ইসরাইলের কারাগারে অমানবিক নির্যাতনে শহীদ হলেন ফিলিস্তিনি যুবক নুর আল-বারগুসি

ইহুদীবাদী অবৈধ দখলদার রাষ্ট্র ইসরাইলী কারাগারে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে ‘নুর আল-বারগুসি’ নামী একজন ফিলিস্তিনি নাগরিক শহীদ হয়েছেন। অনুসন্ধানে জানা যায় এই ২৩ বছর বয়সী সাহসী যুবক অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের কুখ্যাত কারাগারে বন্দী অবস্থায় শহীদ হয়েছেন।

কারাগারে বন্দী অবস্থায় তার মৃত্যুর পাঁচ দিন পর রবিবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তার মৃতদেহ আত্মীয়দের কাছে হস্তান্তর করা হয়। একটি ফিলিস্তিনি মেডিকেল টিম ও উক্ত শহীদের পরিবারের লোকজন রামাল্লার পশ্চিমে অবস্থিত বিট সিরা সামরিক চৌকিতে তার মরদেহ গ্রহণ করেছেন।

‘ফিলিস্তিনি মেডিকেল কমপ্লেক্সে’ ফিলিস্তিনি কারাগার ও সম্পাদক বিষয়ক কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে বলেছে যে, “আজ বিকেলে ইহুদীবাদী অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের ‘ফরেনসিক মেডিসিন ইনস্টিটিউট অফ আবু কবির’ ইনস্টিটিউটে ‘ফিলিস্তিনি ডাক্তার আশরাফ আল কাদী’ ও উক্ত মরদেহের উকিল এবং উক্ত ইন্সটিটিউটের প্রধান মরদেহ বিশেষজ্ঞ ‘কাদরী আবু বকর’এর তত্ত্বাবধানে ‘শহীদ বারগুসীর মরদেহকে’ হস্তান্তর করা হয়েছে।

মরদেহ বিশেষজ্ঞ প্রধান ‘কাদরী আবু বকর’ আল-আরবী আল-জাদিদকে বলেছেন, ফলাফল এখনও প্রকাশ করা হয়নি। “রক্তের নমুনাগুলি এখনও পরীক্ষা করা হচ্ছে, যা ময়নাতদন্তের অংশ, এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ফলাফল চলে আসবে প্রত্যাশা করছি।”

তার পরিবারের মানবাধিকার সংস্থাগুলির প্রতিবেদন অনুসারে বন্দী ‘নুর আল বারগুসি’ ইহুদীবাদী অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের নেগেভ কারাগারের ২৫ নং ধারা মোতাবেক ২১ শে এপ্রিল শহীদ হন। তদন্তে জানা যায়, “নুর আল বারগুসী কারাগারের একটি বাথারুমে বেহুশ হয়ে পরে গেলে অন্য কয়েদীরা চিৎকার চেচামেচি করে সাহায্যের আবেদন জানানো সত্ত্বেও প্রায় ৪০ মিনিট বিলম্বে তাকে চিকিৎসার জন্য নিতে আসা হয়”।

এটি লক্ষণীয় যে দখলদার রাষ্ট্র ইসরাইলের কর্তৃপক্ষ এখনও পাঁচজন বন্দীর মৃতদেহ তাদের কাছে আটক রেখে দিয়েছে। সেই পাঁচজন শহীদ হলেন যথাক্রমে, ১৯৮০ সালে আস্কালান কারাগারে শহীদ হওয়া ‘আনিস দাওলা’, ২০১৮ সালে শহীদ হওয়া ‘আজিজ ওবাইসাত’, ‘ফরিস বাড়উদ’, ‘নাসরত তাকা’তকা’ এবং ‘বাসাম আল-সায়েহ’, যারা বিগত বছর ইহুদীবাদী অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের সেনাবাহিনী কর্তৃক শহীদ হয়েছিলেন।

এছাড়াও ইসরাইলী কারাগার প্রশাসন রেমন্ড কারাগারে ফাতাহ আন্দোলনের নিয়ন্ত্রক সংস্থাভুক্ত দু’জনকে কয়েদ করে তাদের জনবিচ্ছিন্ন মানবেতর কারাবাস যাপনকে অব্যাহত রেখেছে। ৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে এই জনবিচ্ছিন্ন কারাবাস চলছে। স্বাধীনতাকামী বন্দী ওমর খারওয়াত এবং হাতেম আল-কাওসমেহ দু’জনই হিব্রন গভর্নোরেটের অন্তর্ভুক্ত। “

