অসহায় মানুষের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন হিরো আলম

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে যারা দিনে আনে দিনে খায়, এমন অসহায় ও দুস্থ মানুষদের পড়তে হচ্ছে মহাবিপাকে। কারণ গোটা দেশ স্থবির হয়ে পড়ায় তাদের উপার্জনের পথ বলা চলে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।

তাদের দুরবস্থার বিষয়টি উপলব্ধি করে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন হিরো আলম। বিতরণ করেছেন নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী। হিরো আলমের এমন কাজে তার প্রসংশা করে এক ফেসবুক স্টাটাস দিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন।

তার দেওয়া ফেসবুক স্টাটাসটি স্টুডেন্ট জার্নাল পাঠকদের উদ্দেশ্যে হুবহু তুলে ধরা হলো- করোনায় ভাইরাসের মধ্যে গরীব দুঃখী খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়ায়নি, তখন এই থার্ড ক্লাস লোকটিই মানুষের পাশে দাড়িয়েছে।

দেখা যাক এরপরেও আমাদের রাজনীতিবিদদের লজ্জা হয় কি না। জাতীয় নির্বাচনের আগে ও পরে সবচেয়ে আলোচনায় থাকা ব্যক্তিটির নাম হিরো আলম।

হিরো আলম আমাদের দেশের রাজনীতিবিদের বিরাট এক লজ্জা দিয়ে গেছে। ভোটের দিন যখন আওয়ামীলীগ ব্যতীত মূল বিরোধীদলের ভূমিকায় থাকা কোন প্রার্থীকে হারিকেন দিয়েও খুঁজে পাওয়া যায় নি, তখন হিরো আলমের মত হালকা পাতলা,

বেঁটে, ঠিকমতো কথা বলতে না পারা ব্যক্তিটি মাঠে লড়ে গেছে, নির্বাচন কমিশনের সাথে চ্যালেঞ্জ করে সে জয়ী হয়েছে, নির্বাচন কমিশনকে ধুয়ে দিয়েছে। রাজনীতিবিদদের জন্য হিরো আলম তখন এক লজ্জা ও বিব্রতের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

কারণ হিরো আলমের মতো তারা প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছিলো না। অনেকে হিরো আলমকে থার্ড ক্লাস লোক বলে থাকেন। তার মতো লোক রাজনীতিতে আসার কারণে সকল রাজনীতিবিদদের জিহ্বায় কামড় দেওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হয়েছিলো।

দেশের মানুষের মধ্যেও এক ধরনের হতাশা তৈরি হয়েছিলো যে, দেশের রাজনীতিতে কি দুর্দশা বিরাজ করলে হিরো আলমের মত লোকেরা রাজনীতিতে আসার সুযোগ পেতে পারে। কিন্তু আমাদের দেশের বর্তমান রাজনীতিবিদরা কি হিরো আলমের থেকে যোগ্য? তারাও তো মানুষকে কম বিনোদন দেয় না। সকালে এক কথা তো বিকালে ৩৬০ ডিগ্রি এঙ্গেলে ঘুরে আরেক কথা,

জনগণের সাথে প্রতারণা করা, মিথ্যা বলাসহ নানা ধরনের ছোটলোকি কাজের সাথে যুক্ত, সেই তুলনায় কি হিরো আলম ভালো নয়? তার লেখাপড়া জানা নেয়, সহজসরল লোকটি মনে যা আসে বলে ফেলে, মন যা চায় করে ফেলে, তবে সে অন্তত পাকা ও ঘাগু রাজনীতিবিদদের জনগণকে ঠকায় না, মিথ্যা বলে না।

যাইহোক হিরো আলম আবার এই দেশের রাজনীতিবিদদের জন্য লজ্জার কারণ হয়ে দাঁড়ালেন। অধিকাংশ রাজনীতিবিদ যখন এই করোনায় ভাইরাসের মধ্যে গরীব দুঃখী খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়ায়নি, তখন এই থার্ড ক্লাস লোকটিই মানুষের পাশে দাড়িয়েছে। দেখা যাক এরপরেও আমাদের রাজনীতিবিদদের লজ্জা হয় কি না।

তাদের হাজার হাজার কোটি দুর্নীতির টাকা থেকে কিছু টাকা দিয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী কিনে মানুষের দ্বারে দ্বারে যায় কি না।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.