ফেসবুকে খাবারের ছবি না দিয়ে দরিদ্রদের খাবার দিন : সানিয়া মির্জা

আধুনিক প্রযুক্তির উপহার সোশ্যাল সাইট মানুষের মনের ভাব প্রকাশ করার বড় মাধ্যম হয়ে উঠেছে। তবে অনেকেই এর সঠিক ব্যবহার জানেন না। কেউ নিজেদের একান্ত কথাও ফেসবুকে প্রকাশ করে দেন। আবার কেউ স্থান-কাল না বুঝেই নিজেদের গল্প শেয়ার করেন। করোনার ভয়ে গৃহব’ন্দী সাধারণ মানুষ থেকে নামী তারকারাও অনেকে রান্নাবান্না করছেন।

সেই রান্নাবান্না করার ও খাবারের ছবি কিংবা ভিডিও পোস্ট করছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এই বিষয়টি যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভারতের টেনিস সেনসেশন সানিয়া মির্জা। সারাবিশ্বে লকডাউনের মাঝে যখন নিম্মবিত্ত-খেটে খাওয়া লোকজন খাদ্যসং’কটে পড়েছে, তখন বাসায় রান্না করা খাবারের ছবি দেওয়া তার মতে অযৌ’ক্তিক।

সানিয়া বলেছেন, ”আমরা কবে ক্লান্ত হব? অনেক তো রান্না ও খাবারের ছবি দেওয়া হলো। হাজার হাজার মানুষ খাবারের কষ্টে মারা যাচ্ছে, বিশেষ করে পৃথিবীর এই প্রান্তে। ওরা তো একদিনের খাবার পেলেও নিজেদের ভাগ্যবান মনে করে।” করোনা মো’কাবেলায় ইতিমধ্যেই সোয়া কোটি টাকার আর্থিক অনুদান দিয়েছেন পাকিস্তানের ‘বউমা’ সানিয়া।

সাধারণ মানুষকে করোনা মো’কাবেলায় সচেতন করতে তারকাদের সহায়তা চেয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একদিন আগেই মোদির সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন টেনিস তারকা সানিয়া, ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি, বিসিসিআই প্রধান সৌরভ গাঙ্গুলী ও ব্যাটিং কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারসহ ভারতের মোট ৪৯ জন শীর্ষস্থানীয় ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব।

এক মাসের মধ্যেই আসছে করোনার ভ্যাকসিন

করোনার প্রতিষেধক তৈরিতে বিশ্বজুড়ে চলছে জোর প্রচেষ্টা। বিশ্বের সব খ্যাতনামা গবেষকরা চেষ্টা চালাচ্ছেন করোনার ভ্যাকসিন তৈরিতে। এবার করোনার ফিংগার ট্রিপ ভ্যাকসিন নিয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র। নিডলের মাধ্যমে হাতে এই ভ্যাকসিনটি দেওয়া হবে।

এরই মধ্যে ভ্যাকসিনটি শরীরে দেওয়ার জন্য ৪০০ টি নিডল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ভ্যাকসিনটি রাখতে রেফ্রিজারেটরের কোন প্রয়োজন নেই। ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় থাকে ফিংগার ট্রিপ ভ্যাকসিন। গবেষকরা বলছেন করোনার চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এই ফিংগার ট্রিপ ভ্যাকসিন। এছাড়া বেশ কিছু বিজ্ঞানী এই ভ্যাকসিনকে স্বীকৃতি দিয়েছেন।

এর আগে ইদুরের শরীরে সফল ভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে ভ্যাকসিনটি। পিটসবার্গ স্কুল অফ মেডিসিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলেছেন আগে সার্স এবং মার্সের সময়ে ওষুধ তৈরিতে কাজ করেছে তারা সে হিসেবে তাদের ভালো অভিজ্ঞতা আছে।

ইউনিভার্সিটি অফ পিটার্সবার্গ মেডিক্যাল সেন্টারের অধ্যাপক লুইস ফেলো বলছেন আমরা শরীরের ত্বকে ভ্যাকসিনটি দেওয়ার জন্য এই স্ক্র্যাচ পদ্ধতিটি তৈরি করেছি। সূত্রঃ এমটিনিউজ২৪

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.