ভারতে আটকে পড়া ৫০০ বাংলাদেশিকে প্রতিদিনই দুই বেলা খাবার দিচ্ছেন ডা. দেবী শেঠী

প্রতি বছরই চিকিৎসা নিতে ভারতে যান অনেক বাংলাদেশি। এবার চিকিৎসা নিতে গিয়ে ভারতে আ’টকে পড়েছেন অনেক বাংলাদেশি। মূলত প্রাণঘা’তী করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূ’ত পরিস্থিতিতে ভারতে আ’টকে পড়েছেন কয়েকশ বাংলাদেশি নাগরিক।

এবার তাদের খাবার দিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন ভারতের প্রখ্যাত চিকিৎসক ডা. দেবী শেঠী ও নারায়ণা হৃদয়ালয়া হাসপাতাল। ৫০০ বাংলাদেশিকে প্রতিদিনই দুই বেলা খাবার দিচ্ছেন তিনি। ভারতে আ’টকা পড়া বিজয় কুমার বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা ডা. দেবী শেঠীকে আমাদের এই আ’টকে পড়া বাংলাদেশিদের দুঃ’খ-ক’ষ্টের কথা জানাতে সক্ষ’ম হই। অতঃপর দেবী শেঠী তার হাসপাতালের আশপাশে আ’টকে পড়া ৫০০ বাংলাদেশিকে দুপুর ও রাতের খাবারের দায়িত্ব নিয়েছেন এবং শুক্রবার (৩ এপ্রিল) থেকে আমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ হোটেলে বসেই দু’বেলার খাবার পাচ্ছি।

আরও কিছু বাংলাদেশি আছে যারা হোটেল মালিকদের আন্তরিকতা বা অ’জ্ঞতার কারণে তালিকাভু’ক্ত হয়নি। তাদের জন্যও অনুরোধ করা হয়েছে। আশা করি সমাধান হবে।’

করোনার কাছে হার মানলেন ব্রিটিশ নার্স আরীমা, দেখা হয়নি প্রিয় তিন সন্তানকে

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ব্রিটিশ নার্স আরীমা নাসরিন। গত ১৬ বছর ধরে তিনি ওয়েস্ট মিডল্যান্ডসের ওয়ালসাল ম্যানর হাসপাতালে কর্মরত। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর তাকে ইনটেনসিভ কেয়ারে একটি ভেন্টিলেটরে ছিলেন তিনি।

হাসপাতালে চিকিৎসা সেবায় দিনরাত পরিশ্রম করা নাসরিন প্রিয় তিন সন্তানকে আর দেখেননি। আরীমা নাসরিন নামের ওই নার্স তিন সন্তানের মা। ৩৬ বছরের এই নার্সের কোনও শারীরিক জটিলতা ছিল না।দশ দিন আগে তার শরীরে লক্ষণ ধরা পড়ে। শুরুতে শরীরে ব্যথা ও জ্বর ছিল এবং পরে কাশি শুরু হয়।

দুই সপ্তাহ পুর্বে তার শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। একই হাসপাতালে কাজ করেন আরীমার বোন কাজীমা নাসরিন। তিনি বলেন, পরিবারের ধারণা যে কোনও স্থান থেকে তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। আরীমার স্বামী ও তিন সন্তানকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। তারা তাকে দেখতে আসতে পারছেন না।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.