রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলা লড়তে গাম্বিয়াকে ৫ লাখ ডলার দিয়েছে বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে (আইসিজে) রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলা লড়তে গাম্বিয়াকে ৫ লাখ মার্কিন ডলার সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ।

নাইজারে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনে এই অর্থ সহায়তার বিষয়টি জানানো হয়েছে।

নাইজারের রাজধানী নিয়ামে ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনে যোগ দেন সংস্থাটির বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।

তিনি জানান, সম্মেলনে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের জন্য তহবিল সংগ্রহের বিষয়টি আলোচনা হয়েছে।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ওআইসির মাধ্যমে গাম্বিয়াকে ৫ লাখ মার্কিন ডলার দেওয়া হয়েছে। মামলায় লড়তে গাম্বিয়ার ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন।
ওআইসি সেক্রেটারিয়েট জানিয়েছে, রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলা লড়তে গাম্বিয়াকে সৌদি আরব, তুরস্ক, নাইজেরিয়া অর্থ সহায়তা দিয়েছে।

২৭-২৮ নভেম্বর নাইজারের রাজধানী নিয়ামে ওআইসির ৪৭তম পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

‘নামাজ পড়তে অসুবিধা হতো, তাই অভিনয় ছেড়ে দিয়েছি’

নামাজ পড়তে অসুবিধা হয় বলে পাঁচ বছর ধরে অভিনয় করেন না বাংলা চলচ্চিত্রে কালজয়ী অভিনেত্রী আনোয়ারার মেয়ে মুক্তি। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এ কথা জানিয়েছেন।

মুক্তি লিখেছেন, ‘অনেকই জিজ্ঞেস করে, আমি অভিনয় ছেড়ে দিলাম কেন? আসলে সময়মতো নামাজ পড়তে আমার অসুবিধা হতো। তাই প্রায় পাঁচ বছর হলো আমি অভিনয় ছেড়ে দিয়েছি।’

তার এই স্ট্যাটাসের নিচে অনেকেই এই সিদ্ধান্তের জন্য তাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। অনেকে মন খারাপ করে মুক্তির অভিনয় মিস করবেন বলেও জানান।

নামাজ পড়তে অসুবিধা হওয়ায় অভিনয় ছেড়েছেন নায়িকা নামাজ পড়তে অসুবিধা হওয়ায় অভিনয় ছেড়েছেন নায়িকা মুক্তি দর্শক মুগ্ধ করেছেন হুমায়ূন আহমেদের নন্দিত চলচ্চিত্র ‘শ্রাবণ মেঘের দিনে’ জমিদারের বড় নাতনির চরিত্রে।

এখানে শাহানারূপী মুক্তিকে দর্শক মনে রাখবেন অনেকদিন। কাজ করেছেন তিনি হেলাল খানের বিপরীতে ‘হাছন রাজা’ সিনেমাতেও। কাজ করেছেন কিছু নাটক-টেলিছবিতেও।

উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালে ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ সিনেমা দিয়ে যাত্রা শুরু করেন মুক্তি। আ’লোচনায় আসেন একই বছরের সিনেমা ‘চাঁদের আলো’ দিয়ে। ওমর সানীর বিপরীতে এই সি’নেমায় আলো চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি।

আরো পড়ুন-জার্মান শহরে মাইকে ‘আজান নিষিদ্ধের’ মামলায় জয়ী হলেন মুসলিমরা!

জার্মানির একটি শহরে মাইকে আজান দেয়া নিষিদ্ধ করার দাবিতে স্থানীয়দের করা মা’মলায় জয় পেয়েছেন মুসলিমরা। টানা পাঁচ বছরের আইনি লড়াই শেষে বুধবার মা’মলাটি খারিজ করে দিয়েছেন জার্মান আদালত

জার্মানির একটি শহরে মাইকে আজান দেয়া নিষিদ্ধ করার দাবিতে স্থানীয়দের করা মা’মলায় জয় পেয়েছেন মুসলিমরা। টানা পাঁচ বছরের আইনি লড়াই শেষে বুধবার মা’মলাটি খারিজ করে দিয়েছেন জার্মান আদালত।

ফলে, এখন থেকে শহরটিতে মাইকে আজান দিতে আর কোনও বাধা থাকল না। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ২০১৫ সালে জার্মানির উত্তর রাইন-ওয়েস্টফালিয়া অঙ্গরাজ্যের ওর-এরকেনশিক শহরের বাসিন্দারা আজানের সময় মাইক ব্যবহারের বি’রুদ্ধে অ’ভিযোগ দায়ের করেছিলেন।

মসজিদ থেকে ৯০০ মিটার দূরে বসবাসকারী একটি পরিবারের অভিযোগ ছিল, আজানের শব্দে তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হচ্ছে। কিন্তু পরিবারটির এ দাবি খারিজ করে দিয়েছেন জার্মান আদালত।

রায় ঘোষণায় বিচারক বলেছেন, অন্যরাও ধর্মীয় চর্চা করবে এটা প্রতিটি সমাজকে অবশ্যই মানতে হবে। যতক্ষণ কাউকে ধর্মচর্চায় জোর করা হচ্ছে না, ততক্ষণ অভিযোগ জানানোর কোনও সুযোগ নেই।