পবিত্র শবে বরাত বৃহস্পতিবার

যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে দেশব্যাপী পালিত হবে সৌভাগ্য ও ক্ষমার রাত পবিত্র শবে বরাত। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এ রাতে মানবজাতির জন্য স্রষ্টার অশেষ কল্যাণ কামনা করে বিশেষ নামাজ, কোরআন পাঠ, জিকির ও অন্যান্য ধর্মীয় ইবাদত পালন করেন।

মুসলিমদের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, হিজরি শাবান মাসের ১৫ তারিখে শবে বরাতে আল্লাহ আগামী বছরের ভাগ্য নির্ধারণ করেন। এ রাতে তিনি তার সৃষ্টি জগতের সবার অতীতের কর্মকাণ্ড আমলে নিয়ে আগামী বছরের ভাগ্য লিপিবদ্ধ করেন।

এ রাতে মুসলিমরা নিজেদের আত্মীয় ও ধর্মীয় আলেমদের কবর জিয়ারত এবং সেই সাথে গরিব, প্রতিবেশী, বন্ধু-বান্ধব ও স্বজনদের মাঝে মিষ্টি ও ঘরে তৈরি খাবার বিতরণ করেন।

এদিকে করোনাভাইরাসের কারণে এবার নিজ নিজ বাসায় পবিত্র শবে বরাতের ইবাদত যথাযথ মর্যাদায় আদায় করার জন্য সবাইকে বিশেষভাবে আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, করোনাভাইরাসের এ সংকটকালীন পরিস্থিতিতে দেশের নাগরিকদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার স্বার্থে এ আহ্বান জানানো হয়েছে।

পি

পবিত্র শবে বরাত বৃহস্পতিবার

নামাজ পড়ছে কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের দুই সন্তান

নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ ও অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনের দুই শিশুসন্তানের নামাজ পড়ার ছবি ফেসবুকে ভাই’রাল হয়েছে। ছবি দুটি নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছিলেন নিশাদ ও নিনিতের মা মেহের আফরোজ শাওন। রবিবার সন্ধ্যায় শাওনের পোস্ট করা ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন– ‘বিরাজ সত্য সুন্দর…’।

শাওনের পোস্ট করা ছবিওতে দেখা যায়, ধানমণ্ডির দখিন হাওয়া ফ্ল্যাটে নিশাদ হুমায়ূন ও নিনিত হুমায়ূনের মাঝখানে শিশুকে নামাজ পড়ছে। হুমায়ূন আহমেদের শিশুসন্তানদের নামাজ পড়ার দৃশ্য দেখে ফেসবুকে সবাই প্রশংসা করেছেন। রাজিয়া রহমান জলি নামের একজন লিখেছেন, ‘ওদের দোয়ায় যেন শান্তি ফিরে আসে জীবনে।’

লুৎফর রহমান নামের একজন লিখেছেন, ‘খুব মনোযোগ দিয়ে মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট নিজেকে সোপর্দ করেছেন বাপজানরা। এটিই হচ্ছে একজন সফল বাবা-মায়ের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি। আল্লাহ এই নিষ্পাপ বাচ্চাদের দিকে তাকিয়ে আমাদের ক্ষমা করো। ফারহাত নামের একজন লিখেছেন, ‘আপু বাচ্চাগুলোকে রাসুল (সা.) এর আদর্শে আদর্শিত করবেন। এই দোয়া করি।’

প্রসঙ্গত হুমায়ূন-শাওন দম্পতির প্রথম পুত্রসন্তান নিশাদ হুমায়ূন জন্মগ্রহণ করে ২০০৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি। আর ২০১০ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নিনিত হুমায়ূন পৃথিবীর আলো দেখে।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.