কাবা শরীফের ওপর মন্দিরের ছবি লাগিয়ে ফেসবুকে ষ্ট্যাটাস, গোপালগঞ্জ থেকে যুবককে আটক

কাবা শরীফের ওপর শিব মন্দিরের ছবি লাগিয়ে ফেসবুকে ষ্ট্যাটাস দেওয়ায় গোপালগঞ্জে এক যুবককে আট’ক করেছে পুলিশ। অঞ্জন কুমার বিশ্বাস নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ওই ষ্ট্যাটাস দেওয়া হয়।

আট’ক যুবকের নাম অঞ্জন বিশ্বাস। সে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বৌলতলী ইউনিয়নের বৌলতলী গ্রামের নির্মল বিশ্বাসের ছেলে। বৌলতলী বাজারে কম্পিউটার ও ফটোকপির ব্যবসা করে এই যুবক।

স্থানীয় বাসিন্দা ও তাঁর ফেসবুকে ফ্রেন্ড লিস্টে থাকা বেশ কয়েক জন জানান, কাবা শরিফের ছবির উপর শিবের মূর্তি ও শিব লিঙ্গের ছবি দিয়ে অঞ্জন তার ফেসবুকে ষ্ট্যাটাস দেয় এবং সেখানে লেখা ছিলো ‘মক্কা মদিনা প্রথমে ছিলো শিবের মন্দির প্রমাণ মিলল’। এই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাই’রাল হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টায় অঞ্জন তার ষ্ট্যাটাস উঠিয়ে নিয়ে নতুন আরো একটি ষ্ট্যটাস দেয়, তাতে লেখা ছিলো ‘আমার শেয়ার করা পোষ্টটি যাচাই না করে শেয়ার করার জন্য আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। আমার শেয়ার করা পোষ্টটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমি সকলের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। আমার অনাকাঙ্খিত ভুলের জন্য আমি অনুতপ্ত। আপনারা সবাই আমাকে ক্ষমা করে দেন।’

প্রতক্ষ্যদর্শী আরিফ হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে ফেসবুকের মাধ্যমে জানার পর দুপুরের বৌলতলী বাজারে ২০০ থেকে ৩০০ লোক জড়ো হয় এবং অঞ্জনকে খো’জাঁখুজি করে। আমরা কয়েক জন তাদের শান্ত করি। এরপর প্রশাসনকে জানালে পুলিশ বিকেলে অঞ্জনকে নিয়ে যায়।

এদিকে ফেসবুক ব্যবহারকারী বেশ কয়েকজন বলেন, এলাকার জনগণ যেভাবে জ’ড়ো হয়েছিলো তাতে বড় ধরনের দুর্ঘ’টনা হতে পারত। অঞ্জন কাবা শরিফের উপরে যে ছবি দিয়েছে তা ইসলাম ধর্মের অনুসারীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘা’ত করেছে। আমরা এর উপযুক্ত বিচার চাই।

এ বিষয়ে বৌলতলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুকান্ত বিশ্বাস বলেন, অঞ্জন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘা’ত হেনে যে স্ট্যাটাসটি দিয়েছিলো তা অত্যান্ত দুঃ’খজনক। আমি বৃহস্পতিবার সকালে তাকে বলেছিলাম তুমি কেনো এই ধরনের ষ্ট্যাটাস দিয়েছো। জনগণ ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে। তোমাকে কিছু বলেনি।

এ ব্যপারে গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( সদর সার্কেল ) মোঃ সানোয়ার হোসেন বলেন, অঞ্জন আমাদের হেফজতে আছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এ ঘটনার পর এলাকা শান্ত আছে ।

জীবনের প্রথম রোজা রাখবে হিন্দু থেকে মুসলিম হওয়া সেই পরিবারটি

হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করায় মাঝে মাঝে হিন্দুপাড়া প্রতিবেশি কেউ কেউ হাসাহাসি, কেউ কেউ গালাগালি করেন। কিন্তু মুসলমানদের আন্তরিকতায় নিরাপদে ধর্মীয় কর্মকাণ্ড পালন করছেন। এমনকি রোজা রাখার জন্যও তারা মানসিকভাবে প্রস্তুত।

কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা নিতাই দাস গত ২৪ মার্চ স্বপরিবারে ধর্মান্তরিত হন। হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ধর্মান্তরিত হওয়ার পর নিতাই দাসের নাম পরিবর্তন করে ইব্রাহিম, স্ত্রীর নাম রহিমা বেগম, ছেলের নাম ইসমাইল আলী এবং মেয়ের নাম কুলসুমা বেগম ও ফাতেমা বেগম রাখা হয়।

সোমবার সরেজমিনে উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়নে গেলে স্থানীয় লোকজন জানান, ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর কৃষ্ণপুর গ্রাম ছেড়ে দিয়ে আশ্রয় নেন ভাটেরা স্টেশনের পরিত্যক্ত রেলওয়ে কোয়ার্টারে। পরিত্যক্ত এসব কোয়ার্টার বসবাসের উপযোগী না হলেও মাথা গোজার বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় কষ্ট করে দিনাতিপাত করছেন।

বার্ধক্য আর নানা রোগে আক্রান্ত নওমুসলিম ইব্রাহিম জানান, সবার আন্তরিক সহযোগিতায় আল্লাহর রহমতে নিরাপদে এবং ভালোই আছেন। রোজা রাখার জন্য দানশীল ব্যক্তিবর্গ খাবারসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। রেলওয়ে কোয়ার্টারে বসবাসে একটু কষ্ট হলেও যতক্ষণ বিকল্প ব্যবস্থা না হচ্ছে ততক্ষণ এখানেই থাকতে হবে।

ভাটেরা স্টেশন জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. হোসাইন আহমদ জানান, নওমুসলিম ইব্রাহিম ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর থেকে মসজিদে জামায়াতের সঙ্গে নামাজ আদায়ের চেষ্টা করেন। রোগ শোক ও বয়সের কারণে অনেক সময় ফজরের নামাজ মিস করেন। তবে একজন ভালো মানুষ হিসেবেই তিনি তার সব কাজ-কর্ম পরিচালিত করছেন।

ভাটেরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম জানান, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার আগ্রহ প্রকাশের পর থেকে তিনি তাদেরকে সহযোগিতা করে আসছেন।

তাছাড়া দেশ বিদেশ থেকে বিচ্ছিন্নভাবে তাদের সহযোগিতা করা হচ্ছে। এলাকার মানুষ তাদের নিরাপদ বসবাসের ব্যাপারে সচেতন। সবার সহযোগিতামূলক মনোভাব রয়েছে।

হে আল্লাহ! মহামারি করোনা থেকে মুক্তি দিন

মরণব্যা’ধি করোনাভাইরাস। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারি। দুনিয়াতে কখনো কখনো মহামারি আসে মানুষকে পরীক্ষার জন্য। আবার কখনো কখনো অবাধ্য মানুষকে শাস্তি দিতে। সে মহামা’রির কবলে পড়ে জীবন ও সহায়-সম্পদ হারান অপরাধী কিংবা নিরপরাধ সব মানুষ। কুরআনুল কারিমে এমন আজাবকে (মহামা’রি) ভয় করার কথা বলা হয়েছে- ‘তোমরা এমন শাস্তি থেকে দূরে থাক, যা বিশেষভাবে তোমাদের মধ্যে যারা জা’লিম, (শুধু) তাদেরকেই আ’ক্রমণ করবে না। আর জেনে রেখ, নিশ্চয়ই আল্লাহ শাস্তিদানে খুবই কঠোর।’ (সুরা আনফাল : আয়াত ২৫)

আল্লাহর পক্ষ থেকে যখন কোনো অঞ্চলে আ’জাব বা গ’জব আসে তখন তা ওই অঞ্চলে বসবাসকারী ঈমানদার কিংবা বেঈমান সবাইকে আ’ক্রমণ করে। প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিসে তা সুস্পষ্ট। হাদিসে এসেছে- হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যখন আল্লাহ্‌ কোনো সম্প্রদায়ের উপর আ’জাব পাঠান তখন সেখানে বসবাসরত সবার উপরই সেই আজা’ব পতিত হয়। অবশ্য পরে প্রত্যেককে তার আমল অনুযায়ী উঠানো হবে।’ (বুখারি, মুসলিম, মুসনাদে আহমদ)

