ইসরাইলি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করে আল আকসায় ঢুকেছেন জেরুজালেমের গ্রান্ড মুফতি

0

ইহুদিবাদি ইসরাইলি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করে শুক্রবার উত্তপ্ত আল-আকসা মসজিদে ঢুকেছেন জেরুজালেমের প্রধান মুফতি শেখ ইকরিমা সাবরি।

ফিলিস্তিনি আইনজীবী ও কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি মসজিদে যান। অধিকৃত শহরটিতে ধর্মীয় প্রতীককে লক্ষ্যবস্তু বানানোয় ইসরাইলকে হুশিয়ার করেন তিনি। খবর আনাদুলু’র।

এক সংবাদ সম্মেলনে সাবরি বলেন, ইসরাইলি দখলদারিত্ব আমাদের বাক স্বাধীনতা হরণ করে নিয়েছে। দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে উত্তেজনা উসকে দেয়ার অভিযোগ তুলে তারা আমাদের কথা বলার অধিকার হরণ করতে চায়।

তিনি বলেন, আমরা যখন দাবি করি আল-রাহমা ফটক আল-আকসার অবিচ্ছেদ্য অংশ। তখন দখলদাররা বলে যে আমরা উত্তেজনা বাড়াচ্ছি।

সাবরি আরও বলেন, ইসরাইলিদের আমি বলে দিচ্ছি, আমাদের অবস্থান খুবই পরিষ্কার, আল-আকসায় আমাদের অধিকারের জন্য লড়াই চালিয়ে যাবো।

আল-আকসায় নামাজ নিষিদ্ধ করা সত্ত্বেও সাবরির সমর্থনে বৃহস্পতিবার রাজনৈতিক ও ধর্মীয় লোকজন জেরুজালেমে জড়ো হন।

এদিকে আল-আকসা মসজিদে তাণ্ডব চালিয়েছে ইসরাইলি পুলিশ। শুক্রবার সকালে ফজরের সময় জোর করে মুসল্লিদের মসজিদ থেকে বের করে দিয়েছে। এসময় গ্রেফতার হয়েছেন অন্তত ১৩ মুসল্লি।

ফিলিস্তিনি মানবাধিকারকর্মীরা বলেন, মুসল্লিদের ছত্রভঙ্গ করে দিতে ইসরাইলি বাহিনী রাবার বুলেট ছুড়েছে। মুসল্লিদের ঘিরে রেখে তাদের ওপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেছে দখলদার দেশটির পুলিশ।

মাত্র ৪ মাসে পুরো কুরআন মুখস্ত করলো আট বছরের নামুস

পেশোয়া নামুস। পাকিস্তানে জন্ম নেয়া ৮ বছরের শিশু। এ ছোট্ট বয়সে মাত্র ৪ মাসে পুরো কুরআন মাজিদ মুখস্ত করে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে সে। পুরো কুরআন মাজিদ মুখস্তের মাধ্যমে পেশোয়া তার সহপাঠীদের কুরআন মুখস্তের রেকর্ডও ভেঙে দেন।

কীভাবে এত কম সময়ে পুরো কুরআন মুখস্ত করে পেশোয়া তা উঠে এসেছে তার মায়ের এক সাক্ষাৎকারে-
‘পেশোয়া নামুস একনিষ্ঠভাবে কুরআনের সবক মুখস্ত করতে বসলে ঘরের দরজা বন্ধ করে পড়তে বসতো। যতক্ষণ তার সবক মুখষ্ত না হতো ততক্ষণ সে দরজা খুলতো না, কারো সঙ্গে কথা বলতো না এমনকি খাবারও গ্রহণ করতো না সে।’

পেশোয়ার মা আরও জানান, মহান আল্লাহ তাআলার একান্ত রহমতেই খুব অল্প সময়ে পেশোয়া নামুস পবিত্র কুরআন মাজিদ মুখস্ত করতে সক্ষম হয়েছে। কারণ আমি একবার রাত ৩টায় ঘুম থেকে উঠে দেখি পেশোয়া নামাজের বিছানায় বসে আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করছে। এ থেকে বুঝা যায়, দ্রুত পুরো কুরআন মুখস্তে পেশোয়ার প্রতি আল্লাহর বিশেষ রহমতও কাজ করেছে।

পেশোয়া নামুস তার ১৭ জন সহপাঠীর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে সবার আগে পুরো কুরআন মাজিদ মুখস্ত করে। পেশোয়া নামুসের বড় দুই বোনও পবিত্র কুরআনের হাফেজ।

কুরআনের প্রতি ৮ বছরের শিশু পেশোয়া নামুসের রয়েছে অনেক ভালোবাসা ও আবেগ। তাইতো পেশোয়া কুরআনের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শনে, কুরআনের আদব রক্ষায় এবং অন্তরে হেফাজতে ব্যাপারে কুরআনের শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

পেশোয়া নামুস বড় হয়ে বিচার হতে চায়। সমাজে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চায়। যা পবিত্র কুরআনের আলোকে পরিচালিত বিচার ব্যবস্থাতেই সম্ভব। আল্লাহ তাআলা পেশোয়া নামুসকে কুরআনের খাদেম হিসেবে কবুল করুন। আমিন।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.