিতর নামাজে দোয়ায়ে কুনুত হিসেবে দোয়াটি পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়াও যে কোনো সময় আল্লাহর কাছে তন্ময়তার সঙ্গে নিরাপত্তা ও সুস্থতার উদ্দেশ্যে এ দোয়া পড়া যেতে পারে।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.