উল্লেখিত হাদিসটি প্রমাণ করে যে, যখন আল্লাহ তাআলা কোনো সম্প্রদায়ের গোনাহের কারণে তাদের উপর কোনো আজাব দেন তখন তা ভালো-মন্দ সবার উপরই নেমে আসে। মহামা’রি আক্রা’ন্ত অঞ্চলে যদি কোনো নিরপরাধ ভালো মানুষও থাকে সেও ওই মহামা’রিতে আক্রা’ন্ত হয়।

হজরত যায়নাব বিনতে জাহাশ রাদিয়াল্লাহু আনহা বিশ্বনবিকে প্রশ্ন করেন, আমাদের মাঝে সৎ লোক থাকা অবস্থায়ও কি আমরা ধ্বং’স হয়ে যাব? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার উত্তরে বলেন, ‘হ্যাঁ’, যখন নোংরামির মাত্রা বেড়ে যাবে।

সুতরাং বোঝা যাচ্ছে যে, যখন গ’র্হিত ও গো’নাহের কাজ প্রকাশ পাবে তখন সবার ধ্বংস অনিবা’র্য হয়ে পড়বে। তবে সৎ ও মন্দ লোকের মৃ’ত্যুর ব্যাপারে অংশীদারিত্ব, নেকি ও শাস্তির ব্যাপারে অংশীদারিত্বকে অপরিহার্য করবে না। বরং তাদের প্রত্যেককে তাদের নিজ নিজ আমলের নিয়ত অনুযায়ী প্রতিদান দেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সৎ লোকের উপর আজাবের উদ্দেশ্য হবে তাদেরকে পবিত্র করা আর মন্দ লোকের জন্য শাস্তি দেয়া।’ (ফাতহুল বারী)

সুতরাং চলমান মহামা’রি করোনাভাইরাসে মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা- হে আল্লাহ! আপনি মহামা’রি করোনা থেকে মুসলিম উম্মাহকে মুক্তি দিন। মহামা’রি করোনাকে আপনি মানুষের ওপর থেকে তুলে নিন।

মহামা’রি কারোনায় এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৬১ হাজার ৯১৯ জনের প্রাণহা’নি ঘটেছে। এদের মধ্যে এমন অনেক মানুষ রয়েছে যারা আল্লাহর একান্ত প্রিয় বান্দা। তারাও রক্ষা পায়নি এ মহামা’রি থেকে। হাদিসের ঘোষণা অনুযায়ী তারা একদিকে পাবে শাহাদাতের মর্যাদা আবার অন্যদিকে পাবে তাদের আমল অনুযায়ী প্রতিদান।

সুতরাং মহামা’রি করোনায় কে মা’রা গেল আর বেঁচে থাকলো। কে ভালো লোক আর কে মন্দ লোক এসব বাচাই করার সুযোগ নেই। কোনো জাতির ওপর আল্লাহর আজাব নেমে এলে- কে ভালো, কে মন্দ তা পার্থক্য করা হয় না। এমনকি নেককার মানুষও বিপদ, আজাব ও মহামারি দ্বারা আক্রা’ন্ত হতে পারে।

মুমিন ও কাফেরদে বিপদে রয়েছে পার্থক্য। কাফের অবাধ্য-অবিশ্বাসীদের জন্য বিপদ-আপদ আসে আজাবস্বরূপ। কিন্তু ঈমানদারের জন্য বিপদ-আপদ-মহামা’রি রহমতস্বরূপ। হাদিসে এসেছে- হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘মুসলিম ব্যক্তির ওপর যেসব বিপদ-আপদ আসে। আল্লাহ তাআলা এর দ্বারা তার পাপ দূর করে দেন। এমনকি যদি (সামান্য) কাঁটাও তার শরীরে ফোটে, এর দ্বারাও।’ (বুখারি)

এমন ধারণা করা ঠিক নয়, কেননা মহামা’রিতে কোনো নেককার ব্যক্তি আক্রান্ত হবে না এ মর্মে কোনো দিকনির্দেশনা কুরআন এবং হাদিসে আসেনি। বরং প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামই সবচেয়ে বেশি রোগ যন্ত্রণা ভোগ করেছেন। হাদিসে এসেছে- হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন ‘আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর চেয়ে বেশি রোগ যন্ত্রণা ভোগকারী অন্য কাউকেও দেখিনি।’ (মুসলিম, মুসনাদে আহমাদ)

হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা একবার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্লেগ রোগ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। জবাবে তিনি বলেন, এটি হচ্ছে এক ধরনের আজাব। আল্লাহ যার ওপর তা পাঠাতে ইচ্ছা করেন, পাঠিয়ে থাকেন। কিন্তু আল্লাহ এটিকে মুমিনদের জন্য রহমত বানিয়ে দেন। অতএব প্লেগ রোগে কোনো বান্দা যদি ধৈর্য ধরে, এই বিশ্বাস নিয়ে নিজ শহরে অবস্থান করতে থাকে যে আল্লাহ তার জন্য যা নির্দিষ্ট করে রেখেছেন তা ছাড়া আর কোনো বিপদ তার ওপর আসবে না, তাহলে সেই বান্দার জন্য থাকবে শহিদের সমান সওয়াব।’ (বুখারি)

তারপরও মহান আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ- হে আল্লাহ! মহামা’রি করোনা থেকে আপনি পুরো জাতিকে হেফাজত করুন। আপনিই সেরা আরোগ্য ও নিরাপত্তা দানকারী। যেভাবে দোয়া করতে বলেছেন বিশ্বনবি-
– اَللَّهمَّ اِنِّيْ اَسْاَلكَ الْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আস্‌আলুকাল আ-ফিয়াতা ফিদ-দুন্‌ইয়া ওয়াল আখিরাহ।’ (তিরমিজি)
অর্থ : হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি আপনার কাছে দুনিয়া এবং পরকালের সার্বিক নিরাপত্তা ও প্রশান্তি প্রার্থনা করছি।

– يَا مُنْزِلَ الشِّفَآءِ وَ مُذْهِبَ الدَّآءِ اَنْزِلْ عَلٰى وَجَعِيَ الشِّفَآءِ. اشْفِ أَنْتَ الشَّافِي لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمَاً
উচ্চারণ :‘ ইয়া মুংযিলাশ-শিফায়ি ওয়া মুজহিবাদ দায়ি আংযিল আলা ওয়াঝায়িয়াশ-শিফায়ি, ইশফি আংতাশ-শাফি লা শিফাআ ইল্লা শিফাউকা শিফাআন লা ইয়ুগাদিরু সাক্বামা।’

অর্থ : হে সুস্থতা নাজিলকারী। হে রোগের প্রতিষে’ধক দানকারী। আমাদের জন (সব মহামা’রি) রোগ থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার শেফা/চিকিৎসা নাজিল করুন। আপনি সুস্থতা দান করুন। আপনিই রোগ নিরাময়কারী। আপনি ছাড়া সুস্থতা দানকারী আর কেউ নেই। এমন সুস্থতা দান করুন, যাতে আমাকের মধ্যে আর কোনো রোগ অবশিষ্ট না থাকে।’

– اَللَّهُمَّ اِنِّىْ اَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْبَرَصِ وَ الْجُنُوْنِ وَ الْجُذَامِ وَمِنْ سَىِّءِ الْاَسْقَامِ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল বারাচি ওয়াল জুনুনি ওয়াল ঝুজামি ওয়া মিন সায়্যিয়িল আসক্বাম।’ (আবু দাউদ, তিরমিজি)

অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আপনার কাছে আমি শ্বেত রোগ থেকে আশ্রয় চাই। মা’তাল হয়ে যাওয়া থেকে আশ্রয় চাই। কুষ্ঠু রোগে আক্রা’ন্ত হওয়া থেকে আশ্রয় চাই। আর দুরারোগ্য ব্যাধি (যেগুলোর নাম জানিনা) থেকে আপনার আশ্রয় চাই।

পরিশেষে…
হে আল্লাহ! আপনি যুগে যুগে আপনার নবি-রাসুলদের অনেক রোগ-ব্যা’ধি দিয়েছেন। আবার তাদের আরোগ্য দান করেছেন। আপনিই সেরা আরোগ্য দানকারী। আপনার কাছেই প্রার্থনা। আপনি আপনার বান্দাদের প্রতি রহমত নাজিল করুন। মহামা’রি করোনা থেকে মুক্তি দিন। আমিন।-জাগো নিউজ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.