একটি উৎসবে কোটি টাকা খরচ করতে পারে কিন্তু জনগনকে একটি মাস্ক দিতে পারেনা কেন সরকার? : মাসুদ সাঈদী

সামান্য একটা ফেস মাস্কও কেন সরকার জনগনকে বিনামূল্যে দিতে পারছেনা !! শত সহস্র কোটি টাকা খরচ হলো শুধু একটি উৎসব পালন করতে গিয়ে অথচ এই বিপর্যয়ের সময় জনগনের জীবন রক্ষার্থে একটি ফেস মাস্ক ও হ্যান্ড সেনিটাইজার বা সাবান কেন দিতে পারছেনা সরকার!!

ছবিঃ মাসুদ সাঈদীর ফেসবুক স্টেট্যাস এর স্ক্রিনশট।

সরকারের পক্ষ থেকে জনগনকে সচেতন করার পাশাপাশি বিশেষ করে দিন মজুর ও খেটে খাওয়া হত দরিদ্র মানুষগুলিকে একটি ফেস মাস্ক ও হ্যান্ড সেনিটাইজার বা সাবান দেয়া তো এখন ফরজ বলে মনে করি।

তথ্য সূত্রঃ মাসুদ সাঈদীর ফেসবুক পেইজ থেকে সংগ্রহীত।

হে আল্লাহ আমাদের করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা করুন

বিশ্বজুড়ে ‘করোনা’ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশেও আক্রান্তের খবর নিশ্চিত হয়েছি আমরা। করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে সাস্থ্য সম্পর্কিত সব নির্দেশনা মানার পাশাপাশি আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে, জীবন-মৃত্যুর মালিক আল্লাহতায়ালা। আল্লাহ হেফাজত না করলে কোনো কিছুই আমাদের বাঁচাতে পারবে না।

আর আল্লাহর রহমতের চাঁদরের নিচে থাকলে কোনো কিছুই আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না। রোগ-শোক, বিপদ-আপদ, মহামারি থেকে বাঁচতে রাসূল (সা.) সাহাবিদের অনেক দোয়া শিখিয়েছেন। রাসূল (সা.)-এর প্রিয় নাতি আলী (রা.)-এর ছেলে হজরত হাসান (রা.) থেকে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দোয়া হাদিসের কিতাবে এসেছে। হাসান (রা.) বলেনে,

নানাজান আমাকে এ দোয়াটি শিখিয়েছেন এবং বলেছেন আমি যেন বিতরের নামাজে এ দোয়টি পড়ি। আশা করা যায়, আল্লাহতায়ালা সব ধরনের রোগ-শোক, বালা-মুসিবত থেকে আমাদের হেফাজত করবেন। দোয়াটি হল- হে আল্লাহ! আমাকে হেদায়াত করুন, যাদের আপনি হেদায়াত করেছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপদ রাখুন, যাদের আপনি নিরাপদ রেখেছেন তাদের সঙ্গে।

হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন, যাদের আপনি সুস্থ রেখেছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমার অভিভাবক হয়ে যান, যাদের আপনি অভিভাবক হয়েছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমাকে আপনি যেসব নেয়ামত দিয়েছেন, সেগুলো কল্যাণে ভরপুর করে দিন। হে আল্লাহ! আমার ভাগ্যে কোনো অকল্যাণ থাকলে তা দূর করে দিন।

আপনিই তাকদিরের মালিক। তাকদির পরিবর্তন করা আপনার জন্য খুবই সহজ ব্যাপার। হে আল্লাহ! আপনি যার অভিভাবক হয়েছেন, কোনো মুসিবত তাকে স্পর্শ করবে না। আপনার রহমতের চাদর যার থেকে তুলে নিয়েছেন, মুসিবত কখনও তার পিছু ছাড়বে না। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের রব। মহিয়ান-গরিয়ান আপনি। সবার ওপরে আপনার জায়গা।

তিরমিজি, নাসায়ি এবং ইবনে মাজাহ শরিফে হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে। যদিও রাসূল (সা.) বিতর নামাজে দোয়ায়ে কুনুত হিসেবে দোয়াটি পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়াও যে কোনো সময় আল্লাহর কাছে তন্ময়তার সঙ্গে নিরাপত্তা ও সুস্থতার উদ্দেশ্যে এ দোয়া পড়া যেতে পারে।

বিশ্বজুড়ে ‘করোনা’ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশেও আক্রান্তের খবর নিশ্চিত হয়েছি আমরা। করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে সাস্থ্য সম্পর্কিত সব নির্দেশনা মানার পাশাপাশি আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে, জীবন-মৃত্যুর মালিক আল্লাহতায়ালা। আল্লাহ হেফাজত না করলে কোনো কিছুই আমাদের বাঁচাতে পারবে না।

আর আল্লাহর রহমতের চাঁদরের নিচে থাকলে কোনো কিছুই আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না। রোগ-শোক, বিপদ-আপদ, মহামারি থেকে বাঁচতে রাসূল (সা.) সাহাবিদের অনেক দোয়া শিখিয়েছেন। রাসূল (সা.)-এর প্রিয় নাতি আলী (রা.)-এর ছেলে হজরত হাসান (রা.) থেকে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দোয়া হাদিসের কিতাবে এসেছে। হাসান (রা.) বলেনে,