ফিলিস্তিনি প্রিজনার ক্লাব” ব্যাখ্যা করেছে যে খারওয়াত যিনি চার বছরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত কয়েদি তিনি ২০০২ সাল থেকে আটক রয়েছেন। এবং তিনি “ম্যাগিদ্দো” কারাগারের জনবিচ্ছিন্ন একটি সেলে সম্পূর্ণ একাকী কারাবাসে আছেন।

এবং ২০০৩ সাল থেকে চারটি যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত স্বাধীনতাকামী কয়েদী আল-কাওয়াসমেহ “গিলবোয়া” কারাগারের জনবিচ্ছিন্ন একটি সেলে সম্পূর্ণ একাকী কারাবাসে রয়েছেন। প্রিজনার্স ক্লাবটি উল্লেখ করেছিল যে করোনার মহামারী ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে জনবিচ্ছিন্ন বন্দীদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে গিয়েছে।

দখলদার ইসরাইলী কারাগার প্রশাসন তাদেরকে কারাগারের এমন সেলগুলোতে রাখে যা কোনো মানুষের সাময়িক বসবাসের জন্যেও কোনোভাবে উপযুক্ত নয় এবং তারা তাদেরকে ‘দ্বি স্তরের বিচ্ছিন্নকরণে’ রাখে।

সুসংবাদ নিয়ে এলো মাহে রমজান!

আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিনের গণনায় মাসের সংখ্যা ১২টি। তার মধ্যে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ মর্যাদার মাস হলো মাহে রমজান। এটা ফযিলাতের মাস, গুনাহ মাফের মাস, সবচেয়ে বেশি সওয়াব অর্জনের মাস।

মাহে রমজানকে বলা হয় মুসলমানদের জন্য নেকি অর্জন করার মৌসুম। মাহে রমজানের প্রধান আমল হলো ফরজ রোজা। রোজা ফার্সি শব্দ, যার অর্থ ‘বিরত থাকা’।

আরবিতে বলা হয় সিয়াম, অর্থ ‘বিরত থাকা’, ‘আত্মসংযম করা’ ইত্যাদি। পরিভাষায় সুবহে সাদিক হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পানাহার, দাম্পত্য মিলন ও রোজা ভঙ্গ হওয়ার সকল বিষয় থেকে বিরত থাকার নামই সিয়াম।

আল্লাহ তা’আলা বলেন, হে মুমিনগণ তোমাদের ওপর রোজার বিধান দেওয়া হয়েছে, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের জন্য ও বিধান দেওয়া হয়েছিল। যেন তোমরা মুত্তাকী হতে পারো। (সূরা বাকারা:১৮৩) রমজান মাস আসে মানুষের জন্য জান্নাতের সুসংবাদ নিয়ে।

তাইতো রাসুল (সা:) বলেন, রমজান মাস যখন আগমন করে তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানদের শৃংখলাবদ্ধ করা হয়। (নাসায়ী, আল মুসতাদরাক) এই মাস মুমিনের অতীতের গুনাহ সমূহকে মুছে দেয়। রাসুল (সা:) বলেন,

যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং সওয়াব অর্জনের নিয়তে রমজানের সিয়াম পালন করবে তার পূর্ববর্তী সকল গুনাহ ক্ষমা করা হবে। (বোখারী ও মুসলিম) রমজান মাস সহানুভূতির মাস। রমজান মাস এলে রাসূল (সা:) দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের প্রতি দান সদকা করতে উৎসাহিত করেছেন।

হযরত ইবনে আব্বাস (রা:) বলেন, রাসূল (সা:) লোকদের মধ্যে অতিদানশীল ছিলেন। বিশেষ করে রমজান মাস এলে তার দানশীলতা অনেক বেড়ে যেত। (বুখারী ও মুসলিম) রমজানে কোন রোজাদারকে ইফতার করানোর কারণে অনেক নেকি লাভ হয়। রাসুল (সা:) বলেন,

