মাওলানা সাঈদীর মুক্তি দাবী, লক্ষ্মীপুরের অর্ধ-সহস্রাধিক শিক্ষকের

দীর্ঘ কারাভোগ, অসুস্থতা ও বয়স বিবেচনায় আল্লামা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তির দাবীতে সরকারের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়ে এক যৌথ বিবৃতি প্রদান করেছেন লক্ষ্মীপুরের শিক্ষক সমাজ।

জাতি গড়ার কারিগর শিক্ষকমন্ডলী বলেন- কোরআনের খ্যাতিমান এই মোফাসসির হার্ট ও ডায়াবেটিস সহ নানাবিধ জটিল ও কঠিন রোগ নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত কারাভোগ করছেন। দেশ জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে ৮১ বছরের বয়োবৃদ্ধ এই ইসলামিক স্কলারের প্রতি সদয় হওয়া সময়ের দাবী। তাই আমরা রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের কাছে এই বর্ষীয়ান মুফাসসিরে কোরআন আল্লামা সাঈদীর আশু মুক্তি দাবী করছি। মহান আল্লাহ “করোনা ভাইরাস” থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করুন। আমীন।

বিবৃতিদাতা শিক্ষকমন্ডলীরা হলেন- অধ্যক্ষ নাজমুল ইসলাম, উপাধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ ইসমাইল, অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, অধ্যক্ষ মাওলানা বেলায়েত হোসেন, অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুর রহিম, অধ্যক্ষ ইমরান হোসাইন, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ নিজামুদ্দিন, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল আজিজ, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ফজলুল করিম, অধ্যক্ষ নাসির উদ্দিন মাহমুদ, অধ্যক্ষ আহম্মদ উল্যা, অধ্যক্ষ হোসাইন আহম্মদ।

অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবুল ফারাহ, অধ্যক্ষ কবির আহম্মদ, অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, অধ্যক্ষ তাইয়েবুর রহমান, অধ্যক্ষ মাওলানা যায়েদ হোসাইন, অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ জোবায়ের হোসাইন, অধ্যক্ষ আবদুল আউয়াল, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রেজাউল করিম সুমন, অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুল হাকিম, অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুল কাদের, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ নুরনবী, অধ্যক্ষ উসমান গনি, অধ্যক্ষ ওমর ফারুক, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইউসুফ।

অধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম, অধ্যক্ষ আবদুল মমিন, অধ্যক্ষ আলমগীর হোসাইন, অধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম আজগর, উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুজিবল হক পাটওয়ারী, উপাধ্যক্ষ মাওলানা ইউসুফ জামাল, উপাধ্যক্ষ মাওলানা হুমায়ুন কবির, উপাধ্যক্ষ হাবীবুর রহমান, উপাধ্যক্ষ ফয়েজ আহম্মদ, উপাধ্যক্ষ মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, উপাধ্যক্ষ মোহাম্মদ লোকমান হোসেন, উপাধ্যক্ষ মাওলানা মাহবুর রহমান, উপাধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার ফিরোজ আলম, উপাধ্যক্ষ আবু নোমান, উপাধ্যক্ষ হারুনুর রশিদ।

উপাধ্যক্ষ ওসমান গনি, উপাধ্যক্ষ মিরাজ হোসাইন, উপাধ্যক্ষ রেজাউল ইসলাম খান, অধ্যাপক আবদুর রহমান, অধ্যাপক আবু সালেহ মোহাম্মদ ইব্রাহীম, অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম, অধ্যাপক আবদুর রহমান জাহাঙ্গীর, অধ্যাপক আ হ ম মোস্তাকুর রহমান, অধ্যাপক ইমাম উদ্দিন, অধ্যাপক আব্দুল করিম, অধ্যাপক খিজির হায়াত খান, অধ্যাপক আব্দুল হাকিম, অধ্যাপক হাবিবুর রহমান।

অধ্যাপক মোহাম্মদ আলি, অধ্যাপক এ বি এম মোবারক হোসাইন, অধ্যাপক আলী আহমদ, প্রভাষক আমিনুল ইসলাম, প্রভাষক রুহুল আমিন, প্রভাষক জাকের হোসাইন, প্রভাষক সাখাওয়াত হোসাইন, প্রভাষক মোহাম্মদ ইউছুপ, প্রভাষক আব্দুল করিম, প্রভাষক শাহাদাৎ হোসেন, প্রভাষক মাহফুজুর রহমান, প্রভাষক সাইফুল্লাহ হেলাল, প্রভাষক আবুল কাশেম, প্রভাষক মাহমুদুর রহমান, প্রভাষক রাফা কিষোয়ান, প্রভাষক মানসুর আহমদ।

প্রভাষক মাওলানা শামসুল হুদা, প্রভাষক রাবেয়া সুলতানা, প্রভাষক মাওলানা হাসান তারেক, প্রভাষক সুমাইয়া ফারহান, প্রভাষক মিজানুর রহমান, প্রভাষক মাওলানা আবদুল হাই, মাষ্টার নুরুল আলম, মাষ্টার আবুল হোসাইন, মাষ্টার রুহুল আমিন ভূইয়া, মাষ্টার নুরুল ইসলাম, মাষ্টার আমিনুল ইসলাম, মাষ্টার হোসাইন আহমদ ভুইয়া বিএসসি, মাষ্টার দলিলুর রহমান বিএসসি, মাষ্টার লুতফুর রহমান, মাষ্টার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন।