নানাজান আমাকে এ দোয়াটি শিখিয়েছেন এবং বলেছেন আমি যেন বিতরের নামাজে এ দোয়টি পড়ি। আশা করা যায়, আল্লাহতায়ালা সব ধরনের রোগ-শোক, বালা-মুসিবত থেকে আমাদের হেফাজত করবেন। দোয়াটি হল- হে আল্লাহ! আমাকে হেদায়াত করুন, যাদের আপনি হেদায়াত করেছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপদ রাখুন, যাদের আপনি নিরাপদ রেখেছেন তাদের সঙ্গে।

হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন, যাদের আপনি সুস্থ রেখেছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমার অভিভাবক হয়ে যান, যাদের আপনি অভিভাবক হয়েছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমাকে আপনি যেসব নেয়ামত দিয়েছেন, সেগুলো কল্যাণে ভরপুর করে দিন। হে আল্লাহ! আমার ভাগ্যে কোনো অকল্যাণ থাকলে তা দূর করে দিন।

আপনিই তাকদিরের মালিক। তাকদির পরিবর্তন করা আপনার জন্য খুবই সহজ ব্যাপার। হে আল্লাহ! আপনি যার অভিভাবক হয়েছেন, কোনো মুসিবত তাকে স্পর্শ করবে না। আপনার রহমতের চাদর যার থেকে তুলে নিয়েছেন, মুসিবত কখনও তার পিছু ছাড়বে না। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের রব। মহিয়ান-গরিয়ান আপনি। সবার ওপরে আপনার জায়গা।

তিরমিজি, নাসায়ি এবং ইবনে মাজাহ শরিফে হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে। যদিও রাসূল (সা.) বিতর নামাজে দোয়ায়ে কুনুত হিসেবে দোয়াটি পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়াও যে কোনো সময় আল্লাহর কাছে তন্ময়তার সঙ্গে নিরাপত্তা ও সুস্থতার উদ্দেশ্যে এ দোয়া পড়া যেতে পারে।

বিশ্বজুড়ে ‘করোনা’ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশেও আক্রান্তের খবর নিশ্চিত হয়েছি আমরা। করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে সাস্থ্য সম্পর্কিত সব নির্দেশনা মানার পাশাপাশি আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে, জীবন-মৃত্যুর মালিক আল্লাহতায়ালা। আল্লাহ হেফাজত না করলে কোনো কিছুই আমাদের বাঁচাতে পারবে না।

আর আল্লাহর রহমতের চাঁদরের নিচে থাকলে কোনো কিছুই আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না। রোগ-শোক, বিপদ-আপদ, মহামারি থেকে বাঁচতে রাসূল (সা.) সাহাবিদের অনেক দোয়া শিখিয়েছেন। রাসূল (সা.)-এর প্রিয় নাতি আলী (রা.)-এর ছেলে হজরত হাসান (রা.) থেকে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দোয়া হাদিসের কিতাবে এসেছে। হাসান (রা.) বলেনে,

নানাজান আমাকে এ দোয়াটি শিখিয়েছেন এবং বলেছেন আমি যেন বিতরের নামাজে এ দোয়টি পড়ি। আশা করা যায়, আল্লাহতায়ালা সব ধরনের রোগ-শোক, বালা-মুসিবত থেকে আমাদের হেফাজত করবেন। দোয়াটি হল- হে আল্লাহ! আমাকে হেদায়াত করুন, যাদের আপনি হেদায়াত করেছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপদ রাখুন, যাদের আপনি নিরাপদ রেখেছেন তাদের সঙ্গে।

হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন, যাদের আপনি সুস্থ রেখেছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমার অভিভাবক হয়ে যান, যাদের আপনি অভিভাবক হয়েছেন তাদের সঙ্গে। হে আল্লাহ! আমাকে আপনি যেসব নেয়ামত দিয়েছেন, সেগুলো কল্যাণে ভরপুর করে দিন। হে আল্লাহ! আমার ভাগ্যে কোনো অকল্যাণ থাকলে তা দূর করে দিন।

আপনিই তাকদিরের মালিক। তাকদির পরিবর্তন করা আপনার জন্য খুবই সহজ ব্যাপার। হে আল্লাহ! আপনি যার অভিভাবক হয়েছেন, কোনো মুসিবত তাকে স্পর্শ করবে না। আপনার রহমতের চাদর যার থেকে তুলে নিয়েছেন, মুসিবত কখনও তার পিছু ছাড়বে না। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের রব। মহিয়ান-গরিয়ান আপনি। সবার ওপরে আপনার জায়গা।

তিরমিজি, নাসায়ি এবং ইবনে মাজাহ শরিফে হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে। যদিও রাসূল (সা.) বিতর নামাজে দোয়ায়ে কুনুত হিসেবে দোয়াটি পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়াও যে কোনো সময় আল্লাহর কাছে তন্ময়তার সঙ্গে নিরাপত্তা ও সুস্থতার উদ্দেশ্যে এ দোয়া পড়া যেতে পারে।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.