যদি কেউ রোজাদারকে ইফতার করায়, তাহলে সে উক্ত রোজাদারের সমপরিমাণ নেকি লাভ করবে, তবে রোজাদারের নেকি একটুও কমবে না। (তিরমিজি) রমজান মাসে নফলের বিনিময় ফরজ সমতুল্য এবং একটি ফরজের বিনিময় সত্তরটা ফরজের নেকি দেওয়া হয়। এমনকি প্রতিটি ভালো কাজের প্রতিদান ১০ থেকে ৭০০ গুণ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।

কিন্তু মাহে রমজানের রোজা সম্পর্কে হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তা’আলা বলেন, রোজা আমার জন্য আর উহার প্রতিদান আমিই দিব। (বুখারী) ফযিলতের মাস এই মাহে রমজানেই সমস্ত পৃথিবীবাসীর জন্য হেদায়েতের মহাগ্রন্থ আল-কোরআন নাজিল হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, রমজান মাস।

এতে মানুষের দিশারী এবং সৎপথের স্পষ্ট নিদর্শন ও সত্যাসত্যের পার্থক্যকারী রূপে কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে সুতরাং তোমাদের মধ্যে যারা এই মাস পাবে তারা যেন এই মাসে সিয়াম পালন করে। (সূরা বাকারা:১৮৫) সিয়াম সাধনার মাধ্যমে একজন রোজাদার নিজের মধ্যে আত্মসমালোচনার অভ্যাস গড়ে তোলেন।

কাজেই নিজেই নিজের ভুলত্রুটি সংশোধনের মাধ্যমে নিজেকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা করেন। ফলে তিনি আত্মশুদ্ধি অর্জনে পারদর্শী হয়ে ওঠেন। হজরত আবু হুরায়রা (রা:) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলে করিম (সা:) ঘোষণা করেছেন;

যে লোক ঈমান ও ইহতেসাবের সাথে রমজানের রোজা পালন করবে তার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সব গুনাহ মাফ হয়ে যাবে। (বুখারি, মুসলিম, তিরমিজি, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ ও মুসনাদে আহমাদ)।

এই মাসেই লাইলাতুল কদর অর্থাৎ কদরের রাত, যে রাত হাজার মাস থেকেও উত্তম। (সূরা কদর:২) তাইতো এই মাস অন্য সকল মাস থেকে ফজিলত পূর্ণ। পরিশেষে বলা যায়, আসুন সারা পৃথিবীব্যাপী করোনা ভাইরাস নামক মহামারি থেকে মুক্তি পেতে মিথ্যা, গীবত, চোগলখুরী, পরনিন্দা, অশ্লীলতা ও সকল খারাপ কাজ পরিহার করে তাকওয়া ও ইবাদতের মাধ্যমে মাহে রমজানের ফজিলত অর্জনের চেষ্টা করি।

আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন আমাদেরকে তৌফিক দান করুন। আমীন।

জান্নাতের সুসংবাদ নিয়ে এলো মাহে রমজান!

আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিনের গণনায় মাসের সংখ্যা ১২টি। তার মধ্যে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ মর্যাদার মাস হলো মাহে রমজান। এটা ফযিলাতের মাস, গুনাহ মাফের মাস, সবচেয়ে বেশি সওয়াব অর্জনের মাস।

মাহে রমজানকে বলা হয় মুসলমানদের জন্য নেকি অর্জন করার মৌসুম। মাহে রমজানের প্রধান আমল হলো ফরজ রোজা। রোজা ফার্সি শব্দ, যার অর্থ ‘বিরত থাকা’।

আরবিতে বলা হয় সিয়াম, অর্থ ‘বিরত থাকা’, ‘আত্মসংযম করা’ ইত্যাদি। পরিভাষায় সুবহে সাদিক হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পানাহার, দাম্পত্য মিলন ও রোজা ভঙ্গ হওয়ার সকল বিষয় থেকে বিরত থাকার নামই সিয়াম।

আল্লাহ তা’আলা বলেন, হে মুমিনগণ তোমাদের ওপর রোজার বিধান দেওয়া হয়েছে, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের জন্য ও বিধান দেওয়া হয়েছিল। যেন তোমরা মুত্তাকী হতে পারো। (সূরা বাকারা:১৮৩) রমজান মাস আসে মানুষের জন্য জান্নাতের সুসংবাদ নিয়ে।

