পবিত্র আল-কোরআনের অনুবাদ করতে গিয়ে মুসলমান হলেন ‘মার্কিন যাজক’

পবিত্র ধর্মগ্রন্থ আল কুরআন অ’নুবাদ করতে গিয়ে মুসলিম হয়েছেন যু’ক্তরাষ্ট্রের ধর্ম যা’জক স্যামুয়েল আর্ল শ্রপ’শায়ার। তিনি মঙ্গলবার আধা-সরকারি সৌ’দি নিউজ ওয়েবসাইট সবক’কে দেয়া এক সা’ক্ষাৎকারে একথা জানান বলে জা’নিয়েছে ল’ন্ডন ভিত্তিক প্যান-আরব গণ’মাধ্যম দ্য নিউ আরব।

শ্রপশায়ার ২০১১ সালে কুরআন করতে স’ম্পাদক হিসেবে কাজ করার জন্য প্রথম সৌ’দি আরবের জেদ্দা সফর করেন। তিনি এসময় যুক্ত’রাষ্ট্রের গণ’মাধ্যমে উপস্থাপিত মুস’লিমদের নে’তিবাচক চ’রিত্র সম্পর্কে খুবই স’চেতন ছিলেন।

এই ৭০ বয়সী ব্যক্তি বলেন, আমি দ্রু’তই বুঝতে পারলাম যে যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমে উ’পস্থাপিত মুস’লিম সঙ্গে বাস্তবের মু’সলিমদের মধ্যে কোনও মি:ল নেই।

তিনি বলেন, এখানে আমি এমন মানুষ দেখলাম, যারা অন্য’দের সঙ্গে সালাম বি’নিময় করেন। মুস’লিমদের পাশাপাশি অ’মুসলিমদের প্রতিও উ’দারতা দেখায়।

শ্রপশায়ার জানান, কু:রআন নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি তিনি জে’দ্দার মুস’লিমদের কাছ থেকে যে আ’তিথেয়তা পেয়েছেন, সেটিও তাকে ইস’লাম গ্র’হণে অ’নুপ্রাণিত ক’রেছে।
তিনি বলেন, সৌদি মুস’লিমরা এক আ’ল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন এবং তারা চ’মৎকার নৈ’তিকতার অ’ধিকারী।

আরো পড়ুন-জার্মান শহরে মাইকে ‘আজান নিষিদ্ধের’ মামলায় জয়ী হলেন মুসলিমরা!

জার্মানির একটি শহরে মাইকে আজান দেয়া নিষিদ্ধ করার দাবিতে স্থানীয়দের করা মা’মলায় জয় পেয়েছেন মুসলিমরা। টানা পাঁচ বছরের আইনি লড়াই শেষে বুধবার মা’মলাটি খারিজ করে দিয়েছেন জার্মান আদালত

জার্মানির একটি শহরে মাইকে আজান দেয়া নিষিদ্ধ করার দাবিতে স্থানীয়দের করা মা’মলায় জয় পেয়েছেন মুসলিমরা। টানা পাঁচ বছরের আইনি লড়াই শেষে বুধবার মা’মলাটি খারিজ করে দিয়েছেন জার্মান আদালত।

ফলে, এখন থেকে শহরটিতে মাইকে আজান দিতে আর কোনও বাধা থাকল না। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ২০১৫ সালে জার্মানির উত্তর রাইন-ওয়েস্টফালিয়া অঙ্গরাজ্যের ওর-এরকেনশিক শহরের বাসিন্দারা আজানের সময় মাইক ব্যবহারের বি’রুদ্ধে অ’ভিযোগ দায়ের করেছিলেন।

মসজিদ থেকে ৯০০ মিটার দূরে বসবাসকারী একটি পরিবারের অভিযোগ ছিল, আজানের শব্দে তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হচ্ছে। কিন্তু পরিবারটির এ দাবি খারিজ করে দিয়েছেন জার্মান আদালত।

রায় ঘোষণায় বিচারক বলেছেন, অন্যরাও ধর্মীয় চর্চা করবে এটা প্রতিটি সমাজকে অবশ্যই মানতে হবে। যতক্ষণ কাউকে ধর্মচর্চায় জোর করা হচ্ছে না, ততক্ষণ অভিযোগ জানানোর কোনও সুযোগ নেই।