মাষ্টার মোহাম্মদ শাহ আলম, মাষ্টার হুমায়ুন কবির, মাষ্টারইমাম উদ্দিন, মাষ্টার সাখাওয়াত হোসাইন, মাষ্টার মোহাম্মদ ইউসুফ, মাষ্টার আমিনুল ইসলাম, মাষ্টার শাহ আলম, মাষ্টার কবির আহম্মদ, মাষ্টার জাকিরহোসেন, মাষ্টার মাসুম বিল্লাহ, মাষ্টার ইয়াসিন, মাষ্টার মাকসুদুর রহমান, মাষ্টার হাসান মাহমুদ, মাষ্টার আব্দুর রহিম, হাফিযুর রহমান, মিজানুর রহমান, আলি মুর্তজা, সাইফুল মাওলা, আলাউদ্দিন, সামসুল করিম, মাহবুবুল আলম, জামাল উদ্দিন।

গিয়াস উদ্দিন, হুমায়ুন কবির, নুরুল ইসলাম, নুরনবি, আহম্মদ উল্লাহ, একরামুল হক, জাকির হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, রুহুল আমিন, আতাউর রহমান, সাইফুল আলম, আলমগীর হোসেন, আবদুল আজিজ, শাফিউল্লাহ, লোকমান হোসেন, মিরাজ হোসেন, নুরুল হুদা, নুর হোসেন, আনোয়ার হোসেন, ইব্রাহীম সিদ্দিকী, আবু নোমান। আবুল হোসেন, নজরুল ইসলাম, মাকসুদুর রহমান, এমরান হোসেন, ফরহাদ হোসেন, শামসুল হুদা, নুরে আলম প্রমুখ।

সূত্রঃ নব যুগান্তর

শবে বরাতে একাকী ইবাদত রাসুলের সহিহ হাদিস থেকে প্রমাণিত: আল্লামা শফী

আজ লাইলাতুল বরাত। আজকের রাতটি মুসলিম মিল্লাতের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। মহামারী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে এবার একটি ভিন্ন পরিস্থিতিতে শবে বরাত উপস্থিতি মুসলমানদের সামনে। সামাজিক বিচ্ছিন্নতার স্বার্থে সারাদেশে মসজিদগুলোতে বড় জামাতে নামাজের বিষয়ে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। দেশের প্রখ্যাত আলেমরাও বলছেন ঘরে নামাজ পড়তে। এমতাবস্থায় আজকের শবে বরাতের নামাজ একাকী আদায়ের আহ্বান জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের আমীর ও হাটাহাজারী মাদরাসার মহাপরিচালক আল্লামা শাহ আহমদ শফী।

তিনি বলেছেন, শবে বরাতে একাকী ইবাদত করা রাসূল সা. এর সহিহ হাদিস ও আছারে সাহাবা (সাহাবীদের আমল) থেকে প্রমাণিত। তাই ঘরে বসে বেশি বেশি কুরআন তেলাওয়াত করুন। নিজেদের করা গুনাহ মাফের জন্য স্রষ্টার কাছে তওবা করুন। মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে কায়মনোবাক্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন। জিকির করুন। দান-সদকা করুন। কবর জেয়ারত করুন। পরিবার পরিজনকে দ্বীনি কাজে বেশি বেশি সম্পৃক্ত করুন।

শবে বরাতকে কেন্দ্র করে সমাজে প্রচলিত কুসংস্কার সম্পর্কে সতর্ক করেছেন আল্লামা শফী। তিনি বলেন, শবে বরাতকে কেন্দ্র করে আমাদের দেশে বেশ কিছু রসম ও কুসংস্কার চালু রয়েছে। অনেকে হালুয়া রুটির ব্যবস্থা ও মসজিদ আলোকসজ্জা করে থাকেন। নির্দিষ্ট পরিমাণ রাকাতে জামাত সহকারে নামাজ পড়ে থাকেন। এ সব বিদআত কাজ। তাই বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়িতে না গিয়ে নিজ নিজ ঘরে একাকী ইবাদতের মাধ্যমে শবে বরাত পালন করা উচিত।

ঘরে নামাজ পড়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের ক্ষতি থেকে বাঁচতে বর্তমানে দেশের অনেক জেলা-উপজেলায় লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। এমনকি মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জামাতে সীমিত উপস্থিতির পরামর্শ দিয়েছেন দেশের শীর্ষ আলেম সমাজ। এমতাবস্থায় একাকীভাবে শবে বরাতের যাবতীয় আমল ঘরে করা উচিত। আর সুন্নাহর তাকাজাও এটাই। হাদিস শরিফে যা ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’ শব্দে এসেছে। মহিমান্বিত রজনি হিসেবে মুসলিম সমাজে শবে বরাতের গুরুত্ব অনেক। এ রাতে মানুষ ইবাদত বন্দেগীতে সময় পার করে এবং দিনে রোজা রাখে। আল্লাহ তায়ালার দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করে, কান্নাকাটি করে শবে বরাত পালন করে থাকে।’

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.