তাইতো রাসুল (সা:) বলেন, রমজান মাস যখন আগমন করে তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানদের শৃংখলাবদ্ধ করা হয়। (নাসায়ী, আল মুসতাদরাক) এই মাস মুমিনের অতীতের গুনাহ সমূহকে মুছে দেয়। রাসুল (সা:) বলেন,

যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং সওয়াব অর্জনের নিয়তে রমজানের সিয়াম পালন করবে তার পূর্ববর্তী সকল গুনাহ ক্ষমা করা হবে। (বোখারী ও মুসলিম) রমজান মাস সহানুভূতির মাস। রমজান মাস এলে রাসূল (সা:) দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের প্রতি দান সদকা করতে উৎসাহিত করেছেন।

হযরত ইবনে আব্বাস (রা:) বলেন, রাসূল (সা:) লোকদের মধ্যে অতিদানশীল ছিলেন। বিশেষ করে রমজান মাস এলে তার দানশীলতা অনেক বেড়ে যেত। (বুখারী ও মুসলিম) রমজানে কোন রোজাদারকে ইফতার করানোর কারণে অনেক নেকি লাভ হয়। রাসুল (সা:) বলেন,

যদি কেউ রোজাদারকে ইফতার করায়, তাহলে সে উক্ত রোজাদারের সমপরিমাণ নেকি লাভ করবে, তবে রোজাদারের নেকি একটুও কমবে না। (তিরমিজি) রমজান মাসে নফলের বিনিময় ফরজ সমতুল্য এবং একটি ফরজের বিনিময় সত্তরটা ফরজের নেকি দেওয়া হয়। এমনকি প্রতিটি ভালো কাজের প্রতিদান ১০ থেকে ৭০০ গুণ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।

কিন্তু মাহে রমজানের রোজা সম্পর্কে হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তা’আলা বলেন, রোজা আমার জন্য আর উহার প্রতিদান আমিই দিব। (বুখারী) ফযিলতের মাস এই মাহে রমজানেই সমস্ত পৃথিবীবাসীর জন্য হেদায়েতের মহাগ্রন্থ আল-কোরআন নাজিল হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, রমজান মাস।

এতে মানুষের দিশারী এবং সৎপথের স্পষ্ট নিদর্শন ও সত্যাসত্যের পার্থক্যকারী রূপে কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে সুতরাং তোমাদের মধ্যে যারা এই মাস পাবে তারা যেন এই মাসে সিয়াম পালন করে। (সূরা বাকারা:১৮৫) সিয়াম সাধনার মাধ্যমে একজন রোজাদার নিজের মধ্যে আত্মসমালোচনার অভ্যাস গড়ে তোলেন।

কাজেই নিজেই নিজের ভুলত্রুটি সংশোধনের মাধ্যমে নিজেকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা করেন। ফলে তিনি আত্মশুদ্ধি অর্জনে পারদর্শী হয়ে ওঠেন। হজরত আবু হুরায়রা (রা:) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলে করিম (সা:) ঘোষণা করেছেন;

যে লোক ঈমান ও ইহতেসাবের সাথে রমজানের রোজা পালন করবে তার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সব গুনাহ মাফ হয়ে যাবে। (বুখারি, মুসলিম, তিরমিজি, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ ও মুসনাদে আহমাদ)।

এই মাসেই লাইলাতুল কদর অর্থাৎ কদরের রাত, যে রাত হাজার মাস থেকেও উত্তম। (সূরা কদর:২) তাইতো এই মাস অন্য সকল মাস থেকে ফজিলত পূর্ণ। পরিশেষে বলা যায়, আসুন সারা পৃথিবীব্যাপী করোনা ভাইরাস নামক মহামারি থেকে মুক্তি পেতে মিথ্যা, গীবত, চোগলখুরী, পরনিন্দা, অশ্লীলতা ও সকল খারাপ কাজ পরিহার করে তাকওয়া ও ইবাদতের মাধ্যমে মাহে রমজানের ফজিলত অর্জনের চেষ্টা করি।

আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন আমাদেরকে তৌফিক দান করুন। আমীন।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.