কাশ্মিরের প্রথম মুসলিম নারী পাইলট ইরাম হাবিব

৩০ বছর বয়সী তরুণী ইরাম হাবিবের নাম এখন ছড়িয়ে পড়ছে গোটা বিশ্বে। কাশ্মিরের প্রথম মুসলিম নারী পাইলট হিসেবে তিনি চলতি মাসেই যোগ দিচ্ছেন একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সে।

ইরামের যাত্রাটা মোটেও সহজ ছিল না। কাশ্মিরের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি মেয়ে পাইলট হয়ে আকাশে উড়বেন তা অনেকের জন্যেই চিন্তা করা কঠিন। তবে ইরাম ছোট থেকেই স্বপ্ন দেখেছেন। আর তার সেই স্বপ্নকে সফল করতে সবসময়েই ইরামের পাশে ছিলেন তার বাবা। ইরাম হাবিবের বাবা কাশ্মীরের সরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের জিনিসপত্র সরবরাহ করেন।

বর্তমানে দিল্লিতে প্রশিক্ষণ চলছে ইরামের। কমার্শিয়াল পাইলট হওয়ার লাইসেন্স পাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। কাশ্মিরের প্রথম মুসলিম নারী পাইলট হওয়ার পর তিনি জানিয়েছেন, সবাই খুব অবাক হয়ে যাচ্ছে একজন মুসলিম মেয়ে হয়ে আমি কিভাবে পাইলট হয়ে গেলাম। কিন্তু আমি এখন সেসব ভাবছি না। আমি শুধুই এখন আমার লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে চাই।

ইরামের আগে একইভাবে নাম কুড়িয়েছেন আয়েশা আজিজ। ২১ বছর বয়সী আয়েশা ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ মুসলিম নারী পাইলট।

শরণার্থী সংকট মোকাবিলায় প্রকৃত নেতৃত্ব দেখিয়েছে বাংলাদেশ ও তুরস্ক’

বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মুস্তফা ওসমান তুরান বলেছেন, জীবনযাপনের জন্য সুষ্ঠু পরিবেশসহ সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়ে সত্যিকারের নেতৃত্ব দেখিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোহিঙ্গারা কোথায় বাস করছে সেটি বিবেচনা না করে, তাদের পেছনে ব্যয় অনেক বেশি হওয়ায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও দাতা সংস্থাগুলোর সহযোগিতার ওপর জোর দেন দু’বার রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করা রাষ্ট্রদূত তুরান।

তিনি বলেন, `আমরা আরো বেশি সহযোগিতা দেখতে চাই এবং এর মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের সহায়তা করা আরও সহজ হবে।’

ভাসান চরকে আবাসযোগ্য করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেখানে বড় বিনিয়োগ করেছে উল্লেখ করে নিজ কার্যালয়ে ইউএনবিকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে রাষ্ট্রদূত তুরান বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের কোথায় আশ্রয় দেয়া হবে সেই সিদ্ধান্ত নেয়া বাংলাদেশের সরকারের অধিকার।’

তিনি বলেন, দক্ষতার সাথে দুটি পৃথক স্থানে কার্যক্রম পরিচালনা করতে অতিরিক্ত ব্যয় ও চ্যালেঞ্জগুলো খুঁজে বের করতে ভাসান চরে জাতিসংঘ কর্তৃক একটি পূর্ণ প্রযুক্তিগত মূল্যায়ন প্রয়োজন।

বাংলাদেশ সরকার এই দ্বীপটির (ভাসান চর) উন্নয়নে ৩৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করেছে। সরকার বলছে, ১৩ হাজার একর আয়তনের এই দ্বীপে সকল আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, বছরব্যাপী মিঠা পানি, সুন্দর হ্রদ এবং যথাযথ ও উন্নত অবকাঠামো রয়েছে।

তুর্কি রাষ্ট্রদূত বলেন, রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর স্বেচ্ছায় করা উচিত এবং গত ৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে এই দিকটি তুলে ধরা হয়।

কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরগুলোতে অতিরিক্ত ভিড় নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মুখে এবং ভূমিধসসহ অন্যান্য দুর্ঘটনায় মৃত্যুর ঝুঁকি এড়াতে পর্যায়ক্রমে এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসান চরে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

তারই ধারাবাহিকতায়, গত ৪ ডিসেম্বর প্রথম পর্যায়ে ১৬০০ এর বেশি রোহিঙ্গাকে তাদের স্বেচ্ছায় ভাসান চরে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।