এবার মাওলানা সাঈদীর মুক্তি চেয়ে ১০০ আইনজীবীর বিবৃতি !

মানবিক কারণ ও বয়স বিবেচনায় মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে মুক্তি দেয়ার দাবি জানিয়ে খুলনার ১০০ আইনজীবী এক বিবৃতি দিয়েছেন।

বিবৃতিদাতার অ্যাডভোকেটদের মধ্যে রয়েছেন- বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি লস্কা শাহ আলম ও মোল্লা বজলুর রহমান, ল’ইয়ার্স কাউন্সিল খুলনার সভাপতি শেখ আনছার উদ্দিন, সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল, আবুল খায়ের, আব্দুল হাকিম,

মোস্তাফিজুর রহমান, সরদার ফিরোজ কবির, সরদার আব্দুল জলিল, শেখ মনিরুদ্দিন, রুহুল আমীন সিদ্দিকী, ল’ইয়ার্স কাউন্সিল খুলনার সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম লিটন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আওছাফুর রহমান, মনিরুল ইসলাম পান্না,

আবু ইউসুফ মোল্লা, অর্থ সম্পাদক মহিতুর রহমান কচি, সহ-অর্থ সম্পাদক রুহুল আমীন, প্রচার সম্পাদক মহিববুর রহমান, হাসিবুর রহমান, মোহাম্মদ হাসান, আলমগীর হোসেন, শামীমুল ইসলাম, খান লেয়াকত আলী, মোসা: সাখিয়া খানম, খুর্শিদা খানম খুশি, হোসাইন কবির, মুজাহিদুল ইসলাম,

লিয়াকত আলী সরদার, মুন্সি হুমায়ুন কবীর, রেজাউল করিম, জাকিরুল ইসলাম, শাহ মো: সুজায়েত হোসেন সুজা, শেখ আব্দুল লতিফ, শেখ আব্দুল জলিল, খান আওছাফুর রহমান লিটন, হানিফ উদ্দিন, আব্দুল মান্নান, স ম আজহারুল ইসলাম, এসএম কামাল,

শাহবাজ হোসেন, ইয়াসমিন আরা, কামরুজ্জাহান বেবী, আয়তোন নেছা (ইতি), মোসা: নাজমা বেগম, নিগার সুলতানা (জানি), কামরুননাহার (সুমনা), মুনমুন, শাকিরা খাতুন, নাজমুন, হোসিনা খানম, মমতাহিনা খানম, রানিমা খাতুন, জাহানারা হ্যাপী, রতœা বেগম, মোসা: মরিয়ম,

মোসা: রাখি বেগম, মোসা: সেতারা বেগম, খাদিজা খাতুন, লাকী বেগম, পারভীন বেগম, রাণী বেগম, মাসুমা বেগম, আর্নিকা খাতুন, তানিয়া বেগম, হীরা বেগম, হোসনে আরা বেগম, মো: কায়ছার ঠাকুর, এমকেএ খালিকুল্লাহ, হুমায়ুন। সুত্র: নয়াদিগন্ত

স্বামীর কাছে দেনমোহর হিসাবে কেবল ৫ ওয়াক্ত নামাজই চাইলেন স্ত্রী

অর্থ নয়, সোনার গয়নাও নয়, না কোন ব্যাংক ব্যাল্যান্স। নব-বিবাহিত স্বামী যেন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নিয়মিত আদায় করে তার প্রতিশ্রুতি দিলে আর কিছু চায় না তার। এমনই এক অভিনব দেনমোহরের বিনিময়ে বিবাহ সম্পন্ন হলো পাকিস্তানে।

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর যুগেও এমন বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে যেখানে একটি সূরা মুখস্ত করাকে বিয়ের দেনমোহর হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল কন্যার পক্ষ থেকে। সেই হিসেবে এই বিয়ে অভিনব না হলেও অনেকের জন্য তা অনুকরণীয় অবশ্যই হতে পারে।

বিশেষ করে যখন কয়েক লাখ টাকার নগদ ঘরভর্তি আসবাবপত্র, গাড়ি ছাড়া বর্তমান যুগে বিয়ে হয় না। সেখানে পাকিস্তানের টিভি সিরিয়ালের অভিনেত্রী ইয়াসরা (৩৪) তার বিপরীতে গিয়ে তার চেয়ে ১০ বছর কম বয়সী হাদিকে বিয়ে করতে সম্মতি জানিয়ে এই দেনমোহর দাবি করেন। হাদি বর্তমানে এমবিবিএস-এর থিসিস নিয়ে ব্যস্ত। তাই স্বামীকে অহেতুক অর্থের জন্য চাপ না দিতে ইয়াসরার এমন সিদ্ধান্ত।

ইসলামী শরিয়তে বিয়ের সময় পাত্রীর পক্ষ থেকে পাত্রের কাছে তার সামর্থ্য অনুসারে দেনমোহর দাবি করা হয় যা বাসর রাতের আগে পরিশোধ করে দেয়া বাধ্যতামূলক। পাত্রের পক্ষ থেকে কিছু আদায় করার অনুমতি নেই। যদিও বর্তমানে বরপক্ষ কনেপক্ষ থেকে মোটা অংকের টাকা, আসবাবপত্র, বিলাসবহুল সামগ্রী দাবি করে। অন্যদিকে কনেপক্ষ থেকেও বিশাল অংকের দেনমোহর দাবি করা হয় যা পরিশোধ করা পাত্রের পক্ষে অসম্ভব হয়ে উঠে।

এমন পরিস্থিতিতে ইয়াসরা-হাদির এমন অভিনব বিয়ে প্রশংসাযোগ্য। অতি অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন করা হয়। ইয়াসরা বলেন, নামাজ শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। নামাজ আমাদের পাপ কাজ থেকে বাঁচায়। এ জন্য আমি আমার স্বামীর কাছ থেকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের প্রতিশ্রুতি চেয়েছি।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.